বিশ্বনেতারা নভেল
করোনাভাইরাসের
সংক্রমণে
সৃষ্ট
কভিড-১৯
মহামারীকে
দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী
সবচেয়ে
বড়
সংকট
বলেছেন।
২০১৯
সালের
ডিসেম্বর-পরবর্তী
বিশ্ব
যে
আর
কখনো
আগের
অবস্থায়
ফিরবে
না,
তা
করোনাভাইরাসের
প্রাদুর্ভাবের
কিছুদিন
পরই
সত্য
প্রমাণিত
হয়েছে।
এ
পরিবর্তন
যে
অস্বাভাবিকভাবে
ভিন্ন
ও
মৌলিক
তার
প্রমাণ
ক্রমে
দৃশ্যমান
হচ্ছে।
করোনাভাইরাসের
সংক্রমণ
শুরুর
পর
এখন
পর্যন্ত
মানবসমাজকে
নতুন
অনেক
অভিজ্ঞতার
সম্মুখীন
হতে
হয়েছে।
ভবিষ্যতে
নতুন
আরো
অনেক
কিছুর
মুখোমুখি
হতে
হবে।
চলমান
মহামারী
গত
এক
বছরে
বিশ্বকে
নানা
দিক
থেকে
আমূল
বদলে
দিয়েছে।
বিশ্ব অর্থনীতি
চলমান
মহামারীর
প্রথম
ধাক্কা
সামলে
ঘুরে
দাঁড়াতে
শুরু
করেছিল।
কিন্তু
এরই
মধ্যে
এশিয়া,
ইউরোপ
ও
আমেরিকায়
করোনাভাইরাসের
দ্বিতীয়
ধাক্কা
তীব্র
আকার
ধারণ
করেছে।
এসব
অঞ্চলের
অনেক
দেশকে
আবারো
লকডাউনের
পথে
হাঁটতে
হচ্ছে।
বাস্তবিক
অর্থে
চলমান
মহামারী
নানা
দিক
থেকে
বিশ্বকে
ধ্বংস
করছে।
ভাইরাসটি
পর্যায়ক্রমে
আমাদের
অনেককে
সংক্রমিত
করছে,
অনেকের
জীবন
কেড়ে
নিচ্ছে,
আমাদের
সাধারণ
সামাজিক
সম্পর্কে
বাধা
সৃষ্টি
করছে,
বেশির
ভাগ
আন্তর্জাতিক
ভ্রমণ
বন্ধে
বাধ্য
করছে
এবং
ছেদ
পড়ছে
অর্থনৈতিক
ও
বাণিজ্যিক
সম্পর্কে।
করোনাভাইরাসের
ভ্যাকসিন
বাজারজাত
শুরু
হয়েছে।
শিগগিরই
কিংবা
একটি
নির্দিষ্ট
সময়
পর
মানবসমাজ
হয়তো
চলমান
তীব্র
সংকট
কাটিয়ে
উঠতে
সক্ষম
হবে।
প্রশ্ন
হলো
আজ
থেকে
কয়েক
বছর
পরের
পৃথিবী
এবং
মানবসমাজ
কেমন
হবে?
