ডিজিটাল পরিষেবা বাড়ানোর পাশাপাশি কারখানার পরিচালন ব্যয় কমাতে এবং নতুন পণ্যের ডিজাইন ও উৎপাদনের গতি বাড়াতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেটাভার্স তৈরি করবে সিমেন্স ও এনভিডিয়া। এ লক্ষ্যে দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। খবর ইটিটেলিকম।
সিমেন্স এক্সিলারেটরের জন্য চুক্তিটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। জার্মানির অন্যতম প্রযুক্তি ও ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানটি নতুন এ ডিজিটাল প্লাটফর্মটি চালু করেছে। নতুন ক্লাউডভিত্তিক প্লাটফর্মটিতে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও ডিজিটাল সার্ভিস থাকবে। প্রতি বছর ডিজিটাল ব্যবসা ১০ শতাংশ হারে বাড়ানোর জন্য সিমেন্স যে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তার অংশ এটি। ২০২১ সালে এ খাতে প্রতিষ্ঠানটির মোট আয় ছিল ৫৮৯ কোটি ডলার।
এক বিবৃতিতে সিমেন্সের নির্বাহী কর্মকর্তা রোল্যান্ড বুশ বলেন, সিমেন্স এক্সিলারেটর ডিজিটাল পরিবর্তনের বিষয়টি ভালোভাবে পরিচালনায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুবিধা দেবে। পাশাপাশি বড় পরিসরে ও দ্রুতগতিতে কাজ সম্পাদনে সহায়তা করবে। সম্প্রতি ১৫৮ কোটি ডলারে ব্রাইটলি সফটওয়্যার অধিগ্রহণ করে সিমেন্স।
সিমেন্স ও এনভিডিয়া শুধু দুটি আলাদা প্রতিষ্ঠান, যারা মূলত তথাকথিত মেটাভার্সের জন্যই কাজ করছে। যেখানে মানুষ বিভিন্ন ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে প্রবেশ এবং ডিজিটাল পরিবেশে চলাফেরা করতে পারবে। ফেসবুকের মালিকানা প্রতিষ্ঠান মেটা ও মাইক্রোসফটও ব্যবসা ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমে মেটাভার্সের প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে ভাবছে। সিমেন্সের এক্সিলারেটর গ্রাহকদের কোনো কারখানা বা ছোট নৌকা দেখার সুযোগ দেবে। সিমেন্স সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস (এসএএএস) সাবস্ক্রিপশনর মডেল হিসেবে গ্রাহকদের এ পরিষেবা দেয়া হবে বলে জানা গেছে। মূলত মাঝারি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সহজলভ্য করতেই এ উদ্যোগ।










