আহমেদাবাদে ভেঙে পড়া এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান থেকে বেঁচে ফিরেছেন বিশ্বাস কুমার রমেশ। তবে তার বেঁচে যাওয়ার ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছেন না বিমান পরিবহন বিশেষজ্ঞরা।

বিমানটিতে ক্রু সহ ২৪২ জন মানুষ থাকলেও ব্রিটিশ নাগরিক বিশ্বাস কুমার রমেশই একমাত্র জীবিত রয়েছেন। তার ঠিক পাশের আসনেই বসা তারই ভাই বৃহস্পতিবারের ওই ঘটনায় মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী তাদের পরিবার।

ক্র্যানফিল্ড ইউনিভার্সিটির বিমান পরিবহন ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গাই গ্রেটন বিবিসির নিউজনাইট অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘এরকম ঘটনা প্রায় শোনাই যায়নি আগে।’ তার মতে, ‘আধুনিক বিমান এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়, যাতে সেটি ক্র্যাশ করলেও প্রত্যেকেরই জীবিত থাকার প্রভূত সুযোগ থাকে।’

বিমানের যাত্রী (1)

গাই গ্রেটন বলেন, ‘আর সেজন্যই ক্র্যাশ করলে হয় প্রচুর সংখ্যক যাত্রী জীবিত থাকে অথবা দুর্ঘটনার অভিঘাত এতটাই বেশি হয় যে কাউকেই আর জীবিত উদ্ধার করা যায় না। সেদিক থেকে রমেশের বেঁচে যাওয়া সত্যিই অস্বাভাবিক ঘটনা।’

বিশ্বাস কুমার রমেশের আসন ছিল ১১এ। যার অবস্থান ইর্মাজেন্সি এক্সিটের পাশেই। গাই গ্রেটনের ধারণা বিমান ভেঙ্গে পড়ার পরে সেই ১১এ আসনটিসহ রমেশ বাইরে ছিটকিয়ে পড়েছিলেন। তখনও মি. রমেশ আসনেই বসা অবস্থায় ছিলেন সম্ভবত। আর ভাগ্যবলে বেঁচে ফিরেছেন।

বিশ্বাস কুমার রমেশ অবিশ্বাস্য রকম ভাগ্যবান বলেই মনে করছেন তিনি।