যেকোনো জাতির সবচেয়ে শান্তি ও শক্তির মূল ভিত্তি হলো তার আর্থ আর সামাজিক দৃঢ়তা। সেটা সম্ভব হয় তার দেশের রাজনৈতিক সত্তা বিবেচনায়। আমাদের রাজনীতি বারবার মেরুকরণের জন্য গতি হারিয়েছে। যদি ১৯৫০ সালের আগপিছ সময়ের কথা বলি, তবে এ সময়ে বাঙালিরা অর্থাৎ আমরা ছিলাম প্রথমে ভারতীয় ব্রিটিশ, তারপর পাকিস্তানি। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের অর্জনে আমরা বাঙালি অর্থাৎ বাংলাদেশী। আমাদের মাটিতে শাসনের বিবর্তনে বাঙালির চেতনা, সামাজিক শিক্ষা, ব্যবসা তথা অর্থনীতির স্রোতগতি কখনই হঠাৎ করে আসেনি। ধান থেকে চা, পাট থেকে নীল হয়ে মসলিন এবং খদ্দর, ফসল থেকে ফল এভাবেই স্বাভাবিকতা থেকে বেয়ে বেয়ে এসেছে স্বকীয়তায়।

দেশে সম্পদ বলতে মানবসম্পদ, কৃষিজ সম্পদ, জলজ সম্পদ। এ সম্পদ হলো আর্থিক স্তর সৃষ্টির স্তম্ভ। গেল দুই দশকে দেশের এ সম্পদ ব্যবহার করে সফলতা এসেছে। কিন্তু আমাদের কৃষিতে ফল সম্পদের আর্থিক গতিধারার পর্যায় সৃষ্টির এক দৃশ্যত অবয়ব এসেছে সাম্প্রতিক সময়ে অর্থনৈতিক পরিসরে। স্বাধীনতার পর আমাদের মুখ বেড়েছে। মাটি কমেছে। উৎপাদনের পরিমাণ কমতে কমতে জাত ও গবেষণা উদ্ভাবনের জন্য এখন বিজ্ঞানের আশীর্বাদে উৎপাদন বেড়েছে। সেদিনও দেশী ফলের ওপর নির্ভর করতে হলেও কেবল মৌসুমি ফলের জোগানও শতাংশ ভাগ ভোগ করা আমাদের জন্য সম্ভব হতো না। পরিসংখ্যানের এক খানা জরিপ বলছে, ২০০৫ সালে দেশে মানুষ প্রতিদিন ফল খেত ৩৩ গ্রাম মাত্র। ২০১০ সালে দেশের মানুষের প্রতিদিনের ফলাহারের পরিমাণ ছিল ৪৫ গ্রাম। ২০১৬ সালে তা দাঁড়ায় ৩৬ গ্রাম। এখন আমরা জাত আর গবেষণা দিয়ে সেই ফলের উৎপাদন, চাহিদা মিটিয়ে রফতানির পণ্য পর্যায় নিয়ে যেতে পেরেছি।

