শুধু কৃষির ওপর নির্ভর না করে অন্যান্য জীবিকা নিয়ে আয়রোজগারের পথ খুঁজে বের করার সৃজনশীলতা কুষ্টিয়া অঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষের রক্তে মিশে আছে। কুষ্টিয়ার কুমারখালীর তাঁত শিল্পের পাশাপাশি প্রায় নিঃস্ব ও প্রান্তিক মানুষের নানা প্রচেষ্টা এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছে। কুলফি মালাই, তিলের খাজা, দেশী ধানের মুড়ি, ঝাড়ু ইত্যাদি এখন শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে এ অঞ্চলের মানুষ। কোনো কোনো করপোরেট এখন এসবের স্বত্ব কিনে নিজেদের নামে ব্র্যান্ডিং করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। ভেড়ামারা-দৌলতপুর অঞ্চলে কৃষিযন্ত্র উৎপাদনের নানা কলকারখানা গড়ে উঠছে কারিগরদের উদ্যোগে। বগুড়ার উৎপাদিত সামগ্রীর সাথে প্রতিযোগিতা করে এগিয়ে যাচ্ছে এই শিল্প। 

রিয়াজুস সালাতিন গ্রন্থে (গোলাম হোসাইন সলিম, ১৭৮৮) বাংলার নানা এলাকার বয়ন শিল্পের বর্ণনা আছে। কুমারখালীর নামও সেখানে বেশ সমীহর সাথে উচ্চারিত হয়েছে। সারা পৃথিবীতে হাতের কাজে তারাই আগুয়ান যাদের জমি অনুর্বর ঊষর। কৃষিতে ভবিষ্যৎ নেই যাদের বা জমিজিরাত হারিয়ে হাত দুটো নিয়ে পথচলা তারাই হাতের কাজে জীবিকা খোঁজেন। কারিগর হন। কুমারখালীর সে অবস্থা কোনোকালেও ছিল না। তার পরও কৃষির বাইরে নিজের ভিটেতে থেকেই অন্য কিছু করে জীবন চালিয়ে নেয়ার, জীবন সাজিয়ে নেয়ার দক্ষতা কুমারখালী অঞ্চলের একটা ঐতিহ্য যেন। 

অনেকে ঐতিহাসিক তথ্য-উপাত্ত দিয়ে দেখিয়েছেন ১৭৪২-৪৩ সালে ঢাকার সোনারগাঁ বিক্রমপুর প্রভৃতি অঞ্চলে মারাঠা বর্গিদের উৎপাতে জেরবার হয়ে অনেক তাঁতি সুতা কাটুনি দলে দলে নদীয়ায় চলে যায়। দেশভাগের আগে কুমারখালী ছিল অবিভক্ত নদীয়ার একটা নিরাপদ জনপদ। ঢাকা অঞ্চলের তাঁতি আর সুতা কাটুনির দল নদীয়ার শান্তিপুর আর কুমারখালীকেই বেছে নেন। গড়ে তোলেন নতুন আবাদি। অবশ্য তার মানে এই নয় যে আরসব অঞ্চলে এর আগে তাঁত ছিল না, তাঁতি ছিল না, কাপড়ের বাজার বসত না। এসব ছিল বলেই নিরাপত্তার খোঁজে পালিয়ে আসা তাঁতিরা কুমারখালী শান্তিপুরে ঘর বাঁধতে স্বাছন্দ্য বোধ করেছেন। নতুনদের আগমনে উত্কর্ষতা বেড়েছে, বাজার বড় হয়েছে। আদি স্থানীয়রাও লাভবান হয়েছেন, তাদেরও দিন ফিরেছে। তাঁতি সমাজকে ‘জুলা’ বলে সামাজিকভাবে দূরে রাখলেও ব্যবসার সত্যকে আলিঙ্গন করেছেন, তাঁতের সাথে যুক্ত অন্যান্য ব্যবসায় মন দিয়েছেন। কুমারখালীর কাপড়ের খোঁজে ইংরেজদের আগে ফরাসি আর দিনেমার কোম্পানিগুলো এ অঞ্চলে আসে। অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ইউরোপের কাপড়ের বাজারে দিনেমারদের প্রতিপত্তি ছিল একচ্ছত্র। পলাশী যুদ্ধের আগ পর্যন্ত কুমারখালীর তাঁতিরা দিনেমারদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেই ব্যবসা করতেন। 

