টোকিওতে সম্প্রতি বার্ষিক নিক্কেই গ্লোবাল ম্যানেজমেন্ট ফোরামের অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানটি এশিয়ার শীর্ষ ব্যবসায়ীদের মিলনমেলা। এখানে ব্যবসায়ীরা মূল্যস্ফীতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও সাপ্লাই চেইন ঘাটতির মুখে নিজেদের প্রতিষ্ঠানকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সে-সম্পর্কিত কৌশল ও পরিকল্পনা পরস্পরের সঙ্গে শেয়ার করেন। এ অনুষ্ঠানে সনি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রেসিডেন্ট কেনিচিরো ইয়োশিদা জানিয়েছেন, মেটাভার্স ও ওয়েবথ্রির মতো নতুন কম্পিউটিং প্রযুক্তি বিনোদনজগতে নতুন মাত্রা যোগ করার সামর্থ্য রাখে। খবর নিক্কেই।

গতকাল নিক্কেইয়ের দুদিনের গ্লোবাল ম্যানেজমেন্ট ফোরামে বক্তৃতা দিতে গিয়ে জাপানি বিনোদন জায়ান্টটির প্রধান বলেন, মেটাভার্স একটি ভার্চুয়াল জগৎ, যেখানে একজন ব্যক্তি ডিজিটাল অ্যাভাটরের দ্বারা অন্য একজনের সঙ্গে পারস্পরিক যোগাযোগের সুযোগ পায়। নতুন এ জগৎ একজন মেটাভার্স ব্যবহারকারী ও এর নির্মাতাদের একই সূত্রে গেঁথে দেয়। মেটাভার্সের একজন ব্যবহারকারী এবং নির্মাতা সময় ও স্থান ভাগাভাগি করে নিতে পারে। এখানে যে লাইভ ইভেন্টগুলো থাকে সেগুলোই হলো বিনোদনের অন্যতম ক্ষেত্র। এছাড়া বিভিন্ন কনসার্ট ও খেলাধুলার ইভেন্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেটাভার্স প্রযুক্তি আরো বাড়তি মাত্রা যোগ করতে পারে। খেলাধুলায় সনি যুক্তরাজ্যের ফুটবল টিম নিয়ে একটি ট্রায়াল চালাচ্ছে, যেখানে বাস্তবে খেলা ম্যাচগুলোকে ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে হুবহু সম্মিলন ঘটানো হবে।

ইয়োশিদা আরো বলেছেন, সনি এরই মধ্যে সংগীত, চলচ্চিত্র ও গেমসহ বিনোদন ক্ষেত্রগুলোয় বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করেছে। ফলে বিগত দশকে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রিতেও বড় ধরনের উত্থান ঘটেছে। ২০১০ সালের তুলনায় বর্তমানে সনির বিক্রি দ্বিগুণ বেড়েছে।

সিএমওএস সেন্সরের (যেটি লাভজনক হতে বেশ সময় লেগেছে) উদাহরণ দিয়ে সনির নির্বাহী প্রধান বলেন, প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছি। সিএমওএস সেন্সর লাভ করতে সময় নিয়েছে। কোম্পানিটিকে এমনকি ল্যাপটপ কম্পিউটার ব্যবসাসহ অন্যান্য ব্যবসাও ছেড়ে দিতে হয়েছে।