করোনাভাইরাসের থাবা
থেকে
মানবসমাজকে
রক্ষার্থে
প্রথমে
অত্যাবশ্যকীয়
ছিল
ভ্যাকসিন।
বিশ্ব
স্বাস্থ্য
সংস্থা
এরই
মধ্যে
কয়েকটি
প্রতিষ্ঠানের
ভ্যাকসিন
মানবদেহে
প্রয়োগের
অনুমোদন
দিয়েছে
এবং
উন্নত
কয়েকটি
দেশ
তাদের
নাগরিকদের
দেহে
এসব
ভ্যাকসিন
প্রয়োগ
শুরু
করেছে।
শিগগিরই
বিশ্বের
উন্নয়নশীল
দেশগুলোতেও
করোনার
ভ্যাকসিন
প্রয়োগ
শুরু
হবে।
শতভাগ
কার্যকর
না
হলেও
এসব
ভ্যাকসিন
মানবদেহে
করোনার
বিরুদ্ধে
প্রতিরোধ
গড়তে
সক্ষম।
তবে
সম্প্রতি
শনাক্ত
হওয়া
করোনার
বিবর্তিত
রূপ
উদ্ভাবিত
ভ্যাকসিনের
কার্যকারিতা
বিষয়ে
নতুন
উদ্বেগ
সৃষ্টি
করেছে,
যা
গোটা
মানবসমাজকে
নতুন
করে
ভাবাচ্ছে।
চলমান মহামারীর
ভয়াবহতা
ও
করোনাভাইরাস
প্রতিরোধের
ভ্যাকসিন—এ
দুটো
বিষয়কে
নানা
কারণে
ভিন্নভাবে
দেখা
হচ্ছে।
গুটিবসন্ত
কিংবা
ইয়েলো
ফিভারের
মতো
ভাইরাসজনিত
রোগের
ক্ষেত্রে
ভ্যাকসিন
মানবদেহে
দশকের
পর
দশক
কিংবা
আজীবনের
জন্য
প্রতিরোধ
ব্যবস্থা
গড়তে
পারে।
কিন্তু
ফ্লু
বা
অত্যন্ত
সংক্রামক
রোগের
ক্ষেত্রে
মানবদেহে
ভ্যাকসিনের
প্রতিরোধ
সক্ষমতা
এক
বছরের
কম
সময়
স্থায়ী
হয়।
এ
কারণে
নিরন্তর
চেষ্টার
পরও
এখনো
মানুষের
হাতে
ম্যালেরিয়া
ও
এইডসের
শতভাগ
কার্যকর
ভ্যাকসিন
নেই।
ফ্লু
বা
অত্যন্ত
সংক্রামক
রোগের
ভাইরাসের
ক্ষেত্রে
অত্যন্ত
ঘন
ঘন
বিবর্তন
এবং
ভাইরাসের
বিভিন্ন
স্ট্রেইন
আনুপাতিক
হারে
বিবর্তিত
হয়।
এ
ধরনের
ভাইরাসের
বিরুদ্ধে
নির্দিষ্ট
সময়ের
জন্য
প্রতিরোধ
ব্যবস্থা
গড়ে
টিকে
থাকতে
মানবসমাজকে
ভাইরাসের
ধরন
পরিবর্তনের
সঙ্গে
তাল
মিলিয়ে
প্রতি
বছর
নতুন
ভ্যাকসিন
উন্নয়ন
করতে
হবে।
অবশ্য
প্রতি
বছর
নতুন
ভ্যাকসিন
উন্নয়ন
করলে
নিরাপদ
থাকা
যাবে,
তা
কিন্তু
নয়।
পোলিও
কিংবা
গুটিবসন্তের
ভ্যাকসিন
আক্রান্ত
প্রত্যেকের
জীবন
বাঁচাতে
পারে।
কিন্তু
সংক্রামক
রোগ
ও
কলেরার
ভ্যাকসিন
প্রয়োগ
করলেও
শতভাগ
মানুষের
জীবন
বাঁচানো
সম্ভব
হয়
না।
এ
কারণে
করোনাভাইরাসের
ভ্যাকসিনের
কার্যকারিতা
নিয়েও
আশঙ্কা
থেকেই
যাচ্ছে।
ধরে নেয়া
যাক,
যুক্তরাষ্ট্র,
যুক্তরাজ্য,
রাশিয়া,
চীন
ও
অন্যান্য
কয়েকটি
দেশের
নিরন্তর
চেষ্টায়
মানবসমাজ
করোনাভাইরাসের
কার্যকর
ভ্যাকসিন
পেয়েছে।
কিন্তু
এ
পর্যায়ে
এসেও
ভ্যাকসিন
নিয়ে
এক
ধরনের
টানাপড়েন
স্পষ্ট।
হাতে
গোনা
যে
কয়েকটি
দেশের
বিজ্ঞানীরা
করোনাভাইরাসের
ভ্যাকসিন
উন্নয়ন
ও
পরীক্ষা-নিরীক্ষা
চালানোর
পর
তা
শতভাগ
না
হোক,
মানবদেহে
প্রতিরোধ
ব্যবস্থা
গড়তে
