স্পেসএক্সের স্টারলিংক ইন্টারনেট পরিষেবা গ্রহণকারীদের অনেকে গতি কম পাওয়ার অভিযোগ করছে। পরিষেবা চালুর সময় প্রতিষ্ঠানটি দ্রুতগতির সংযোগ প্রদানের যে প্রচারণা চালিয়েছিল বর্তমান পরিস্থিতি তার সম্পূর্ণ বিপরীত। খবর টেকটাইমস।
ইন্টারেস্টিং ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের ব্যবহারকারী যত বাড়ছে গতি তত কমছে। পিসি গেমার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার স্টারলিংকের পরিষেবা গ্রহণকারীরা ধীরগতির ইন্টারনেট পাচ্ছেন। মূলত ব্যবহারকারীর সংখ্যার অনুপাতে স্যাটেলাইটের সংখ্যার আধিক্যের কারণে এ সমস্যা হচ্ছে বলে ধারণা করছেন প্রযুক্তিবিদ ও সংশ্লিষ্টরা।
ওকলা প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর স্টারলিংকের পরিষেবার আওতায় থাকা দেশগুলোর ওপর জরিপ পরিচালনা করে দেখা যায়, সব দেশেই স্টারলিংকের ইন্টারনেটের গতি অনেকটাই কমেছে। শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই গড় ডাউনলোড গতি প্রতি সেকেন্ডে ৯০ মেগাবিট থেকে ৬২ দশমিক ৫ মেগাবিটে নেমে এসেছে।
অন্যদিকে স্পেসএক্স প্রতিনিয়ত পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে তাদের স্যাটেলাইট উেক্ষপণ করে যাচ্ছে। যেটি মহাকাশে জট তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। পারতপক্ষে জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গবেষকরা স্যাটেলাইটের এ বিশাল বহরের কারণে পরিবেশগত প্রভাব সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহে আরো ভালো নিয়মকানুন প্রবর্তন ও গবেষণা পরিচালনার কথা জানান। এমনকি পৃথিবীতে আঘাত হানতে পারে এমন গ্রহাণু শনাক্তে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট প্রযুক্তিগত বাধা তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছে নাসা। অন্যদিকে স্পেসএক্স এক ঘোষণায় জানায়, তাদের স্যাটেলাইটগুলো যেন খালি চোখে দেখা না যায় সেজন্য তারা আলাদা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।










