সুন্দর, সুবর্ণ অনন্য
হাজার বছরের
শ্রেষ্ঠ বাঙালি
জাতির জনক
বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিবর রহমানের
সুযোগ্য কন্যা
প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনার মেয়াদকালে
দেশ, জাতি
তথা নিখিল
বাঙালি স্বাধীনতার
সুবর্ণজয়ন্তী পালন
করেছে। শেখ
হাসিনা প্রত্যেকটি
সূক্ষ্ম জিনিসের
খবর রাখেন।
জানামতে তিনি
শিপ ব্রেকিং
শব্দের চেয়ে
শিপ রিসাইক্লিং
শব্দটা পছন্দ
করেন। পরবর্তী
সময়ে সংশ্লিষ্ট
ট্রেডবডি বাংলাদেশ
শিপ ব্রেকিং
অ্যান্ড রিসাইক্লিং
অ্যাসোসিয়েশন নামে
লাইসেন্স লাভ
করে (সূত্র
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়)
নিজেদের গল্প
আমাদের জীবন-যৌবনের
রাজনীতি-সংস্কৃতির
উপদ্রুত সময়
৪৯ নং
ঘাট ফরহাদবেগে
কেটেছে। যখন
অনার্স পড়ছি
তখন দেখতাম
সিরাজগঞ্জের জ্যেষ্ঠ
বন্ধু আবুল
কাসেম, কালাম
চৌধুরী প্রতিদিন
প্রাতে স্ক্র্যাপ
কিনতে ইর্য়াডে
যাচ্ছেন। ইর্য়াড
কোথায় তা
আমার মগজে
ছিল না।
পরে সীতাকুণ্ড
প্রান্তে শিপের
ফার্নিচার ফিকচার
অ্যান্টিকস কিনতে
পাওয়া যায়
তা আমার
চোখে দৃশ্যমান
হয়েছে ২০২০
খ্রিস্টাব্দে।
মূলত ১৯৬০
খ্রিস্টাব্দের দিকে
‘আল
আব্বাস’ নামে
একটা আটকা
পড়া জাহাজ
রহিম স্টিল
কর্তৃক কাটতে
গিয়ে চট্টগ্রামে
শিপ ব্রেকিং
শিল্পের গোড়াপত্তন
হয়। পরে
আশির দশকে
এর কার্যক্রম
শুরু হয়।
জানামতে মেসার্স
ইলিয়াস ব্রাদার্স
(এমইবি) শ্রীলংকায়
সামরাতুল আঙ্গি
(১৯৮০) একটা
জাহাজ আনে।
পরবর্তী সময়ে
খলিল অ্যান্ড
সন্স জাহাজ
কাটা শুরু
করে। কবি
ও বাচিক
শিল্পী রবিন
ঘোষের বাবা
ধনা ঘোষ
স্ক্র্যাপ ব্যবসায়
গুড প্রমোটার
ছিলেন। তারা
স্ক্র্যাপ কিনে
ঢাকায় রহিম
স্টিলকে সাপ্লাই
দিতেন। তাদের
কাঁচপুরে ফ্যাক্টরি
ছিল, এখন
যাত্রাবাড়ীতে।
এখন যেখানে
ভিআইপি টাওয়ার
সেখানে একটা
মাজার ও
মৌলি হিলস
নামে চমত্কার
বাংলো ছিল।
এর মালিক
রেজা আলী
শিপ ব্রেকিং
ব্যবসায় পথিকৃত।
এই রেজা
আলী অ্যাড
ফার্ম বিটপির
মালিক ও
সংস্কৃতিমনা লোক
ছিলেন। এ
সময়ে এ
সেক্টরে জড়িত
হন কিংবদন্তি
ব্যবসায়ী শওকত
আলী চৌধুরী।
চিত্রনায়িকা ফরিদা
আখতার ববিতার
স্বামী ইফতেখার
আলম, মোস্তফা
হাকিম গ্রুপ
বা তাহের
ব্রাদার্স, মোজাহের
ঔষধালয়, সালেহ-জরিনা