সক্ষম
বলে
মত
দিয়েছে,
সেসব
দেশ
কিংবা
ভ্যাকসিন
উন্নয়নকারী
প্রতিষ্ঠানের
পক্ষে
রাতারাতি
বিশ্বের
৭৭০
কোটি
মানুষের
জন্য
সমপরিমাণ
ভ্যাকসিনের
ডোজ
উৎপাদন
ও
সরবরাহ
করা
সম্ভব
নয়।
প্রাথমিকভাবে
ভ্যাকসিন
সরবরাহের
অভাব
দেখা
দেবে
এবং
তা
এরই
মধ্যে
দেখা
দিয়েছে।
ভ্যাকসিন
পেলেও
শুরুতেই
তা
সবার
জন্য
মিলবে
না।
ভ্যাকসিন
পেয়েছে
এমন
দেশগুলোয়
প্রথমে
স্বাস্থ্যসেবা
কর্মীদের
সুরক্ষা
নিশ্চিতে
ভ্যাকসিন
প্রয়োগ
করা
হচ্ছে।
কারণ
চলমান
সংকট
মোকাবেলা
ও
সাধারণ
নাগরিকদের
স্বাস্থ্যনিরাপত্তার
জন্য
স্বাস্থ্যসেবা
কর্মীদের
ভূমিকা
এখন
সবচেয়ে
বেশি
গুরুত্বপূর্ণ।
এরপর
যারা
স্বাস্থ্যসেবা
কর্মী
নয়,
কিন্তু
ধনী
ও
প্রভাবশালী
তারাও
কোনো
না
কোনোভাবে
দরিদ্র
ও
প্রভাবশালী
নয়
এমন
মানুষের
আগে
ভ্যাকসিনের
ডোজ
ক্রয়ের
ব্যবস্থা
করে
নিতে
পারবে।
এক্ষেত্রে
বহুপ্রত্যাশিত
ভ্যাকসিন
প্রাপ্তি
মানবসমাজে
এক
ধরনের
বিভেদ
ও
মৌলিক
বৈষম্য
তৈরি
করবে।
ভ্যাকসিন বরাদ্দের
ক্ষেত্রে
স্বার্থান্বেষী
বিবেচনাগুলোও
কেবল
সেসব
দেশের
জন্য
প্রযোজ্য,
যারা
প্রথম
কার্যকর
ভ্যাকসিন
উন্নয়ন
ও
প্রয়োগ
শুরু
করেছে।
শুধু
দেশভিত্তিক
নয়,
ভ্যাকসিন
সরবরাহের
ক্ষেত্রে
আন্তর্জাতিক
স্বার্থপরতাও
দৃশ্যমান
হবে।
খুব
স্বাভাবিক,
যে
দেশ
প্রথম
করোনাভাইরাসের
ভ্যাকসিন
উন্নয়ন
করেছে,
সে
দেশ
প্রথমে
নিজের
নাগরিকদের
সুরক্ষিত
রাখতে
চাইবে।
কয়েক
মাস
আগে
করোনাভাইরাসের
প্রাদুর্ভাবের
পর
ফেস
মাস্ক
সরবরাহের
ক্ষেত্রে
বিশ্ববাসী
এ
ধরনের
আন্তর্জাতিক
স্বার্থপরতা
পরখ
করেছে।
গোটা
বিশ্বে
যখন
ফেস
মাস্কের
জন্য
হাহাকার,
তখনো
চীন
থেকে
ইউরোপের
অনেক
দেশে
মাস্কের
পর্যাপ্ত
সরবরাহ
অব্যাহত
ছিল।
মাস্ক
সরবরাহের
মতোই
ভ্যাকসিনের
ক্ষেত্রেও
একই
চিত্র
স্পষ্ট
হতে
শুরু
করেছে।
ভ্যাকসিনের
ক্ষেত্রে
সবচেয়ে
খারাপ
পরিস্থিতি
হলো
প্রথম
করোনাভাইরাসের
কার্যকর
ভ্যাকসিন
উন্নয়নকারী
দেশ
রাজনৈতিক
কিংবা
অর্থনৈতিক
প্রতিদ্বন্দ্বীদের
ভ্যাকসিন
প্রাপ্তি
থেকে
বঞ্চিত
করতে
চাইছে।
ভ্যাকসিন
উন্নয়নকারী
দেশগুলোর
এমন
আচরণ
আন্তর্জাতিক
সম্পর্কের
ক্ষেত্রে
বড়
ধরনের
নৈরাজ্যকর
অবস্থার
সৃষ্টি
করতে
পারে।
ভয়াবহ মহামারী
ঠেকাতে
বিশ্বের
উন্নত
দেশগুলোর
স্বার্থান্বেষী
জাতীয়
নীতি
আত্মঘাতী
হবে।
কারণ
খুব
অল্প
সময়ে
কোনো
দেশ
এ
রোগ
নির্মূল
করে
নাগরিকদের
জন্য
দীর্ঘস্থায়ী
কভিড-১৯
সুরক্ষা
নিশ্চিত
করতে
পারবে
না।
আজকের
বিশ্বায়িত
বিশ্বে
ভাইরাস
নির্মূল
না
