আমাদের হাসপাতালটি একটি কার্ডিয়াক স্পেশালাইজড হাসপাতাল। পাশাপাশি এখানে কিছু জেনারেল চিকিৎসাসেবাও দেয়া হয়। আমাদের হাসপাতালের অন্যতম বিশেষত্ব অত্যাধুনিক ইমার্জেন্সি বিভাগ।
এখানে ছয়টি বেডে রোগীদের ক্লোজ মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। বিশেষ করে হৃদরোগের রোগীরা জরুরি বিভাগে এলে আমরা দ্রুত ট্রায়াজ ও প্রাথমিক স্ক্রিনিং করি। রোগী হার্ট অ্যাটাক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (MI) নিয়ে এসেছেন, নাকি তার সমস্যা অন্য কোনো নন-কার্ডিয়াক কারণে হয়েছে, সেটি দ্রুত শনাক্তের চেষ্টা করা হয়।
যদি সমস্যা নন-কার্ডিয়াক হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট বিভাগে রোগীকে ভর্তি করা হয়। আর যদি কার্ডিয়াক সমস্যা থাকে কিংবা রোগী অ্যাকিউট করোনারি সিনড্রোম বা হার্ট অ্যাটাক নিয়ে আসেন, তাহলে তাকে দ্রুত কার্ডিয়াক বিভাগ, সিসিইউ, এইচডিইউ বা প্রয়োজন অনুযায়ী ওয়ার্ডে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়। যেসব রোগী এসটি-এলিভেশন মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (STEMI) নিয়ে আসেন, তাদের ক্ষেত্রে আমরা প্রাইমারি পিসিআইয়ের বিষয়ে কাউন্সেলিং করি।
রোগী ও তার স্বজনরা সম্মতি দিলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমরা দ্রুত প্রাইমারি পিসিআই সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিই। এ ধরনের রোগীর ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সেন্টারের আরেকটি বিশেষত্ব এখানে ২১ বেডের অত্যাধুনিক ক্রিটিক্যাল কেয়ার সুবিধা রয়েছে।
বাংলাদেশের অনেক হাসপাতালে এ ধরনের সমন্বিত সুবিধা নেই। আমাদের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্যবস্থায় সার্বক্ষণিক একজন কনসালট্যান্ট দায়িত্বে থাকেন। পাশাপাশি সার্বক্ষণিক একজন জুনিয়র কনসালট্যান্ট কার্ডিওলজিস্টও থাকেন।
এছাড়া আমাদের এখানে স্টেপ-ডাউন বা কার্ডিয়াক এইচডিইউ ইউনিট রয়েছে। এ ইউনিটে আটটি বেড রয়েছে। আমাদের হাসপাতালে দুটি অত্যাধুনিক ক্যাথল্যাব রয়েছে। এখানে বিভিন্ন ধরনের ইন্টারভেনশনাল কার্ডিয়াক চিকিৎসা দেয়া হয়। এর মধ্যে প্রাইমারি পিসিআই, করোনারি এনজিওগ্রাম, সাধারণ পিসিআই এবং বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস ইমপ্লান্টেশন করা হয়।