ধারাবাহিক ব্যবসায়
আসেন।
১৯৮৪ সালে
এদের অ্যাসোসিয়েশন
সংগঠিত হয়।
এ সময়
আতুড়ায় আবুল
কাসেম চিটাগং
স্টিল রোলিং
মিল স্থাপন
করেন। তার
পার্টনার ছিলেন
দিদারুল আলম,
ইউসুফ চৌধুরী
প্রমুখ।
বিশ্বের সবুজ
অর্থনীতিকে অনুকরণ
করছে শিপ
রিসাইক্লিং ইয়ার্ডগুলো।
এর মধ্যে
পিএইচপি পরিপূর্ণ
গ্রীন ইন্ডাস্ট্রি
গড়ে তুলেছে।
এর পথে
রয়েছে কেএসআরএম,
কেআর স্টিল
ইত্যাদি (সূত্র:
বিএসবিআরএ)।
আমাদের মতে
এ গ্রীন
ইয়ার্ডে বৈশ্বিক
চাপ রয়েছে
এবং নেদারল্যান্ডসসহ
বিভিন্ন দেশের
প্রজেক্টগুলো। তারা
ব্যবসায়ীদের সহায়তা
করছে।
করোনা নিদানকালে
অতিমারীর সময়ে
অন্যান্য শিল্পের
মতো শিপ
রিসাইক্লিং শিল্প
সংকটের সম্মুখীন
হয়েছে। প্রত্যেক্ষ-পরোক্ষভাবে
৭০ হাজার
শ্রমিকের মাসে
৫০ লাখ
থেকে ১
কোটি টাকা
বেতন পরিশোধ
করতে হয়েছে।
একদিকে ব্যাংকগুলো
যেমন শিপ
ব্রেকিং খাতে
বড় বিনিয়োগ
সমন্বয় করতে
বড় চাপে
পড়েছে। অন্যদিকে
মালিকদের মাসে
৩৫ কোটি
টাকা সুদ
গুনতে হয়েছে।
১৪ লাখ
টন স্ক্র্যাপ
অবিক্রীত রয়েছে।
বিলসসহ বিভিন্ন
শ্রমিক সংগঠন
ইয়ার্ডে শ্রমিক
মৃত্যুর আন্দোলন
গড়ে তুলছে।
(পাহাড়ি ভট্টাচার্য,
বিলস সংগঠক)
১২ নভেম্বর ২০১৯ অনুষ্ঠিত এতত্সংশ্লিষ্ট সভা
সভাপতি মো.
আবদুল হালিম
বলেন, দেশের
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে
জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ
শিল্প গুরুত্বপূর্ণ
অবদান রাখছে।
এ শিল্পের
সার্বিক উন্নয়ন
ও বিকাশে
শিল্প মন্ত্রণালয়
আন্তরিকভাবে কাজ
করছে। এর
ধারাবাহিকতায় এ
শিল্পের বর্তমান
অবস্থা, সম্ভাবনা
ও সমস্যাগুলো
চিহ্নিত করার
জন্য আহ্বান
জানান। অতিরিক্ত
সচিব (জাহাজ
পুনঃপ্রক্রিয়া) একেএম
শামসুল আরেফীন
অর্থনীতিতে এ
খাতের প্রভূত
অবদান ও
সম্ভাবনার ওপর
গুরুত্বারোপ করে
বলেন, এ
শিল্পের উন্নয়ন
ও পরিবেশসম্মতভাবে
বিকাশে শিল্প
মন্ত্রণালয় বিভিন্ন
পদক্ষেপ নিয়েছে।
পাশাপাশি দুর্ঘটনা
ও সমস্যা
থেকে উত্তরণের
জন্য দু-তিন
বছরের মধ্যে
‘দ্য
শিপ ব্রেকিং
অ্যান্ড রিসাইক্লিং
রুলস-২০১১’
ও হংকং
কনভেনশন অনুযায়ী
ইয়ার্ডের উন্নয়নের
লক্ষ্যে এসআরএফপি
বাস্তবায়ন করতে
হবে।
ইয়ার্ড মালিকদের
পক্ষে বিএসবিআরএর
প্রেসিডেন্ট মো.