হওয়া
পর্যন্ত
এ
রোগ
এক
দেশ
থেকে
আরেক
দেশে
পর্যায়ক্রমে
ছড়াতে
থাকবে।
বিশ্বের
অনেক
দেশেই
এ
প্রক্রিয়ায়
সংক্রমণ
ছড়িয়েছে।
নিউজিল্যান্ড
ও
ভিয়েতনাম
করোনাভাইরাস
সংক্রমণ
এড়াতে
শুরু
থেকে
কড়া
সতর্কতা
অবলম্বন
করেছিল।
উভয়
দেশের
সরকারের
কঠোর
নিয়ন্ত্রণ
ব্যবস্থা
স্থানীয়ভাবে
করোনাভাইরাসের
ট্রান্সমিশন
রুখতে
সক্ষম
হয়।
তবে
কঠোর
স্বাস্থ্যবিধি
জারি
ও
তা
মানতে
বাধ্য
করার
মাধ্যমে
স্থানীয়
ট্রান্সমিশন
থামানো
গেলেও
বাইরের
দেশ
থেকে
নিউজিল্যান্ড
ও
ভিয়েতনামে
প্রবেশকারীরা
নতুন
করে
কভিড-১৯
আমদানি
করেছে।
এ
ঘটনাকে
মূল
উপসংহার
ধরে
বলা
যায়,
গোটা
বিশ্ব
করোনাভাইরাসমুক্ত
না
হওয়া
পর্যন্ত
কোনো
দেশই
এককভাবে
নিরাপদ
থাকতে
পারবে
না।
কভিড-১৯
মহামারী
একটি
বৈশ্বিক
সমস্যা,
বিভেদ
বা
বৈষম্য
সৃষ্টি
করে
নয়;
সম্মিলিতভাবে
আমাদের
এ
সমস্যার
বৈশ্বিক
সমাধানের
চেষ্টা
করা
উচিত।
আমি সেই
সত্যটিকে
সুসংবাদ
হিসেবে
গ্রহণ
করি।
বৈশ্বিক
সমস্যা,
যেগুলোর
বৈশ্বিক
সমাধান
দরকার
সেগুলো
সম্মিলিতভাবে
মোকাবেলা
করা
উচিত।
বিশেষত,
জলবায়ু
পরিবর্তন,
বিশ্বব্যাপী
সম্পদ
হ্রাস
ও
বিশ্বায়িত
বিশ্বে
বৈষম্যের
কারণে
সৃষ্ট
অস্থিতিশীল
পরিণতির
বিরুদ্ধে
সম্মিলিত
প্রতিরোধের
কোনো
বিকল্প
নেই।
এককভাবে
কোনো
দেশ
তার
নিজস্ব
ভূখণ্ডকে
ভাইরাসমুক্ত
করে
কভিড-১৯
থেকে
সুরক্ষিত
থাকতে
পারবে
না।
একইভাবে
কোনো
একটি
নির্দিষ্ট
দেশ
জীবাশ্ম
জ্বালানিনির্ভরতা
কমিয়ে
এবং
বিভিন্ন
উদ্যোগের
দ্বারা
নিজ
ভূখণ্ডে
গ্রিনহাউজ
গ্যাস
নির্গমন
কমিয়ে
বৈশ্বিক
জলবায়ু
পরিবর্তনের
প্রভাবমুক্ত
থাকতে
পারবে
না।
কভিড-১৯-এর
মতোই
বায়ুমণ্ডলীয়
কার্বন
ডাই-অক্সাইড
রাজনৈতিক
সীমান্তকে
সম্মান
করে
না।
জলবায়ু পরির্বতন,
সম্পদের
হ্রাস
ও
সৃষ্ট
বৈষম্য
আমাদের
বেঁচে
থাকা
এবং
জীবনযাত্রার
মানের
জন্য
চলমান
মহামারীর
চেয়েও
বড়
ধরনের
হুমকি
হয়ে
দাঁড়িয়েছে।
বৈশ্বিক
করোনা
পরিস্থিতি
যদি
আরো
প্রকট
আকার
ধারণ
করে,
আমাদের
প্রত্যেকে
কভিড-১৯
পজিটিভ
হই
এবং
ফলস্বরূপ
আমাদের
মধ্য
থেকে
২
শতাংশ
যদি
মারাও
যায়,
তাহলে
হয়তো
করোনায়
বৈশ্বিক
মৃত্যের
সংখ্যা
১৫
কোটি
৪০
লাখে
পৌঁছতে
পারে।
এর
পরও
বিশ্বের
৭৫৪
কোটি
৬০
লাখ
মানুষ
বেঁচে
থাকবে,
যা
মানবসভ্যতার
টিকে
থাকার
নিশ্চয়তার
জন্য
যথেষ্ট।
জলবায়ু
পরিবর্তনের
সঙ্গে
তুলনা
করলে
কভিড-১৯
তুচ্ছ
কিছু।
জলবায়ু পরিবর্তন
ও
অন্যান্য
বৈশ্বিক
গুরুতর
সমস্যাগুলোর
বিষয়ে
আমাদের
উৎসাহ
নেই
কেন?
