বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে কৃষির ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু অর্ধেকের বেশি গ্রামীণ পরিবার তাদের আয়ের উৎস হিসেবে ০.২ হেক্টরেরও চেয়ে কম জমির ওপর নির্ভর করে। তাই দেখা যায়, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আয়ের ৩৫-৫০ ভাগ আসে অকৃষি খাত থেকে। বিশেষত কৃষি পরিবারগুলো ঝুঁকি, মৌসুমি আয়ের পরিবর্তন এবং কৃষির উপকরন ক্রয়ের জন্য অর্থ ব্যয় করতে অকৃষি খাত থেকে অর্জিত আয়ের ওপর নির্ভর করতে হয়। অন্যদিকে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার সর্বত্র বেঁচে থাকার জন্য অকৃষি খাত থেকে অর্জিত আয়ের ওপর নির্ভরশীল। তাই সময়ের পরিক্রমায় নীতিনির্ধারকরা অকৃষি খাতকে গ্রামীণ উন্নয়নে কৃষি খাতের একটি অনুপুরক হিসেবে দেখছেন। একই সাথে যেসব কৃষি শ্রমিক ও ক্ষুদ্র কৃষক ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিকীকরণ ও মূলধনীয় কৃষির জন্য কৃষি থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন তাদের উৎপাদনশীল রাখতে অকৃষি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে বলেও মনে করেন নীতিনির্ধারকরা।
গ্রামীণ অকৃষি খাত প্রধানত কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, বিপণন, বাণিজ্যিকীকরণ ও সেবামূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে গঠিত। গবেষণায় দেখা যায়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গ্রামীণ শিল্পকে উৎসাহিত করার ওপর জোর দেয়া হলেও উৎপাদন কেবল গ্রামীণ অকৃষি খাতে ২০-২৫ শতাংশ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে অথচ যেখানে বাণিজ্য, পরিবহন, নির্মাণ এবং অন্যান্য সেবা ৭৫-৮০ শতাংশ জোগান দেয়। স্পষ্টতই গ্রামীণ অঞ্চলে ছোট খুচরা বিক্রেতা, উপকরণ সরবরাহ সংস্থা, কুটির শিল্প, মৌলিক খামার সরঞ্জাম, মেরামত সেবা রয়েছে। যেখানে স্কুল, স্বাস্থ্য ক্লিনিক, কলকারখানা, পরিবহন সুবিধা ও সরকারি সেবার মতো অকৃষি কার্যক্রম তুলনামূলকভাবে আঞ্চলিক শহরগুলোতে অধিক মাত্রায় বেশি প্রচলিত। এছাড়া রেমিট্যান্সও গ্রামীণ আয়ের একটি বড় উৎস, কিন্তু বেশির ভাগ গ্রামাঞ্চলেই দেখা যায়, স্থানীয় ব্যবসা ও মজুরি আয় থেকেই অকৃষি আয়ের একটি বিরাট অংশ আসে। ২০১২ সালে বার্ষিক গ্রামীণ আয়ের ৫৬.২৫ শতাংশ এসেছে অকৃষি খাত থেকে যা ২০১০ সালের চেয়ে ১৮ শতাংশ বেশি।
গ্রামাঞ্চলে অকৃষি খাতের পধান কর্মকাণ্ডগুলো হলো কুটির শিল্প ও যন্ত্র কারখানায় স্বকর্মসংস্থান, গ্রামীণ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে মজুরি, পরিবহন কার্যক্রম, নির্মাণ শ্রম, কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, দোকানপাট, প্যাডেলিং, ক্ষুদ্র ব্যবসা, মাঝারি ও বৃহৎ আকারে বাণিজ্য এবং ঠিকাদার ব্যবসা। উন্নয়নশীল দেশের প্রাপ্ত তথ্যের সমীক্ষা থেকে দেখা যায়, অকৃষি খাত পূর্ণ সময়ের কর্মসংস্থানের ২০-৪৫ শতাংশ সরবরাহ করে, যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ৫২.