আমাদের ডায়াগনস্টিক সুবিধা রয়েছে। এটিকে আমরা মূলত দুই ভাগে ভাগ করি—ইনভেসিভ ও নন-ইনভেসিভ। আপনি বুকে ব্যথা নিয়ে এসেছেন। সেই ব্যথাটি হার্টের ব্যথা কিনা, তা নির্ণয়ের জন্য আমাদের ইমার্জেন্সিতে একটি দক্ষ টিম সবসময় আপনাকে রিসিভ করার জন্য প্রস্তুত থাকে।

সেখানে ইসিজি থেকে শুরু করে প্রাথমিক স্ক্রিনিং, ট্রপোনিন পরীক্ষা, ইসিজি এবং বেডসাইড ইকো ইভ্যালুয়েশন—সবকিছুই রয়েছে। একটি বিশ্বমানের ও সর্বাধুনিক কার্ডিয়াক হাসপাতালে যে সুবিধাগুলো থাকা প্রয়োজন, সেগুলো এখানে রয়েছে।

তাহলে আমাদের আলাদা কী আছে? দেখা যায়, মিরপুর জোনে এবং বাংলাদেশের অধিকাংশ কার্ডিয়াক হাসপাতালেই কার্ডিয়াক সাপোর্ট সিস্টেম রয়েছে।

তবে এর পাশাপাশি একটি রোগীর হয়তো কিডনির সমস্যা আছে, ডায়াবেটিস আছে, মেডিসিন-সংক্রান্ত চিকিৎসা প্রয়োজন, অথবা এমন কোনো শারীরিক অবস্থা রয়েছে যার জন্য পাশাপাশি নিউরোলজিক্যাল ইভ্যালুয়েশন দরকার হতে পারে।

এসব ক্ষেত্রে আমাদের এখানে মাল্টিডিসিপ্লিনারি অ্যাপ্রোচ রয়েছে। সব বিভাগের কনসালট্যান্ট ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের সাতদিন এখানে উপস্থিত থাকেন।