অথচ
কম
গুরুত্বপূর্ণ
কভিড-১৯
বিষয়ে
আমরা
এতটা
উদ্বিগ্ন
বা
উৎসাহী
কেন?
উত্তরটা
অবশ্যই
দ্রুত
সংক্রমণ
ও
খুব
অল্প
সময়ে
মৃত্যুর
কারণ
হয়ে
কভিড-১৯
দৃষ্টি
কেড়েছে।
জলবায়ু
পরিবর্তন
অস্পষ্ট
থেকে
ধীরে
ধীরে
আমাদের
ধ্বংস
করছে।
জলবায়ু
পরিবর্তনের
পরোক্ষ
পরিণতি
খাদ্য
উৎপাদন
হ্রাস,
অনাহার,
আবহাওয়ার
মারাত্মক
অবনতি
ঘটানোর
পাশাপাশি
গ্রীষ্মমণ্ডলীয়
অঞ্চলে
নানা
রোগের
বিস্তার
ঘটাচ্ছে।
বিস্তৃত
নেতিবাচক
প্রভাব
জেনেও
আমরা
জলবায়ু
পরিবর্তনের
মতো
বৈশ্বিক
সমস্যা
মোকাবেলায়
উৎসাহী
নই।
বৈশ্বিক
এ
সমস্যা
নিরসনে
যে
বৈশ্বিকভাবে
সমাধান
প্রয়োজন
সে
বিষয়ে
বিশ্বনেতারা
অনেকটাই
উদাসীন।
চলমান মহামারীতে
হারানো
প্রিয়জনদের
জন্য
কষ্টের
মধ্যেও
কভিড-১৯
আমার
মধ্যে
আশা
জাগিয়েছে।
বিশ্বের
ইতিহাসে
এবারই
প্রথম
মানুষ
স্বীকার
করতে
বাধ্য
হয়েছে
যে
আমরা
প্রত্যেকেই
একটি
হুমকির
মুখে
রয়েছি,
যা
কোনো
একটি
দেশ
একক
প্রচেষ্টায়
কাটিয়ে
উঠতে
পারবে
না।
কভিড-১৯-কে
পরাজিত
করতে
বিশ্ববাসীর
একত্রিত
হওয়া
থেকে
শিক্ষা
নেয়া
যেতে
পারে।
এখান
থেকে
অনুপ্রাণিত
হয়ে
জলবায়ু
পরিবর্তন,
খাদ্য
হ্রাস
ও
বৈষম্যের
বিরুদ্ধে
আমরা
লড়াই
করতে
পারি।
আমরা
আশা
করি,
কভিড-১৯
শুধু
বিয়োগান্তই
নয়,
টেকসই
পথে
চালিত
করে
মানবসভ্যতার
জন্য
সঠিক
সমাধান
নিয়ে
আসবে।
[স্বত্ব:
প্রজেক্ট সিন্ডিকেট
]
জারেড ডায়মন্ড: ইউনিভার্সিটি
অব
ক্যালিফোর্নিয়ার
অধ্যাপক
পুলিত্জার
পুরস্কারজয়ী
ভাষান্তর: বকুল রায়





