মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এবার হজে অংশগ্রহণকারী মুসল্লিদের জন্য ছায়াযুক্ত এলাকায় প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, শীতলীকরণ যন্ত্রপাতি বিতরণ এবং একাধিক ভাষায় সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। এর পাশাপাশি, তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোতায়েন করা হয় মেডিকেল টিম ও জরুরি সেবাদানকারী ইউনিট।
এইসব ব্যবস্থা মুসল্লিদের গরমজনিত অসুস্থতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। ফলে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছেন হাজিরা।
গাল্ফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই অর্জনকে ‘ভিশন ২০৩০’-এর আওতায় নেয়া স্বাস্থ্য খাতের রূপান্তর কর্মসূচি এবং হজযাত্রা অভিজ্ঞতা উন্নয়ন উদ্যোগের প্রত্যক্ষ ফলাফল হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
গত বছর প্রচণ্ড তাপদাহে বহু হজযাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং এক হাজারেরও বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে, যা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। অনুমোদনহীনভাবে হজে অংশগ্রহণ, অতিরিক্ত গরমে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ছাড়া দীর্ঘপথ হাঁটা ইত্যাদি কারণেই অধিকাংশ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।
এই বছরের তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল হজ আয়োজন প্রমাণ করে, সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করলে স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সৌদি পরিসংখ্যান কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২৫ সালের হজে অংশ নেন মোট ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৩০ জন। এর মধ্যে ১৫ লাখ ৬ হাজার ৫৭৬ জন হজ করতে এসেছেন বিদেশ থেকে, আর সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ হাজির সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫৪ জন। পুরুষ হজযাত্রী ছিলেন ৮ লাখ ৭৭ হাজার ৮৪১ জন এবং নারী হজযাত্রী ৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৯ জন।