৪ শতাংশ। কারণ হিসেবে দেখা যায়, অনেক ভূমিহীন কৃষক কৃষিকাজ ছেড়ে অকৃষিকাজের দিকে বেশি ঝুঁকছেন এবং সংখ্যাটি ২০০০ সালে ছিল ৫৮ শতাংশ। তারা মূলত কৃষি মজুরি বাদ দিয়ে বর্গাচাষ, রিকশা টানা, যন্ত্র কারখানার কাজ করাসহ বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে বেশি আগ্রহী। অন্যদিকে মাঝারি ও কৃষি পরিবারের শ্রমিকরা নিজের খামার থেকে সরে গিয়ে সেবা খাতে ও ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধান। মাঠ থেকে ধান সংগ্রহের পর বিভিন্ন ধাপ পার করে চাল হিসেবে সেটা ভোক্তার কাছে পৌঁছে। এ ধাপগুলো কৃষকের বাড়িতে এবং চালকলে ঘটে। দিন দিন চালকলের জনপ্রিয়তা কৃষক ও ভোক্তা দুই পক্ষের মধ্যে বাড়ছে। ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনমতে, ২০০৫ সালে সেমি-অটোমেটিক ও অটোমেটিক রাইস মিল ছিল ২০০টি, যা ২০১১ বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৬০০টি এবং মোট রাইস মিলের সংখ্যা ছিল ১৭ হাজারের মতো। বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২০ সালে দেশে ২২ হাজারের বেশি চালকল রয়েছে। মূলত ২০১১ সালের পর থেকে অটোমেটিক রাইস মিলের সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ছে।
প্রধান কারণ হলো বিনিয়োগকারীর এ খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ। অটোমেটিক মেশিনে চাল কম ভাঙে, গুণগত মান ঠিক থাকে, পাথর অথবা অন্য অখাদ্য-জাতীয় জিনিস কম থাকে। ফলে ভোক্তা বেশি পছন্দ করে এবং বিনিয়োগকারীরা উৎসাহিত হন। আরেকটি দিক হলো, অটোমেটিক মেশিনের চালের মান ভালো হওয়ায় বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য বিভাগ ২০ শতাংশ অতিরিক্ত চাল কেনে তাদের কাছ থেকে, যাদের কাছে অটোমেটিক ক্রাশার রয়েছে। অটোমেটিক ও অন্যান্য রাইস মিলের সংখ্যা বাড়লেও শ্রমিকদের মজুরি ২০১২ সালের পর আর বাড়েনি। অদক্ষ শ্রমিকের মাসিক বেতন ছিল ৫ হাজার ৫২০ টাকা। কেবল তা ২০২০ সালে ৪১ শতাংশ বাড়িয়ে সেটা ন্যূনতম মাসিক ৭ হাজার ৮২০ টাকা করা হয়েছে। গবেষণা অনুযায়ী সারা দেশে হাসকিং, সেমি-অটোমেটিক ও অটোমেটিক রাইস মিলে ২৬ লাখের বেশি শ্রমিক কাজ করে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ খাদ্যশস্য উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুসারে ২০১৪-১৫ সালে মোট ধান উৎপাদন ছিল ৩৪৪.৯৫ লাখ মেট্রিক টন, যা ২০০৯-১০ সালের চেয়ে ৭ শতাংশ বেশি। একই ভাবে গম ও ভুট্টা উৎপাদন ২০০৯-১০ সালে ছিল যথাক্রমে ৯.৬৯ এবং ৮.৮৭ লাখ মেট্রিক টন, যা ২০১৪-১৫ সালে এসে দাঁড়ায় যথাক্রমে ১৩.৩৩ ও ২৫.১১ মেট্রিক টন। বীজ, সার ও সেচ প্রযুক্তি যা ‘সবুজ বিপ্লব’ নামে পরিচিত। বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রের প্রবৃদ্ধিতে ‘সবুজ বিপ্লব’ প্রধান ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু এ আধুনিক উপকরণগুলোর সরবরাহ ও বাজার সবসময়ই অনিশ্চয়তার সম্মুখীন। এ অনিশ্চয়তা মোকাবেলা করার জন্য উপকরণ খাতগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ছোট ছোট শিল্পগুলোকে উৎসাহিত করার জন্য দরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ।
