উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিরল ধরনের ভিন্নমত দেখা গেল। রাষ্ট্রীয়ভাবেই বিষয়টি প্রচার করা হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সকালে প্রকাশিত এ ফলাফলকে কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রে জনগণের অধিকারের ‘অর্থপূর্ণ বৃদ্ধি’ হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকরা। বরং বলা হচ্ছে, কিম জং উনের নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ধরে রাখার পক্ষেই গেছে এ নির্বাচন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, গত রোববার অনুষ্ঠিত প্রাদেশিক পরিষদ ও সিটি কাউন্সিলের নির্বাচিত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে যথাক্রমে দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ও দশমিক ১৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। যাকে ‘বিরল ভিন্নমত’ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানায়, ভোটারদের মধ্যে ৯৯ দশমিক ৯১ শতাংশ প্রাদেশিক পরিষদের ডেপুটিদের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। নির্বাচিত সিটি ও কাউন্টি ডেপুটিরা পেয়েছেন ৯৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ ভোট।

বলা হয়ে থাকে, উত্তর কোরিয়ার সংসদ ও আঞ্চলিক পরিষদ ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির জন্য রাবার স্ট্যাম্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এসব নির্বাচনে সাধারণত ৯৯ শতাংশের বেশি ভোটার উপস্থিতি থাকে।

এ বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ১৯৬০ এর পর এবারের স্থানীয় নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ভিন্নমতের ভোটের উল্লেখ করেছে পিয়ংইয়ং।

উত্তর কোরিয়ায় আঞ্চলিক নির্বাচন চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়। একাধিক প্রার্থীকে অংশ নেয়ার অনুমতি দেয়ার জন্য আগস্টে আইন সংশোধনের পর এটিই দেশটিতে প্রথম নির্বাচন।