আবু তাহের,
নির্বাহী সদস্য
জহিরুল ইসলাম
রিংকু, সদস্য
মাস্টার আবুল
কাশেম বক্তব্য
রাখেন। দেশে
বিদ্যমান অন্যান্য
শিল্পের মতো
জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ
শিল্পেও বেশকিছু
সমস্যা ও
চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
বিএসবিআরএর পক্ষ
থেকে জাহাজ
পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ বোর্ড
গঠনসহ বেশকিছু
সমস্যা তুলে
ধরা হয়।
বিশেষ করে
পরিবেশ অধিদপ্তর
থেকে মাটি,
পানি পরীক্ষা
চার মাসের
পরিবর্তে এক
বছর করা,
ইয়ার্ডের লাইসেন্স
নবায়ন এক
বছরের পরিবর্তে
তিন বছর
করা, বাহিত
পণ্যের ওপর
দ্বৈত কর
পরিহার করা,
সহজ শর্তে
ও স্বল্প
সুদে ব্যাংকঋণ
প্রদান, পোড়া
তেলের ওপর
আরোপিত শুল্ক
প্রত্যাহার, ইঞ্জিন
রুমসহ হট
জোনে কাজ
করার জন্য
বিস্ফোরক পরিদর্শকের
স্পষ্ট সার্টিফিকেট
প্রদান, শিকস্তি
ভূমি এক
বছরের পরিবর্তে
পাঁচ বছরের
জন্য লিজ
প্রদান, স্থায়ী
প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট
স্থাপন, টিএসডিএফ
স্থাপন, এসআরএফপি
প্রণয়ন ও
দাখিলের সময়সীমা
ডিসেম্বর ২০১৯
পর্যন্ত বৃদ্ধি
করা, রাতে
ইয়ার্ডে জাহাজ
কাটার অনুমতি
প্রদান, বন্ধ
ইয়ার্ডগুলোর কার্যক্রম
পুনরায় চালুকরণ
এবং সীতাকুণ্ড
উপকূলে প্রস্তাবিত
মেরিন ড্রাইভের
ফলে শিপ
ইয়ার্ডগুলো যাতে
ক্ষতিগ্রস্ত না
হয় ইত্যাদি।
এস সমস্যা
সমাধানের আশ্বাস
দিয়ে সচিব
বলেন, দেশের
সব ধরনের
শিল্পকে সহায়তা
করা শিল্প
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।
জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ
শিল্পের উন্নয়ন
ও বিকাশে
মন্ত্রণালয় এরই
মধ্যে বেশকিছু
পদক্ষেপ নিয়েছে।
শিগগিরই বোর্ড
গঠনের কাজ
সমাপ্ত হবে,
প্রণীত আইন
অনুযায়ী একটি
বিধিমালা প্রণয়নের
কাজ দ্রুত
সময়ে শেষ
করার চেষ্টা
করা হচ্ছে।
শিকস্তি খাসজমি
এক সনের
পরিবর্তে পাঁচ
সনের জন্য
লিজ দেয়ার
নিমিত্ত ভূমি
মন্ত্রণালয়ে পত্র
দেয়া হয়েছে।
তিনি আশা
প্রকাশ করেন,
সব ইয়ার্ডে
কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী
এসআরএফপি বাস্তবায়ন
করা হলে
দুর্ঘটনা শূন্যের
কোটায় নেমে
আসবে এবং
হংকং কনভেনশন
কমপ্লায়েন্স বাস্তবায়ন
ত্বরান্বিত হবে।
এ খাতে
ফার্নিচার ফিকচার,
ইলেকট্রিক, অ্যান্টিকস
ইত্যাদি খাতের
বিশেষ অবদান
রয়েছে।
তবে এ
খাতে অনেকগুলো
অর্জন রয়েছে।
এরা দীর্ঘদিন
ধরে লড়াই
করে ‘বাংলাদেশ
জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ
বোর্ড’ স্থাপন
করতে সক্ষম
হয়েছে। এর
হেডকোয়ার্টার চট্টগ্রাম
স্থাপনের দাবি
রয়েছে। আমরা
তা যৌক্তিক
বলে মনে
করি। ২০১২
সালে শিল্প
রিসাইক্লিং অ্যাক্ট
পাস হয়েছে।
তবে এ
সেক্টরের জন্য
কিছু দুঃসংবাদ
আছে। পরিবেশ
অধিদপ্তর বলছে,
৬৪ শতাংশ
জাহাজ বাংলাদেশে
কাটার অযোগ্য।
সর্বশেষ তাদের
ভ্যাট ও
ট্যাক্স নিয়ে
কিছু কথা
বলতে চাই।
এনবিআরের নীতিসহায়তা চায় জাহাজ
ভাঙা শিল্প
একাধিক ব্যবসায়ীর
সঙ্গে কথা
বলে জানা
যায়, এর
আগে জাহাজ
আমদানির ক্ষেত্রে
কোনো ধরনের
আগাম কর
দিতে হতো
না। কেবল
প্রতি টনে
৩০০ টাকা
হারে ভ্যাট
পরিশোধ করলে
হতো। কিন্তু
নতুন ভ্যাট
আইনে এ
শিল্পে জাহাজের
মোট মূল্যের
৫ শতাংশ
আগাম কর
আরোপ হয়,
যা আমদানির
সময় পরিশোধ
করতে হয়।
এমনকি আগাম
কর পরবর্তী
সময় সমন্বয়
ও ফেরত
দেয়ার বিধান
থাকলেও তা
ফেরত পাচ্ছেন
না শিল্প
মালিকরা।
এ বিষয়ে
বাংলাদেশ শিপ
ব্রেকার্স অ্যান্ড
রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের
(বিএসবিআরএ) কর্মকর্তারা
জানান, সর্বোচ্চ
ছয় মাসের
মধ্যে আগাম
কর ফেরত
দেয়ার বিধান।
কিন্তু আমলাতান্ত্রিক
জটিলতার কারণে
একটি টাকাও
ফেরত পাননি
ব্যবসায়ীরা। ফলে
মূলধন ঘাটতি
অসহনীয় পর্যায়ে।
চলতি অর্থবছরে
এখন পর্যন্ত
সরকারের কাছ
থেকে ২৩৮
কোটি টাকা
ফেরত পাওয়ার
কথা। অথচ
ব্যবসায়ীরা একটি
কানাকড়িও পাননি।
জানা যায়, ব্যবসায়ীরা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেন এবং তার বিপরীতে মোটা অংকের সুদ গোনেন। তাছাড়া সার্বিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় যেখানে তারল্যের ব্যাপক সংকট, সেখানে আগাম কর আদায়ের ফলে একদিকে যেমন সুদ বাড়ছে, অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা পড়ছেন মূলধন সংকটে, যা ব্যবসা সহায়ক নীতির পরিপন্থী। এর মারাত্মক প্রভাব পড়েছে এ খাতে।
আমদানি তথ্য
থেকেই বিষয়টি
পরিষ্কার হয়।
যেখানে নতুন
কর নীতিতে
৫ শতাংশ
আগাম কর
ধার্য করায়
২০১৯-২০
অর্থবছরের চেয়ে
২০১৫-১৬,
২০১৬-১৭,
২০১৭-১৮
ও ২০১৮-১৯
অর্থবছরে জাহাজ
আমদানির পরিমাণও
সরকারকে রাজস্ব
দেয়ার হার
তুলনামূলকভাবে অনেক
বেশি ছিল।
খাতসংশ্লিষ্টরা জানান,
২০১৮-১৯
অর্থবছরে ২৭২টি
জাহাজ আমদানি
করা হয়
এবং সরকারকে
রাজস্ব দেয়া
হয় মোট
৭৯২ কোটি
টাকা। কিন্তু
চলতি অর্থবছরে
জাহাজ আমদানি
কমে ১৩৮