ফসল আবাদের জন্য কৃষকের গুণগত মানসম্পন্ন ফসলের বীজ প্রয়োজন। দেশের কৃষকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে বিএডিসি ৩৪টি বীজ উৎপাদন খামার ও ১১১টি চুক্তিবদ্ধ চাষী জোনের মাধ্যমে দেশব্যাপী ফসলের বীজ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বিএডিসি কর্তৃক মোট উৎপাদিত বীজের পরিমাণ ছিল (ধানবীজ, দানা শস্যবীজ ও অন্যান্য) ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭২০ দশমিক ৬০ টন, যার মধ্যে কৃষকদের মধ্যে সরবরাহ করা হয় ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৭ দশমিক ১১ টন, যা ২০০৯-১০ সালে ছিল ১ লাখ ৩ হাজার ৫ শত ৭২ টন। এ বৃদ্ধি চাহিদার তুলনায় অপর্যাপ্ত হলেও তা ৩.৮৮ শতাংশ বেশি। বাকি বীজের সরবরাহ করছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। হাইব্রিড বীজের ৯০ শতাংশেরও বেশি সরবরাহ করছে এ খাত। এ খাতের মাধ্যমে প্রায় শতভাগ সবজি ও ভুট্টাবীজ সরবরাহ করা হয়। বেসরকারিভাবে বীজ উৎপাদনে বাজারের সিংহভাগ দখল করছে সুপ্রিম সিড, লাল তীর, ব্র্যাক ও এসিআই। বাংলাদেশে এখন শতাধিক কোম্পানি বিভিন্ন ফসলের বীজ আমদানি করছে। এসব কোম্পানির দেশজুড়ে রয়েছে পাঁচ হাজারের বেশি ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটর। এছাড়া অঞ্চলভেদে নির্দিষ্ট জাতের ধানবীজের চাহিদা বেশি থাকায় বিএডিসি কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্য ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা নিয়ে থাকে।
কৃষক পর্যায়ে সংগঠিত ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বীজ উৎপাদন ধানবীজের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সে লক্ষ্যে কৃষকদের বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণের ওপর প্রশিক্ষণ এমনকি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে গ্রামে বীজ শিল্প গড়ে তুলে কৃষক ও গ্রামের যুবসম্প্রদায়ের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
বাংলাদেশে ফলন বৃদ্ধি ও জমি সংরক্ষণের উপকরণ হিসেবে সার ও উচ্চফলনশীল জাত জমির প্রতিস্থাপক হিসেবে ব্যবহূত হয়। বাংলাদেশের কৃষিতে ১৯৫০ দশকের শেষের দিকে সরকারিভাবে রাসায়নিক সার প্রবর্তিত হয়। ১৯৮৩-৮৪ সালে এক মিলিয়ন টন সার ব্যবহূত হয়, যেটা ২০০৭-০৮ সালে ৪.১ মিলিয়নে পৌঁছে এবং ২০০৯-১০ সালে তা কমে হয় ৩.৪ মিলিয়ন (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১০)। ছয় দশক ধরে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রধানত ইউরিয়া, ফসফেট ও পটাশ—তিন ধরনের সার প্রয়োগ করা হয়, যদিও ব্যবহারের সময় পরিমাণগত দিক থেকে ইউরিয়ার সাথে টিএসপি, এমওপি ও অন্যান্য সারের ব্যাপক তফাত রয়েছে। ২০১৭-১৮ সালে জমিতে ইউরিয়া প্রয়োগ করা হয়েছে ২ হাজার ৪২৭ দশমিক ৪৬ হাজার টন, যা টিএসপি ও এমওপির তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি। চলতি বছরে সরবরাহকারী ইউরিয়ার পরিমাণ ২৬ লাখ টন এবং ২৪ লাখ টন নন-ইউরিয়া (টিএসপি, এমওপি, ডিএপি)। দেশের প্রয়োজনীয় এ সারের মধ্যে আট লাখ টন ইউরিয়া দেশে উৎপাদিত হয়। বাকি ইউরিয়া সরকার বিসিআইসির মাধ্যমে আমাদানি করে। নন-ইউরিয়ার ৬০ ভাগ অর্থাৎ ১৪.৪ লাখ টন বিএডিসি আমদানি করে। অবশিষ্ট ৪০ ভাগ বেসরকারিভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আমদানি ও বাজারজাত করে। সরকার উৎপাদন বা আমদানি, সরবরাহ, খুচরা পর্যায় পর্যন্ত অর্থাৎ সর্বস্তরে ভর্তুকি প্রদান করে। সরকার বর্তমানে ভর্তুকীকৃত ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি, ডিএপির দাম নির্ধারণ করেছে যথাক্রমে ১৬, ২২, ১৫ ও ২৫ টাকা। ২০০৯ সালে যেখানে টিএসপি, এমওপি, ডিএপির কেজিপ্রতি মূল্য ছিল যথাক্রমে ৮০, ৭০ ও ৯০ টাকা। এছাড়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে কৃষক পর্যায়ে ডিএপি সারে খুচরা মূল্য ২৫ থেকে কমিয়ে ১৬ টাকা করা হয়েছে। ফলে একটি টেকসই সার বিতরণ নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে, যার মাধ্যমে কৃষকের কাছে সব ধরনের সার সময়মতো পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। করোনা দুর্যোগ মোকাবেলায় কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, করোনাকালে কৃষকদের অবিচ্ছিন্নভাবে উপকরণ (বীজ, সার, বিদ্যুৎ, সেচ ব্যবস্থা, কীটনাশক) সরবরাহ করা হবে।
বাংলাদেশে কৃষকদের জমিতে সার প্রয়োগের ব্যাপারে প্রাথমিক তথ্যদাতা হলো সার ব্যবসায়ী বা ডিলার। কৃষক অনেক সময়ই অন্যদের পাশাপাশি ডিলারদের পরামর্শে জমিতে সার ব্যবহার করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কৃষক জমিতে অনেক সময়ই প্রয়োজনের চেয়ে কম বা বেশি সার ব্যবহার করে। এ সমস্যা নির্মূলের লক্ষ্যে সরকার মাটির উর্বরতা অনুযায়ী অনলাইন সুষম সার সুপারিশ করার জন্য ২০০টি উপজেলায় ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করেছে। তবে যেহেতু গ্রামের অধিকাংশ কৃষকই অশিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত, সেক্ষেত্রে তাদের অনলাইন বিষয়ে আরো বাস্তবসম্মতভাবে বোঝানোর জন্য গ্রামের বেকার শিক্ষিত যুবক সম্প্রদায়কে মাসিক বেতনভিত্তিকভাবে নিয়োগ করা যেতে পারে। গবেষণায় দেখা যায়, গ্রামীণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এক-তৃতীয়াংশ গঠিত হয় কৃষি উপকরণ—শস্য উৎপাদন সম্পর্কিত ব্যবসায়ী সংস্থাগুলো নিয়ে। কিন্তু গ্রামীণ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে লগ্নীকৃত মোট মূলধনের মাত্র ৬ ভাগের ১ ভাগ এসব ব্যবসায়ী সংস্থা ব্যবহার করে।
পরিশেষে বলা যায়, অকৃষি খাত গ্রামীণ উন্নয়ন ও দারিদ্র্য দূরীকরণের পথ তৈরি করতে পারে। কিন্তু আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্য এবং একই সাথে অকৃষি খাতের বৈচিত্র্যময়তার কারণে এ-সংক্রান্ত সুযোগ, সীমাবদ্ধতা ও উপযুক্ত নীতিমালার অঞ্চলভেদে পার্থক্য থাকা দরকার। এজন্য প্রয়োজন গ্রামীণ ব্যবসা, পরিবহন ও অন্যান্য পরিষেবার সঠিক মূল্যায়ন। এছাড়া অকৃষি খাতে শ্রমিকদের মজুরি প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ, কৃষক ও অন্যান্য ব্যবসায়ীর মধ্যে সঠিক সমন্বয় সাধন, সরকারের সুদৃষ্টি এবং সর্বোপরি সময়োপযোগী পদক্ষেপই পারে অকৃষি খাতকে আরো লাভজনক ও আকর্ষণীয় করে তুলতে।
দিলশাদ জাহান ইথেন: পিএইচডি গবেষক, কৃষি অর্থনীতি বিভাগ, ঘেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়, বেলজিয়াম এবং সহকারী অধ্যাপক, কৃষি ব্যবসা ও বিপণন বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
রিফাত আরা জান্নাত তমা: পিএইচডি গবেষক, কৃষি অর্থনীতি ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ, হুয়াঝং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চীন এবং সহকারী অধ্যাপক, কৃষি অর্থনীতি বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়





