কাশির মাধ্যমে কভিড-১৯-এর সংক্রমণ শনাক্তকারী অ্যাপের জন্য ১২ কোটি ডলার ব্যয় করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান ফাইজার। মূলত অ্যাপ তৈরিতে যুক্ত অস্ট্রেলিয়ার ফার্ম অধিগ্রহণে এ অর্থ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। খবর টেকটাইমস।
নিউ অ্যাটলাস প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপটি ব্যবহারে কাশির মাধ্যমে নভেল করোনাভাইরাস শনাক্তের বিষয়টি দাবি করেছিল ফার্মটি। রোগীদের কাশির আওয়াজ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে শ্বাসযন্ত্রের ব্যাধি শনাক্তে একটি অ্যালগরিদম তৈরিতে ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছে অস্ট্রেলিয়ার ফার্ম রেসঅ্যাপ।
নিউমোনিয়া শনাক্তের জন্যই সিস্টেমটি প্রথমে তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু ২০১৯ সালে গবেষকরা জানান, এ প্রযুক্তি সফলভাবে হাঁপানি, ব্রঙ্কিওলাইটিস ও ক্রুপের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করতে পারে। ২০২০ সালে যখন বিশ্বে কভিড-১৯ মহামারীর সংক্রমণ শুরু হয়, তখন অ্যাপটির ডেভেলপার টিম অ্যালগরিদমের কোর্স পরিবর্তনের মাধ্যমে কাশি থেকে সংক্রমণ শনাক্তের বিষয়টি যুক্ত করে।
২০২২ সালে পাইলট ট্রায়াল প্রকল্পে কভিড-১৯ শনাক্তকরণ অ্যালগরিদম ব্যবহারের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সাফল্যের দেখা মিলেছে। ট্রায়ালে দেখা গিয়েছে, প্রযুক্তিটি আক্রান্তের কাশির শব্দ পরীক্ষার মাধ্যমে ৯২ শতাংশ কভিড-১৯ পজিটিভ কেস শনাক্ত করতে পেরেছে। সিস্টেমটি ৮০ শতাংশ নির্দিষ্টতার হারও দেখিয়েছে। অর্থাৎ মোট ১০টি পরীক্ষণের মধ্যে মাত্র দুটিতে ভুল তথ্য এসেছে।










