রোগীর মধ্যে করোনারি আর্টারি ডিজিজের যেসব প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে, সেগুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়াই আমাদের অন্যতম দায়িত্ব।

করোনারি আর্টারি ডিজিজের রোগীরা বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে আমাদের কাছে আসেন। আমরা সাধারণত প্রথমেই জানতে চাই, রোগীর বুকে ব্যথা, বুকে চাপ বা শ্বাসকষ্টের মতো কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা।

এ ধরনের উপসর্গ থাকলে আমরা রোগীকে সম্ভাব্য ঝুঁকির মধ্যে থাকা ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করি। এরপর রোগীর উপসর্গের ধরন এবং অন্যান্য ঝুঁকির বিষয়গুলো মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরামর্শ দেয়া হয়। এক্ষেত্রে রোগীর করোনারি আর্টারি ডিজিজের অন্যান্য ঝুঁকির কারণও আমরা বিবেচনা করি। যেমন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, পরিবারের কারো হৃদরোগের ইতিহাস রয়েছে কিনা এবং ধূমপানের অভ্যাস বা অতীতে ধূমপানের ইতিহাস আছে কিনা।

তাই কারো যদি সামান্য পরিশ্রমেই বুকে চাপ বা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট কিংবা অস্বাভাবিক ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে সেটিকে অবহেলা করা উচিত নয়।

দ্রুত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা গেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও জীবনযাপনে পরিবর্তনের মাধ্যমে জটিলতার ঝুঁকি কমানোর সুযোগ থাকে।