কোটি টাকায়
দাঁড়িয়েছে। এতে
আগাম কর
ও ভ্যাট
হিসেবে ৪৭৮
কোটি টাকা
সরকারি কোষাগারে
জমা দিতে
হয়েছে। নতুন
নীতির কারণে
সরকারের কোষাগারে
অর্থ জমছে
কম, বিপরীতে
আমদানিকারকরাও হয়ে
পড়ছেন পুঁজিশূন্য।
জাহাজ আমদানি
কমে যাওয়ায়
বেকার শ্রমিকের
সংখ্যাও দিন
দিন বাড়ছে।
ব্যবসায়ীরা মনে
করছেন, সরকারের
নতুন রাজস্বনীতির
কারণে এ
শিল্পের উদ্যোক্তা
ও রাষ্ট্র
উভয় পক্ষই
ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
নতুন নীতিতে
করদাতারা হয়রানির
শিকার হচ্ছেন।
আমলাতান্ত্রিক জটিলতা
বেড়ে যাওয়ায়
এ খাত
সংকুচিত হয়ে
পড়ছে। এ
প্রেক্ষাপটে করোনাভাইরাসজনিত
অর্থনৈতিক মন্দা
মোকাবেলা এবং
খাতটিকে টিকিয়ে
রাখার জন্য
জাতীয় রাজস্ব
বোর্ড তথা
সরকারের নীতিসহায়তা
কামনা করেছেন
সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
তাদের এ
দাবিকে যৌক্তিক
ব্যাখ্যা দিয়ে
আগাম কর
প্রত্যাহার ও
ভ্যাটের পরিমাণ
পুনর্নির্ধারণের জন্য
সম্প্রতি জাতীয়
রাজস্ব বোর্ডকে
অনুরোধ জানিয়েছে
শিল্প মন্ত্রণালয়ও।
এ বিষয়ে
বিএসবিআরএর নির্বাহী
সদস্য মোহাম্মদ
জহিরুল ইসলাম
রিংকু বলেন,
‘সরকারের
নতুন নীতির
কারণে গত
এক বছরে
জাহাজ আমদানি
অর্ধেক কমে
গেছে। সে
হারে রাজস্বও
কমেছে অর্ধেক।
আমরা চাই
শিল্প মন্ত্রণালয়
যে অনুরোধ
করেছে, এনবিআর
যেন তা
বাস্তবায়ন করে।
তাহলে এ
শিল্পটাকে রক্ষা
করা সম্ভব
হবে।’
প্রতি বছর
বিশ্বে পুরনো
জাহাজ আমদানি
করে উপকূলীয়
এলাকায় কেটে
আনুমানিক এক
কোটি টন
বিক্রি করা
হয়। এর
মধ্যে বাংলাদেশ,
ভারত ও
পাকিস্তানে আমদানি
হয় ৭৫
শতাংশ। বাংলাদেশ
বর্তমানে প্রতি
বছর ২৫-৩০
লাখ টন
পুরনো জাহাজ
আমদানি করে,
যা মোট
পুরনো জাহাজ
আমদানির ২৫
শতাংশেরও বেশি।
এ শিল্পের
বার্ষিক টার্ন
ওভার প্রায়
৫ হাজার
কোটি টাকা,
যার মধ্যে
সরকারের কোষাগারে
শুল্ক ও
অন্য খাতে
রাজস্ব হিসেবে
জমা হয়
প্রায় ১
হাজার কোটি
টাকা।
সিঙ্গাপুর বেজড
সেলাররা কম
রেটের কারণে
বাংলাদেশে স্ক্রেপ
জাহাজ বিক্রি
করছে না।
তবে সুসংবাদ
হচ্ছে, করোনাকালে
প্রতি টন
স্ক্র্যাপের দাম
যেখানে ২৪
হাজার টাকা
ছিল বর্তমানে
তা ৪৭-৪৮
হাজার টাকায়
পৌঁছেছে। বাংলাদেশে
লোহার খনি
খ্যাত উত্তর
চট্টগ্রামের শিপ
রিসাইক্লিং সেক্টরের
সমৃদ্ধি কামনা
করছি।
অ্যাডভাইজার, জিপিএইচ
ইস্পাত লিমিটেড
সাবেক সচিব ও প্রধান নির্বাহী, চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি





