রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে বিধ্বস্ত অবকাঠামোর পুনর্গঠন ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং নতুন রাষ্ট্রের উন্নয়ন ভাবনা নির্মাণ, বিকাশ ও বাস্তবায়ন এবং সর্বোপরি একটি শোষণ, বঞ্চনা, বৈষম্যবিহীন সমাজ কাঠামো ও উন্নয়ন উপযোগী আর্থসামাজিক প্রশাসনিক পরিচালন কাঠামো গড়ে তোলাই ছিল স্বাধীনতা লাভের পর প্রথম দশকে বাংলাদেশ অর্থনীতির জন্য অন্যতম চ্যালেঞ্জ। আর সে বিশাল কর্মযজ্ঞে প্রথম থেকেই বাংলাদেশকে বৈদেশিক সাহায্য-সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হতে হয়। প্রথম থেকেই বাংলাদেশ সাধারণত তিন ধরনের বৈদেশিক সাহায্য পায়— খাদ্য, পণ্য ও প্রকল্প সাহায্য। খাদ্য সাহায্য সরাসরি খাদ্য ঘাটতি মেটাতে এবং ক্ষেত্রবিশেষে খাদ্যের বিনিময়ে কিংবা বিক্রির টাকা দিয়ে দারিদ্র্য বিমোচনমূলক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গৃহীত হয়ে থাকে। স্বাধীনতা লাভের পর সত্তরের দশকে বাংলাদেশ খাদ্য সাহায্য পেয়েছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে খাদ্য ঘাটতি মেটাতে। পরবর্তী দুই দশকে খাদ্য সাহায্য এসেছে প্রয়োজনভেদে খাদ্য ঘাটতি মেটাতে এবং দারিদ্র্য বিমোচনমূলক উন্নয়ন কর্মসূচিতে সহায়তা হিসেবে। সত্তরের দশকের প্রথম থেকে আশির দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রাপ্ত খাদ্য সাহায্য অনুদানের পাশাপাশি ঋণ হিসেবেও এসেছে। পরবর্তী দেড় দশকে বরাবরই তা অনুদান। বাংলাদেশ আমদানি সহায়তা হিসেবে পণ্য সাহায্য (কমোডিটি এইড) পেয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যালান্স অব পেমেন্ট সাপোর্ট হিসেবে— কখনো ডেট রিলিফ গ্রান্ট/সাপোর্ট হিসেবে পণ্য সাহায্য পেয়েছে বাংলাদেশ। পণ্য সাহায্য অনুদান এবং ঋণ উভয় হিসেবে পেয়েছে। তবে অনুদান হিসেবে পাওয়া পণ্য সাহায্য দিয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাহায্যদাতা দেশ থেকেই পণ্য বা সেবা ক্রয়ের শর্ত পালন করতে হয়েছে। প্রকল্প সাহায্য মুখ্যত উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে খাত, ক্ষেত্রে ও উদ্দেশ্যমুখী কর্মকাণ্ড পরিচালনা তথা অবকাঠামো গড়ে তোলার কাজে, নানা সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজে ব্যবহূত হয়েছে। প্রকল্প সাহায্য ঋণ ও অনুদান উভয় ব্যবস্থায় পাওয়া গেছে, তবে ঋণের পরিমাণ বেশি। আর বড় বড় প্রকল্প ঋণ গ্রহণের প্রাক্কালে টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স হিসেবে যে প্রকল্প সাহায্য পাওয়া গেছে, তা মূলত অনুদান এবং এটি মানবসম্পদ উন্নয়ন, দাপ্তরিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও কার্যক্ষমতার উন্নয়ন এবং উন্নয়ন প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডির কারিগরি সহায়তা হিসেবে পাওয়া গেছে।
