ইরানের রাজধানী তেহরান এবং আশপাশের এলাকায় অবস্থিত পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। রাতের আঁধারে চালানো এ হামলায় দেশটির অভিজাত বাহিনী রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রধান জেনারেল হোসেইন সালামি নিহত হয়েছেন। এছাড়া রেভল্যুশনারি গার্ডের সদর দপ্তরেও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে অনেকে হতাহত হয়েছে। ইসরায়েলের এ হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত নয় বলে সাফ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। শুক্রবার হামলার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ তথ্য জানা।খবর বিবিসি।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এ হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত নয়। আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি ইরানকে সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোনও স্বার্থ বা সেনার ওপর হামলা চালানো হলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।’
মার্কো রুবিও বলেন, ইসরায়েল একতরফাভাবে এ পদক্ষেপ নিয়েছে। একইসঙ্গে তিনি ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যেন কোনো প্রতিশোধমূলক হামলা না চালানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্র জড়িত নয় দাবি করলেও ইরানি রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমগুলো সরাসরি ওয়াশিংটনের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে। রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলগুলোর দাবি, ‘এ হামলায় শিশু নিহত হয়েছে ও যুক্তরাষ্ট্র পরোক্ষভাবে এ হামলায় সহায়তাকারীর ভূমিকা পালন করেছে।
অবশ্য হামলার আগে গত বুধবার ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘পারমাণবিক আলোচনা ভেঙে পড়লে এবং যুদ্ধ শুরু হলে, আমাদের লক্ষ্য হবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত সব মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। প্রয়োজনে আমরা এগুলোতে সরাসরি আঘাত করব।’










