চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড সম্মেলনকে সামনে রেখে দেশটি সফরে যাচ্ছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কাল থেকে শুরু হওয়া দুই দিনের এ সম্মেলনে তার অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। পশ্চিমাদের বিপরীতে মিত্র চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগকে শক্তিশালী করতে চান পুতিন। খবর রয়টার্স
গত বছরের মার্চে পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। ওই পরোয়ানা জারির পর এবারই প্রথম সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশের বাইরে সফরে যাচ্ছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।
এর আগে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে ইউক্রেনে আক্রমণের কিছুদিন আগে বেইজিং সফর করেন পুতিন। ওই সময় তিনি চীন ও রাশিয়ার মধ্যকার বন্ধুত্বকে ‘সীমাহীন’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। এরপর থেকে দুই দেশ নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন খাতে লেনদেন ও সহযোগিতা বাড়িয়েছে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিল ক্লিনটনের অধীনে সাবেক সহকারী প্রতিরক্ষা সচিব গ্রাহাম অ্যালিসন রয়টার্সকে বলেছেন, ‘এক দশকে শি জিন পিং পুতিনের সঙ্গে মিলে বিশ্বের সবচেয়ে ফলপ্রসূ অঘোষিত জোট গড়ে তুলেছেন।’
চীন ও রাশিয়াকে ইঙ্গিত করে তিনি আরো বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে এ কঠিন সত্যটি মানতে হবে যে দ্রুতবর্ধনশীল পদ্ধতিগত প্রতিদ্বন্দ্বী ও বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক অস্ত্রাগারের মালিক পুনর্গঠনবাদী একক পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা করার জন্য দৃঢ়ভাবে একত্র হয়েছে।’
এদিকে চীন ও রাশিয়া দুই দেশকেই প্রতিদ্বন্দ্বী ও শত্রু বলে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। চীন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী এবং জাতিরাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু রাশিয়া। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রাশিয়া-চীন অক্ষের বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের লড়াইকে গণতন্ত্র বনাম স্বৈরশাসকের মধ্যকার লড়াই বলে আখ্যা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এর আগে তিনি শি জিন পিংকে স্বৈরশাসক ও ভ্লাদিমির পুতিনকে হত্যাকারী বলে উল্লেখ করেছিলেন।