বন্ধুপ্রতিম দেশগুলো (প্রতিবেশী, আঞ্চলিক ফোরাম, ধর্মীয় বন্ধনে আবদ্ধ, ওইসিডি ও কমনওয়েলথ সদস্যভুক্ত) থেকে দ্বিপক্ষীয় (যার সিংহভাগ ছিল অনুদান) প্রথম বছরগুলোয় এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা থেকে বহুপক্ষীয় (যার সিংহভাগ ছিল মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি, স্বল্প সুদের ঋণ) শেষের বছরগুলোয় প্রাপ্তি প্রাধান্য পায়। তবে ১৯৭৩ সালে বিশ্বব্যাপী অয়েল ‘শক’-এর প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া এবং ১৯৭৪ সালে বড় দুটি বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার সময় কাঙ্ক্ষিত বিদেশী সহায়তা ছিল অপ্রতুল, তা পেতে বিলম্ব এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনায় বেশ নাজুক পর্বে উপনীত হয় দেশ ও অর্থনীতি। তাছাড়া ১৯৭৩ সালে সূচিত প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাঝপথে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হেতু এর বাস্তবায়নসহ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় নতুন ধারা সূচিত হয়। দশকের শেষ দুই বছরের জন্য একটি দ্বিবার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ, দেশের রফতানি বাণিজ্য বিকাশ, শিল্প ও বাণিজ্য ব্যবস্থাপনায় সংরক্ষণবাদী ব্যবস্থাকে অবমুক্ত ও উদারীকরণে পদক্ষেপ প্রক্রিয়া গ্রহণ এবং বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ ও পরিপোষণের জন্য আইন (ফরেন ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন ও প্রটেকশন) প্রণয়ন ও সংস্থা (বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন অথরিটি) প্রতিষ্ঠার প্রয়াস লক্ষ করা যায় এ সময়ে। আর এসব পদক্ষেপেও বহুপক্ষীয় সংস্থা (যেমন— বিশ্ব্বব্যাংক, এডিবি, ইউএনডিপি, ডব্লিউএইচও, এফএও) এবং প্রথম দিকে রাশিয়া ও ভারত এবং পরের দিকে জাপান, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট কারিগরি সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসে।
পর্যালোচনায় লক্ষ করা যায়, ঋণের চেয়ে অনুদান প্রাপ্তির প্রাধান্য ১৯৭৪-৭৫ থেকে ক্রমে হ্রাস পেতে শুরু করেছে। খাদ্য ও প্রকল্প সাহায্যের তুলনায় পণ্য সাহায্য সবসময় ছিল বেশি। কারণ প্রথম দিকে (ভারত ও রাশিয়া থেকে) সরাসরি অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ সামগ্রী এবং পরবর্তীকালে জ্বালানি তেলসহ খাদ্যসামগ্রী আমদানি বিল পরিশোধে প্রদত্ত নগদ সহায়তাকে পণ্য সাহায্য হিসেবে ধরা হতো। আর এসব সাহায্যের মুখ্য উৎস বরাবরই ছিল দ্বিপক্ষীয়, বহুপক্ষীয় সংস্থা থেকে সে সময় মূলত এসেছে কারিগরি ও কাঠামোগত সংস্কার সহায়তা।
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিদেশী সাহায্যের ব্যবহার-বিষয়ক পর্যালোচনায় প্রাসঙ্গিকভাবে উঠে আসে, প্রথম দশকে বাংলাদেশে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে অর্থায়নের সিংহভাগ উৎস ছিল প্রকল্প সাহায্য আকারে বিদেশী সাহায্য। নগদ ও থোক সহায়তার মোড়কে প্রাপ্ত সেসব সাহায্য ব্যবহার হয়েছিল প্রধানত পরিবহন, বিদ্যুৎ, আর্থিক এবং কৃষি খাতে আমদানি ও কাঠামোগত সংস্কার কর্মসূচিতে (যেমন— এডিবির বিএসআরএস, পাবনা ইরিগেশন, বিশ্বব্যাংকের কোস্টাল এরিয়া রিহ্যাব, রিকনস্ট্রাকশন, জুট কমোডিটি লোন, ফার্স্ট থেকে নাইনথ ইমপোর্ট ক্রেডিট, ইফাদের পাবনা ইরিগেশন, সৌদি আরবের রুরাল ইলেট্রিফিকেশন, ইউএইর কমোডিটি লোন ইত্যাদি)। পরবর্তী দশক থেকে কৃষিতে বিদেশী সাহায্যের ব্যবহার মাত্রা কমতে থাকে আর বিদ্যুৎ ও সড়ক নির্মাণ খাতে বাড়তেই থাকে বিদেশী ঋণ। আরো লক্ষণীয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পল্লী উন্নয়নের মতো গণগুরুত্বপূর্ণ খাতে বিদেশী সাহায্যের বরাদ্দ সেই শুরু থেকেই ছিল অপ্রতুল। বিদেশী সাহায্যে সড়ক সেতু নির্মাণের দ্বারা কৃষিজমির পয়মাল, পানিপ্রবাহের পথ অবরুদ্ধ করে নৌপথ নাব্যহীন করে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও বড় বড় বন্যার কারণ সৃষ্টি, পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী মূল্যের নৌ ও রেল পরিবহন ব্যবস্থার পরিবর্তে মহার্ঘের জ্বালানি তেল ব্যবহারকারী যানবাহন ব্যবহার বাড়ানোর পথে নিয়ে যাওয়া হয়েছে নদীমাতৃক ও জনবহুল কৃষি অর্থনীতির দেশকে। স্বাধীনতার অব্যবহিত পর গঠিত শক্তিশালী পরিকল্পনা কমিশনে বাংলাদেশের যে উন্নয়ন দর্শন ও অর্জন কৌশল নির্ধারিত হয়েছিল, তার সমাজতান্ত্রিক ও কেন্দ্রীভূতকরণ চরিত্র পরবর্তীকালে পরিবর্তিত হয় চিন্তা ও কর্মে।
দাতা দেশ ও সংস্থাওয়ারি সাহায্যের পরিমাণ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রথম দশক থেকেই জাপান অন্যতম দ্বিপক্ষীয় সাহায্যদাতা দেশ। জাপানি অর্থনৈতিক সহায়তা সর্বদা ঊর্ধ্বমুখী। যুক্তরাষ্ট্রের পিএল ফোরএইটির খাদ্য ও প্রকল্প সাহায্য ছিল মুখ্যত অনুদান এবং জাপানের অনুদান ও ঋণসহায়তা সেতু সড়ক, বিমানবন্দর, সার কারখানা, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে কাঠামোগত সংস্কার ক্রেডিট, কৃষি ও স্বাস্থ্য, ব্যবসা ও বাণিজ্যিক উন্নয়ন খাতে অব্যাহত থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাববলয়ের দেশ হয়েও নানা ঐতিহাসিক কারণে জাপানিরা বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অকুণ্ঠ সমর্থন দেয়, শিল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে জাপানই বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। স্বীকৃতিদানের এক মাসের মধ্যে ঢাকায় জাপানি দূতাবাসের কার্যক্রম শুরু হয় এবং ১৩-১৪ মার্চ তাকাশি হায়াকাওয়ার নেতৃত্বে তিন সদস্যের জাপানি সংসদীয় প্রতিনিধি দল প্রথম বাংলাদেশ সফরে আসে। দেশে ফিরে ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী সাতোর কাছে পেশ করা রিপোর্টে প্রতিনিধি দল প্রস্তাব করে (ক) বাংলাদেশেকে তিন লাখ টন চাল ও ১০ মিলিয়ন ডলারের জরুরি অনুদান অবিলম্বে প্রদান এবং (খ) পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের হিস্যা আদায়ে জাপানের মধ্যস্থতা। তাদের সুপারিশ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সাতোর নির্দেশে ২৮ মার্চ ১৯৭২-এ জাপান বাংলাদেশে প্রথম অর্থনৈতিক সার্ভে মিশন পাঠায়। যে মিশনের অন্যতম একটি কর্মসূচি ছিল যমুনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা সমীক্ষা প্রণয়ন। ১৯৭৩ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ থেকে