পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইটগুলোয় ফাইভজি পরিষেবা যুক্ত করতে পরিকল্পনা নিয়েছে এরিকসন, কোয়ালকম ও থ্যালস। মূলত পৃথিবীর যেসব প্রত্যন্ত ও গহিন অঞ্চলকে নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা যায়নি, সেসব জায়গায় উন্নত মোবাইল নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ। খবর টেকরাডার।

উন্নত নেটওয়ার্ক বিস্তারে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে প্রতিষ্ঠান তিনটি একাধিক জরিপ ও সিমুলেশন পরিচালনা করেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলো স্মার্টফোন ব্যবহারের কেস টেস্টিং এবং নন-টেরেস্টিয়াল ফাইভজি নেটওয়ার্কের বৈধতা প্রদানে প্রস্তুত। বৈশ্বিক স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণকারী বডি থ্রিজিপিপি প্রথমবারের মতো নন-টেরেস্টিয়াল নেটওয়ার্কের জন্য সমর্থন প্রকাশ করছে। যদি এটি কার্যকর হয়ে যায়, তাহলে ভবিষ্যতে যেসব ফাইভজি স্মার্টফোন আনা হবে, সেগুলোয় নন-টেরেস্টিয়াল নেটওয়ার্ক সাপোর্ট থাকবে এবং এ পরিপ্রেক্ষিতে ডিভাইসগুলো স্যাটেলাইট ফোনে পরিণত হবে।

ব্রিটেন সরকার সমর্থিত ওয়ানওয়েব এবং ইলোন মাস্কের স্টারলিংকের মতো প্রতিষ্ঠান পৃথিবীর নিম্নকক্ষে স্যাটেলাইট উেক্ষপণ করছে। যার মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে কম ল্যাটেন্সির ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া সম্ভব। বর্তমানে বিশ্বের প্রচলিত স্থির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগের বিপরীতে উন্নত স্যাটেলাইটভিত্তিক ব্রডব্যান্ড পরিষেবা নিশ্চিত করছে। স্যাটেলাইটের পাশাপাশি বর্তমানে ফাইভজি সংযোগ সুবিধা অপারেটর, ব্যবসায়ী ও পাবলিক খাতকে আরো সুবিধা গ্রহণের পথ তৈরি করে দিচ্ছে। মহাসমুদ্র, পর্বত, বনজঙ্গলে নেটওয়ার্ক পরিষেবা বিস্তারের পাশাপাশি ফাইভজি নন-টেরেস্টিয়াল নেটওয়ার্ক আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রোমিং সুবিধাকে আরো উন্নত করবে।