হার্টের অসুখগুলোর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে হার্ট অ্যাটাক। তাই হার্টের অসুখ বা হার্ট অ্যাটাক নির্ণয়ে আমাদের আগে থেকেই সচেতন হতে হবে।

কারণ আমাদের দেশে এখন দেখা যাচ্ছে, তরুণ ও অনেক কম বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যেও হার্ট অ্যাটাক এবং এ কারণে মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে আমাদের আরো দ্রুত এবং আগে থেকেই সচেতন হতে হবে ও রোগ নির্ণয় করতে হবে।

এরপর হার্ট অ্যাটাক হয়েছে কিনা, তা নির্ণয়ে রক্তের একটি বায়োমার্কার পরীক্ষা করা হয়। এছাড়া কিছু স্ট্রেস টেস্ট করা হয়। যেমন স্ট্রেস ইকোকার্ডিওগ্রাফি, ট্রেডমিল টেস্ট বা ইটিটি।

পাশাপাশি সিটি করোনারি এনজিওগ্রামের মাধ্যমেও নন-ইনভেসিভভাবে হৃদযন্ত্রের রক্তনালিতে কোনো ব্লক রয়েছে কিনা বা করোনারি আর্টারি ডিজিজ আছে কিনা, তা নির্ণয় করা যায়।