হাইব্রিড জাত, ক্লোন জাত, উদ্ভাবনী জাত বা নিত্যনতুন জাতের কাছে দেশী জাতের অস্তিত্ব সংকট সৃষ্টি হয়ে গেছে। অধিক চাহিদা মোকাবেলায় ব্যবসা প্রসারে নতুন জাতের প্রয়োজন হলেও দেশী ফলের রূপ, স্বাদ আর আকর্ষণ এখনো সেরার সেরা। একটি দেশী পেয়ারার মাধুর্য অন্য কোনো পেয়ারায় আশা করা যায় না। আমাদের দেশে এখনো ১৩০ প্রকারের ফল আছে। প্রচলিত ও অপ্রচলিত মিলিয়ে ৭০ রকমের ফল চাষে আছে। দেশী ফলের রঙ উজ্জ্বল। স্বাদ বেশি। পুষ্টিমান অটুট, যা থেকে ভিটামিন আর খনিজ লবণ পাওয়া সহজ। দেশের ফল মানে তা ভেষজ অর্থাৎ ঔষধি মানসম্পন্ন। প্রকৃতি তার সৃষ্টিতে অসুখ এবং নিরাময়ের উৎস তৈরি করে রেখেছে। যত ফলাহার করা যাবে তত শরীরে রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। এখন মানুষ মাটি না পেয়ে বাড়ির ছাদে, বেলকনিতে গাছ লাগিয়ে ফল-সবজি উৎপাদন করছে। ২০১০ সালের কথা। তখন দেশে প্রতিজন প্রতিদিনে ফলাহার করতে পারত মাত্র ৪৫ গ্রাম। কিন্তু তখন তার প্রযোজন হতো প্রতিদিন ১০০ গ্রাম। এখন মানুষের সে তুলনায় ফলাহার বেড়েছে। কেননা মানুষ বাড়লেও ফল উৎপাদনের রিসোর্স বেড়েছে। ২০১২ সালে দেশে যে ৪৩ দশমিক ৬০ টন ফল উৎপাদন হতো, সে তুলনায় ২০১৫ সালে মাত্র ৩ দশমিক ২৩ লাখ একর জমিতে বছরে দেশে ফল উৎপাদন হয়েছিল ৪৬ দশমিক ৯৭ টন। ২০১৯-২০ বছরে দেশে আম হয়েছে ১২ দশমিক ২২ লাখ টন। কৃষি বিভাগের এক হিসাব বলছে, এ বছর দেশে আম হয়েছে ২৪ লাখ টন, যা ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য আয় করা সম্ভব হয়েছে। তবে আগের চেয়ে আম উৎপাদন বেড়েছে। একটি গাছে আম হয়েছে গড়ে ৭৭ কেজি। সব মিলিয়ে বার্ষিক ফল উৎপাদন বেড়েছে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ। আমাদের দেশে যেমন দেশী ফল চাষ হচ্ছে, আবার সম্প্রতি সাত প্রজাতি বিদেশী ফল চাষেও এসেছে সফলতা। আম, জাম, লিচু, জাম্বুরা, কলা, বড়ই, আতা, সফেদা, পেয়ারা, বেল, তাল, পেঁপে, নারকেল, কাঁঠাল, লটকন, তরমুজ, আনারস, কলা, সরুফল,  ড্রাগন, স্ট্রবেরি, মাল্টা, রাম্বুটান, রকমেলন, লংগান এমন আরো ফল রয়েছে।

আমাদের দেশের মাটি ও অঞ্চল ভিত্তিতে ফল চাষে একেক এলাকা একেক ফল উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ। কোথাও আম তো কোথাও কলা। কোথাও লিচু তো কোথাও নারকেল। এমন কারণে নরসিংদীর লটকন বা দিনাজপুরের লিচু কিংবা বাগেরহাটে সুপারি তো পাহাড়ের আনারস। আমাদের দেশে কৃষিনীতির ওপরে ভর করে ফল ও মসলার গবেষণা চলে। এ গবেষণার উদ্ভব তথ্য দিয়ে চলে ফলের কৌশলী উৎপাদন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হর্টিকালচার উইং, ধান, গম, মসলার মতো সরকার ফল উৎপাদনের গতিময়তা আনতে তৈরি করেছে ফল গবেষণা কেন্দ্র। বিশেষায়িত এলাকায় এসব কেন্দ্র তৈরি হয়েছে। 

ফল উৎপাদনে বাংলা পঞ্জিকার প্রচলন আছে আমাদের দেশে। এর সঙ্গে রয়েছে ঋতুভিত্তিক নির্ভরতা। আমাদের পূর্বপুরুষরা একসময় আকাশ, চাঁদ, সূর্য, মেঘ কিংবা কুষ্ঠি গণনা করে কৃষিকাজে হাত দিতেন। মাটি কর্ষণ বা বীজ রোপণ করতেন। আবার ফসল আর ফল কাটতে ক্ষণ গণনা করে এগোতেন। সবচেয়ে বেশি নির্ভরতা ছিল খনার বচনের ওপর। আজও কৃষিকাজে প্রবাদ-প্রবচন কিংবা ছড়াও জড়িয়ে আছে, যা অনেকটা কৃষি ও কৃষকের মজ্জাবাহিত ধারা হিসেবে বয়ে চলেছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। তবে কৃষির ফলের উৎপাদনের নিয়মনীতির ক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত বা এ উপমহাদেশের কৃষিজ ধারা প্রায় এক ও অভিন্ন বটে। কিন্তু একেক দেশ একেক ফল উৎপাদনে রাজা। বাংলাদেশে ৭৩টি সরকারি হর্টিকালচার সেন্টার রয়েছে। রয়েছে আরো অনেক বেসরকারি নার্সারিও। দেশে এসব সরকারি সেন্টার থেকে ২০১৫-১৬ বর্ষে মানসম্মত কলম চারা বিতরণ হয়েছে ১৭ দশমিক ৫২ লাখ। আর কলম উৎপাদন হয়েছিল ৬ দশমিক ৬৩ লাখ। এখন সরকারি এ হর্টিকালচার সেন্টারের সঙ্গে আরো বেড়েছে বেসরকারি নার্সারির সংখ্যা। এখন ঘরের আঙিনায় ফল গাছের যেমন চারা লাগাতে মানুষ উদ্বুদ্ধ, আবার গাছ বিশেষ করে ফলের জন্য ফলদ উদ্ভিদ লাগাতে স্লোগানে স্লোগানে মানুষ জাগ্রত। তাই তো মাটি ছেড়ে এখন ফলের গাছ শোভা পাচ্ছে বাড়ির ছাদে।