জাপানে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরের সময় বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি হয়। আবার ১৯৭৭ সালে জাপান এয়ারলাইনসের হাইজ্যাক করা বিমান থেকে জিম্মিকৃত যাত্রীদের ঢাকায় সফলভাবে মুক্তিলাভে জাপানের সরকার ও জনগণ বাংলাদেশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ হয় এবং সে সুবাদে সে সময় থেকে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার পরিধি বাড়ায় জাপান। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার সংস্থা হিসেবে প্রায় প্রথম থেকেই সহজ শর্তের (আইডিএ উইন্ডো দিয়ে) কাঠামোগত সংস্কার ও আমদানি সহায়তা হিসেবে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান শুরু করে। স্বাধীনতার অব্যবহিত পর রাশিয়া যুদ্ধবিধ্বস্ত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে, নৌবন্দর পুনর্বাসন এবং শিক্ষাবৃত্তি প্রদানে বেশ অগ্রসরমাণ থাকলেও দশকের মধ্যভাগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বিশ্বব্যাংক, জাপান ও যুক্তরাজ্য এগিয়ে এলে রাশিয়ার সহায়তা স্তিমিত হয়ে পড়ে। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তো বটেই, স্বাধীনতার অব্যবহিত পরের কয়েক বছর ভারত খাদ্য সাহায্যসহ পুনর্গঠন ও শিক্ষা-সংস্কৃতি খাতে কারিগরি সাহায্য প্রদান অব্যাহত রাখে।
বাংলাদেশের গোল্ড রিজার্ভের শুভসূচনায় কানাডার এককালীন উপহার এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসায় জার্মান সরকারের সহযোগিতা ছিল চিরস্মরণীয়। ১৯৭৬ সালের পর মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত ও ইরাক বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
প্রথম দশকে বৈদেশিক সহায়তাপ্রাপ্তির পাশাপাশি সেই দায়দেনা পরিশোধ পরিস্থিতির দিকে তাকালে দেখা যাবে, এ সময়ে গৃহীত মোট ৩ হাজার ১৮৪ মিলিয়ন ডলারের মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণের মধ্যে আসল ২৮৪ ও সুদ বাবদ ১৮২ মিলিয়ন ডলার পরিশোধিত হয়। ১৯৮০ সালে বিদেশী ঋণের বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ হাজার ৪০০ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া এ সময় অন্যান্য দায় যেমন— বিমান, শিপিং, খাদ্য, ক্রুড অয়েল, আইএমএফের ঋণ গ্রহণ ও পরিশোধ পাশাপাশি অব্যাহত থাকে। ১৯৮০ সালে মোট দায় পরিশোধের পরিমাণ ছিল ২২০ মিলিয়ন ডলার। ওই বছর দেশের রফতানি আয় ছিল ১ হাজার ২৪৬ মিলিয়ন ডলার ও মোট বৈদেশিক মুদ্রা আয় ছিল ১ হাজার ২৪৮ মিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে দায় পরিশোধ ছিল রফতানি আয়ের শতকরা ১৭ দশমিক ৬ ভাগ এবং মোট বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের শতকরা ১৭ দশমিক ৯ ভাগ। ওই বছর জাতীয় বাজেটের আকার ছিল ২ হাজার ৬৪০ মিলিয়ন ডলার। ফলে ওই বছর বিদেশী দায়দেনা পরিশোধের অনুপাত দাঁড়িয়েছিল জাতীয় বাজেটের শতকরা ৮ দশমিক ৩ ভাগ।
লেখক: সাবেক সচিব, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের বৈদেশিক সাহায্যের বাজেট ও হিসাব অধিশাখার সাবেক পরিচালক