পলাশী যুদ্ধের পর ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নদীয়ার মতো দুটি কুঠি খোলেন। তার একটি ছিল কুমারখালীতে। উদ্দেশ্য দিনেমার ফরাসি আর ওলন্দাজদের ডিঙিয়ে এখানকার কাপড় ইউরোপ-আমেরিকায় রফতানির ব্যবসা কবজা করা। একেকটা কমার্শিয়াল রেসিডেন্সি বা বাণিজ্যিক কুঠির অধীনে অনেকগুলো বস্ত্র সংগ্রহ কেন্দ্র বা আড়ং ছিল। একেকটি আড়ং ঘিরে তাঁতিরা নতুন করে বিন্যস্ত হয়।

আঠারো শতকের আগ পর্যন্ত বয়নের সাথে যুক্ত মানুষরা শিল্পীর জীবন যাপন করছেন সম্মান আর আর্থিক সচ্ছলতা নিয়ে। তখনকার প্রবচন ছিল ‘কেঁদে কেটে মরবি না কাটনা কেটে খাবি’। তখন একটানা দুই মাস পরিশ্রম করে এক সের ভালো সুতা তৈরি করতে পারলে তখনকার বাজারে সেটা ৬৪০ টাকায় বিক্রি করা যেত। সব খরচ বাদ দিয়ে মাসে ২০০ টাকা হাতে থাকলেও সাহিত্যিক ম্যাজিস্ট্রেট বঙ্কিম চন্দ্রের মাসিক আয়ের থেকে সেটা বেশি বৈ কম ছিল না। ১৭৫৭ সালের এক হিসাবে দেখা যায় কুমারখালী ও শান্তিপুর তথা নদীয়ার ব্যবসা রমরমা অবস্থা দেখে গভর্নর লিখেছিলেন, (২৯ আগস্ট ১৭৫৯) তাঁতিদের দাদন বা আগাম দিয়ে আমরা ভালো ফল পেয়েছি। ১৭৬৫ সালে কোম্পানি দেওয়ানি অধিকার পাওয়ার পর পরিস্থিতি বদলাতে থাকে।

বলা বাহুল্য তাঁতিদের সেই সুদিন বেশি দিন টেকেনি। বাংলায় ইংরেজদের একাধিপত্য বা মৌরুসিপাট্টা হাসিল হওয়ার পর থেকেই কোম্পানির জোরজুলুম বাড়তে থাকে। কোম্পানির ইংরেজ কর্মচারীদের অনেকেই বেআইনি লগ্নি শুরু করে। সুতার মান খারাপ বলে সুতা ফিরিয়ে দিয়ে সেই সুতা তাদের দেশীয় দালালদের মাধ্যমে খুব কম দামে কিনে আবার কোম্পানি বা ইউরোপের অন্য ব্যবসায়ীদের কাছে বেশি দামে বেচাবিক্রির কারবার ফেঁদে বসে তারা। ১৭৭৩ সালে এসব অত্যাচারের প্রতিবাদে এ অঞ্চলের তাঁতিরা প্রথম লং মার্চ করেন। কুমারখালী আর শান্তিপুরের তাঁতিরা হেঁটে কলকাতায় যান এবং এক রাত অনশনের পর কোম্পানির সদরে গিয়ে অভিযোগ জানান। কোম্পানির প্রধান তাদের অভিযোগ শোনেন এবং প্রতিকারের প্রতিশ্রুতি দেন। কুমারখালী আর শান্তিপুরে উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা সরেজমিন তদন্ত করে তাঁতিদের অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পান। প্রতিকারের ব্যবস্থা নেয়া হয়। কিন্তু ততদিনে কোম্পানির অপশাসনে দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। ’৭৬-এর সর্বগ্রাসী মন্বন্তরে সারা দেশের মানুষের সঙ্গে তাঁতিরাও শেষ হয়ে যায়। মারা যায় অনেকে। কৃষির সাথে সম্পর্কহীন যেসব পেশার মানুষের সারা বছরই কিনে খেতে হতো তাঁতিরা তাদের অন্যতম। কাজেই আকালের দিনে তাদের কষ্ট ছিল সীমাহীন। তবে নিজেদের মরাকু মনোভাবের শক্তিতে বলীয়ান তাঁতি সমাজ আবার উঠে দাঁড়ায়। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আঞ্চলিক বাণিজ্যের নিয়ম-কানুন, চোরাচালানের পৃষ্ঠপোষকতা, ন্যায্য রাষ্ট্রীয় আনুকূল্য থেকে ধারাবাহিকভাবে বঞ্চিত করার প্রবণতা এ শিল্পের বিকাশকে বারবার ব্যাহত করেছে।

তাঁত শিল্প কুমারখালী, খোকসা ও মিরপুর, পাংশা, লাঙ্গলবন্দ এলাকায় সত্তরের দশকে তার গতি ফিরে পেয়েছিল। তখন এ অঞ্চলে ৮০ হাজারেরও বেশি তাঁতি পরিবার ছিল। এর মধ্যে খটখটি তাঁত ১৪ হাজার, হস্তচালিত প্যাডেলিং তাঁত ৪৪ হাজার ও বিদ্যুৎ চালিত ২০ হাজার। প্রতি বছর ২৬০ কোটি টাকা মূল্যের কাপড় তৈরি হতো। 

দুই কোটি ৮৮ লাখ পিস লুঙ্গি, ১৫ লাখ পিস বেডকভার, ৭২ লাখ পিস গামছা-তোয়ালে উৎপাদন হতো। বার্ষিক আয় ছিল ৩০০ কোটি টাকার ওপরে। দেশের মোটা কাপড়ের চাহিদার ৬৩ ভাগ পূরণ করত কুষ্টিয়ার তাঁতিরা। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এ তাঁত কাপড়ের ছিল ব্যাপক চাহিদা। বর্তমানে এ চাহিদা কমে ৩৫ ভাগে নেমে এসেছে। তাঁত শ্রমিকরা ক্রমশ তাঁদের পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। এখনো পুরনো পেশা হিসেবে এ পেশায় টিকে আছে মাত্র কয়েক হাজার তাঁতি। 

কেন এই পতন?

এক কথায় এ প্রশ্নের জবাব হচ্ছে ‘অবহেলা’। দীর্ঘসূত্রতার আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় হারিয়ে গেছে অনেক উদ্যোগ। ২০১১ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট স্থাপনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় তাঁত অধ্যুষিত এলাকায় তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য অবকাঠামো নির্মাণ, তিনটি প্রশিক্ষণ উপকেন্দ্র স্থাপন, তাঁতিদের দক্ষতা ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা হবে। নথি অনুযায়ী প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ২২ হাজার তাঁতির কর্মসংস্থান হওয়ার কথা ছিল। বলা হয়েছিল, প্রকল্পের মাধ্যমে উৎপাদিত বস্ত্রের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে। প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এ প্রকল্পের মূল অর্থের জোগানদার ছিল জাপান সরকার। জাপান ঋণ মওকুফ তহবিল (জেডিসিএফ) থেকে প্রায় সব টাকা আসার কথা ছিল। সরকারের হিস্যাই পড়েছিল মাত্র ১ কোটি টাকা। 

রাজধানীর মিরপুর, টাঙ্গাইলের কালীহাতি, সিরাজগঞ্জের বেলকুচি ও কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে এসব ফ্যাশন ডিজাইন ও ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ও উপপ্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করার কথা ছিল।

সে সময় তত্কালীন পরিকল্পনামন্ত্রী এ কে খন্দকার জানান, বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বিপুল চাহিদা রয়েছে। গার্মেন্টে তৈরি পোশাক ছাড়াও হস্তচালিত তাঁতে তৈরি পোশাকের চাহিদাও অনেক। অথচ বিশ্বের ভোক্তার নিত্যনতুন ডিজাইন ও চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না দেশের তাঁতিরা। ফ্যাশন ছাড়াও রঙের ক্ষেত্রে সেকেলে তাঁতিরা নতুন চিন্তাধারা প্রয়োগ করতে পারছে না। এ কারণে তাঁতিদের ফ্যাশন ডিজাইনের নিত্যনতুন ধারা ও পাশ্চাত্য চাহিদার সঙ্গে পরিচিত করানো ও হাতে-কলমে শেখানোর জন্য এসব ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে। কিছুই হয়নি। অন্তত কুমারখালীতে যে একটা ইটও পড়েনি তা নিশ্চিত করে বলা যায়।

কুমারখালীর তাঁত শিল্পকে প্রাণ ফিরিয়ে দেয়ার দ্বিতীয় উদ্যোগের কথা শোনা যায় ২০১৮ সালে। সে বছর বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড জানায়, ১১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচটি বেসিক সেন্টারে পাঁচটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও একটি ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট, একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং তাঁতপণ্য বিপণন সহজ করতে ঢাকার কারওয়ান বাজার ও কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাজারে স্থায়ী মার্কেটে প্রমোশন কেন্দ্র স্থাপন নির্মাণ করা হবে। এ প্রকল্পের হালফিল অবস্থা কী তা কুষ্টিয়ার তাঁতিরা এখনো জানেন না। 

শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র শিল্প করপোরেশন (বিসিক) কুমারখালীতে শ’ দুয়েক একর জমি নিয়ে নতুন এক শিল্পনগরী গড়ে তুলবে, সেখানে তাঁতিদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। শিল্পনগরী এ-যাবৎ ক্ষুদ্র আর মাঝারি শিল্পের সাথে যুক্তদের তেমন উপকারে আসেনি, বরং বড় পুঁজির সেবা করেছে। ছোটরা ক্রমশ শ্রমিকে পরিণত হয়েছেন। হয়তো এবার অন্য কিছু হবে। তাঁত শিল্পীদের প্রেসার কুকার বানানোর শ্রমিকে পরিণত না করে তাঁতেই রাখা হবে। দেখা যাক। 

এখনই কী করা প্রয়োজন 

কবে আধা মণ ঘি জুটবে আর কবে রাধা নাচবে সে ভরসায় না থেকে এ শিল্পকে বাঁচানোর জন্য এখনই কিছু পদক্ষেপ নেয়া উচিত। 

তাঁত শিল্প আর ব্যবসার সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিদ্যুৎ সংকট আর কাঁচামালের দাম বাড়ার কারণে করুণ সংকটে আছে তারা। সেই সাথে যুক্ত হয়েছে কাস্টমসসহ পরিবেশ অধিদপ্তরের হয়রানি। সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি সুতার মূল্য সহনীয় রাখার দাবি জানিয়েছেন মালিক-শ্রমিকরা। 

কুমারখালীর তাঁতের কাপড়ের কদর পার্শ্ববর্তী দেশেও আছে। কুমারখালীর কাপড়ের হাট সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় উৎপাদিত বস্ত্রসামগ্রী শাহজাদপুরের হাটে যাচ্ছে। শাহজাদপুর কাপড়ের হাট থেকে শাহজাদপুরসহ পাবনা, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও কুমারখালীর ৮০ ভাগ তাঁতবস্ত্র পশ্চিমবঙ্গে রফতানি হয়। প্রতি মাসে এ রফতানির পরিমাণ প্রায় ২০ কোটি টাকা। এতে উভয় দেশই ব্যাপক হারে লাভবান হচ্ছে। তবে এ রফতানিতে শুধু বেনাপোল বন্দর ব্যবহারের অনুমতি থাকায় আমাদানি-রফতানিকারকরা অন্যান্য বন্দর ব্যবহার করতে পারছেন না। এতে পরিবহন ব্যয় ও সময় দ্বিগুণ লাগছে। তাঁত বস্ত্র রফতানির জন্য হিলি ও সোনামসজিদ স্থলবন্দর খুলে দেয়া হলে রফতানি খরচ কমে যাবে। ফলে ক্রেতারা অল্প খরচে তাদের পছন্দের পণ্য কিনতে সক্ষম হবে। ২০১৫ সাল থেকে ব্যবসায়ীরা এ দুটি বন্দর খুলে দেয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর তাঁতের কাপড়ের হাট থেকে তাঁতের শাড়ি-লুঙ্গি ও গামছা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় রফতানি করতে হিলি ও সোনামসজিদ স্থলবন্দর খুলে দেয়া হলে পরিবহন খরচ ও সময় অর্ধেক কমে যাবে। বাংলাদেশ হ্যান্ডলুম প্রডাক্টস এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন এবং পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুর এলাকার তাঁতবস্ত্র আমদানিকারক সমিতি মনে করে, দুটি স্থলবন্দর তাঁতপণ্য রফতানি ও আমদানির জন্য খুলে দেয়া হলে কম খরচে ও অল্প সময়ে দ্বিগুণ পণ্য পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছানো সম্ভব হবে। বড় বড় মাথাভারি প্রকল্পের পাশাপাশি এসব বিনা খরচের সমাধান সূত্রগুলো নিয়েও ভাবতে হবে।  


গওহার নঈম ওয়ারা: গবেষক