একসময় ছিল দেশে অনাদরে বেড়ে ওঠা গাছে যে ফল হতো, তা অনেকটা অনাদরে ঝরে যেত। মানুষ কিংবা পশুপাখি কিছু খেলেও মানুষ জানত না এ ফলের স্বাস্থ্যগত ও অর্থগত মূল্যায়ন। এখন দিন বদলে দিন এসেছে। চাহিদা আর উৎপাদনে মানুষ ফল উৎপাদনকে নিজের জীবননির্ভরতার অংশ হিসেবে গ্রহণ করেছে। এমন অবস্থা এখন যে মানুষই সব ফল উৎপাদন করে নিজের চাহিদা বা স্বাদ মেটাতে পারছে না, পশু-পাখি তো দূরের কথা। আমাদের দেশে কিছু ফল উৎপাদন হলেও তার চাহিদা পূরণের জন্য আমদানি করতে হয়। ফল রফতানির বিষয় তো সেদিন এল। চীন, ভারত, নেপাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান থেকে দেশে ফল আসে। যেমন সৌদির খেজুর। আসে কমলা, আঙ্গুর, ডালিম, আপেল, মাল্টা, আনারস, লিচু, তরমুজ। এখন দেশেও প্রচুর তরমুজ, লিচু উৎপাদন হচ্ছে। আগে দেশের ফল চাহিদার প্রায় ৭১ শতাংশ আমদানি করা হলেও এখন সে পরিমাণ কমেছে। আমাদের দেশে কমলা, আঙ্গুরের চাষও শুরু হয়েছে। মৌসুমি ফল, বিশেষ করে আমের কথা বলতে গেলে এখন মানসম্মত আম উৎপাদন দেশের প্রায় সব জেলায় কমবেশি হচ্ছে। তবে রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সাতক্ষীরা, মাগুরা, মেহেরপুর এখন আমের জেলার খেতাব পেয়েছে। এখানে যে আম হয়, তা দেশে চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও পাঠিয়ে থাকে। আমরা গেল কয়েক বছর আগেও চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ আম আমদানি করতাম। এখন তা না করে বরং ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে পাঠাতে পারছি। স্বাধীনতার সময় কিংবা তার পরে আগে আমরা আমদানির আম খেতাম। চাহিদার অধিকাংশই আম অন্য দেশ থেকে আনতে হতো। এখন সে অবস্থা নেই। বিশেষ করে আম এখন আমদানির বাঁক ঘুরে রফতানির দিকে মুখ ফিরিয়েছে।

ফলের রাজা আম। পৃথিবীতে ৩৫ প্রজাতির আম হয়। তবে বেশি আম হয় ভারত, পাকিস্তান আর বাংলাদেশে। এছাড়া আম হয় মালাবি, থাইল্যান্ড, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, চীন, মেক্সিকো, ব্রাজিলসহ আরো কয়েকটি দেশে। তবে বিশ্বে শীর্ষ ১০-এ বাংলাদেশ আম উৎপাদনে। আম কাঁচা আর পাকা দুই অবস্থায়ই খাওয়া যায়। পৃথিবীখ্যাত আম হয় বাংলাদেশে।

লটকন ফলটা সেদিনও আমদানিনির্ভর হিসেবে বিবেচিত হলেও তা আজ দেশের উৎপাদিত নিজস্ব ফল বটে। দেশে এ ফলের গৌরবময় উৎপাদনের দাবিদার নরসিংদী জেলা। এখানকার উৎপাদিত লটকন দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও এগিয়েছে। এ বছর জেলার ১ হাজার ৬১০ হেক্টর জমিতে লটকন উৎপাদন হলে তা প্রতি কেজি ৭০ থেকে ১২০ টাকা করে বিক্রি হয়েছে।  একদিকে পতিত জমি আবাদে ফিরেছে আবার দেশের মানুষের কর্মসংস্থান ও আর্থিক প্রবৃদ্ধি সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় এ ফলের ব্যবসা করে অতিমারীর কষ্টের সময়ও মানুষ জীবিকা খুঁজে পেয়েছে। ২০০৮ সালে এখানকার লটকন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রফতানি হয়েছে।

বাংলাদেশের আম দেশের মানুষের চাহিদা মিটিয়ে এখন দেশের বাইরে যাচ্ছে। গেল ৫০ বছরে অর্থনীতির এক নতুন ও নজির সৃষ্টি ঘটনা এটা। ইউরোপের ইতালি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, সুইডেন, গ্রিস, জার্মানিতে আম যায়। আম গেছে মধ্যপ্রাচ্যেও। ২০১৪-১৫ বছরে আম রফতানি হয়েছে ৭৮৮ টন, পরের বছরে তা হয় ২৮৮ টন, চলতি বছরে তা নেমে আসে মাত্র ২৫ টনে। রফতানিতে প্রতিযোগিতা, মান নিয়ন্ত্রণে চাষীর অনীহা, কঠোর বিধিনিষেধে অভ্যস্ত না হওয়া এবং হঠাৎ করে ৩৫টি আমের চালান বাতিল করে দেয়া এ রফতানি বাণিজ্যে নিম্নমুখিতা সৃষ্টির কারণ। কেননা ফল বা আম রফতানিতে মানসম্মত ফল না পাওয়া, ফলে ক্যামিকেলের ব্যবহার, ছত্রাক আক্রান্ত, ব্যাকটেরিয়া আক্রান্ত ফল, ফলে পোকার ডিম ও শূককীটের উপস্থিতি, ফল কোয়ারেন্টিন না করা এবং প্রক্রিয়াজাত পরিবহন না করার ফলে রফতানিতে বাধা হিসেবে কাজ করে। যে কারণে এবার ফল রফতানি কমেছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর কোনো কোনো দেশে এ রফতানি বাণিজ্য হুমকির মধ্যে পড়েছে।

আমাদের ফল আমদানিতে ভারতের ক্ষেত্রে স্থলবন্দর এবং অন্য দেশের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে থাকি। ফলের মধ্যে কমলাটা চীন ও ভারত থেকে আনতে হলেও সাম্প্রতিক  সময়ে সাতক্ষীরায় বিদেশী মাল্টা উৎপাদন হচ্ছে। আমাদের ফলের বাজারের দুঃখটা হলো, কৃষক উৎপাদন করেন, তবে তারা যথাযথ মূল্য পান না। উৎপাদক ভোক্তা পর্যন্ত সরাসরি যেতে না পারার কারণে মধ্যস্বত্বভোগীরা চতুরতা ও অন্যায় করে অর্থ হাতিয়ে নেয় বিনা শ্রমে।

বিদেশে বাজার সৃষ্টি করতে সমস্যা অনেক। যেকোনো পণ্যের বাজার ধরতে গেলে গুণগত মান আর সহজলভ্য পণ্য উপস্থাপন করতে অন্যরা যতটা পারদর্শী, সে তুলনায় আমরা পিছিয়ে। আমাদের মাটিতে যেকোনো কৃষিজ উৎপাদন সহজ কিন্তু সে উৎপাদনের বাজার ধরা কিংবা উপযুক্ত মূল্য মেলা কৃষকের জন্য কঠিন বটে। গেল ৫০ বছরে ফল উৎপাদনে যে আশার সঞ্চার হয়েছে, তাতে বাজার সৃষ্টি করা গেলে এটি হতে পারে আর্থিক গতির এক সম্ভাবনাময় খাত। অথচ উৎপাদকের জন্য দেশের বাজার যেমন আশীর্বাদ নয়, আবার বিদেশের বাজার সৃষ্টিশীল হতে গতি মন্থর। একটি জরিপ বলছে, এবার ১০ হাজার কোটি টাকার আম উৎপাদন হলেও মাত্র ৪২ লাখ টাকার আম রফতানি হয়েছে। তবে এই আম রফতানির বাজার ধরতে এই অংশগ্রহণ আরো জোরদার করা আবশ্যক। মনে রাখতে হবে ফল আমাদের এক আশীর্বাদ পণ্য। কারণ ফল থেকে আমাদের পুষ্টি আসে। শরীরের প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ আসে ফল থেকে। ফল আমাদের ক্ষুধা নিবারণ করে। প্রাণীর পরিবেশগত জীবন ও শারীরিক ভারসাম্য রক্ষা করে ফল। রোগ প্রতিরোধে এক অব্যর্থ উপাদান ফল। এখন দেশের আর্থিক বলয়ে ফল হলো এক রফতানিযোগ্য শিল্পপণ্য। আর তা সম্ভব হয়েছে দিনের পর দিন দেশের মাটিতে উৎপাদকের ধ্যান ও জ্ঞানের মাধ্যমে ফলকে রফতানির পর্যায়ে এগিয়ে আনার কারণেই।

 

গৌতম কুমার রায়: গবেষক ও পরিবেশব্যক্তিত্ব