জমিদারি উচ্ছেদই
ছিল আবুল
কাশেম ফজলুল
হকের ১৯৩৭
সালের নির্বাচনের
প্রধান রাজনৈতিক
অঙ্গীকার।
২ এপ্রিল
১৯৩৮ বাংলা
সরকারের সচিব
চিঠিতে জানালেন,
বাংলার মানুষ
যে বিদ্যমান
ভূমি ব্যবস্থার
একটি আমূল
পরিবর্তন চায়,
জনমত যে
বিপ্লবী ধরনের
ভূমি সংস্কারের
পক্ষে, সরকার
তা বেশ
জানে। কিন্তু
সচিব সংশয়
প্রকাশ করলেন,
এ ধরনের
পরিবর্তন যত
কাম্যই হোক
না কেন,
তা সমাজ
ব্যবস্থাকে হঠাৎ
করে অস্থিতিশীল
করে তুলবে।
কাজেই ভেবেচিন্তে
কাজটা করতে
হবে। এ
চিঠির ভূমিকার
সঙ্গে সংশ্লিষ্ট
সব স্বার্থ
বিবেচনায় একটি
বাস্তব ও
প্রয়োগ-সম্ভব
সুপারিশমালা প্রণয়নে
সরকার একটি
কমিশন গঠন
করেছে। এটিই
ফ্লাউড কমিশন।
স্যার ফ্রান্সিস
ফ্লাউড তখন
কানাডায় ব্রিটিশ
হাইকমিশনার। কূটনৈতিক
দায়িত্বে যাওয়ার
আগে ব্রিটেনের
কৃষিবিষয়ক সচিব
ছিলেন। ফ্লাউড
নেতৃত্ব দিলেন
বেঙ্গল ল্যান্ড
রেভিনিউ কমিশনের।
কমিশনের কর্মপরিধির
মধ্যে ছিল
চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের
আওতায় গড়ে
ওঠা ভূমি
ব্যবস্থার পর্যালোচনা,
বাংলার আর্থিক
ও সামাজিক
কাঠামোর ওপর
তার প্রভাব
পরীক্ষা করা।
দুই বছরের
অনুসন্ধান ও
আলোচনা শেষে
কমিশন যা
বলল, তার
সারমর্ম:
১. চিরস্থায়ী
বন্দোবস্তের কারণে
সরকার ভূমি
রাজস্ব খাতে
অভাবনীয় ক্ষতির
সম্মুখীন হয়েছে।
গোড়াতেই চিরজনমের
মতো একটি
খাজনা বেঁধে
দেয়ার কারণে
এমনটা হয়েছে।
এ চিরস্থায়ী
পত্তন সরকারকে
খনি, জলমহাল
ও নাব্য
নদীতে প্রবেশাধিকার
দিচ্ছে না।
২. জমিদাররা
তাদের মালিকানাধীন
রাজত্বে সরকারের
সমান্তরাল একটি
প্রশাসন ব্যবস্থা
গড়ে তুলেছে।
তারা ক্যাডাস্ট্রাল
সার্ভে থেকে
শুরু করে
সরকারের ব্যাপকভিত্তিক
সব কার্যক্রমে
বাধা সৃষ্টি
করেছে। ভ্রুকুটি
করছে সরকারের
ক্ষমতা ও
কর্তৃত্বের।
৩. জমিদারের
অধীনে বিভিন্ন
ধরনের উপস্বত্ব
সৃষ্টি ভূমি
প্রশাসন ও
ব্যবস্থাপনাকে জটিল
করে তুলেছে।
৪. চিরস্থায়ী
পত্তনের আওতায়
ভূমির স্বত্বাধিকারীর
সংখ্যা আশঙ্কাজনক
হ্রাস পেয়েছে।
৫. দেশে
ইউরোপের মতো
কৃষিভিত্তিক উদার
অভিজাততন্ত্র গড়ে
ওঠেনি ও
খাজনার অর্থ
কম এবং
অপরিবর্তনীয় হওয়ার
কারণে সরকারও
কৃষির সমর্থনে
সাহায্যের হাত
বাড়ায়নি।
সব মিলিয়ে
বাংলার ভূমি
ব্যবস্থা দেশের
জন্য সম্পদ
না হয়ে
দায় হিসেবে
বেড়ে উঠেছে।
৮৩ বছর
আগে কৃষকদরদি
ফ্লাউড সরকারের
হাতে একটি
প্রগতিশীল প্রতিবেদন
তুলে দিতে
পেরেছিলেন। এর
আংশিক বাস্তবায়িত
হয় ফ্লাউডের
সুপারিশমালার ওপর
ভিত্তি করে।
কমিশন দেখা
করল ময়মনসিংহ
ভূস্বামী সমিতির
সঙ্গে। তারা
কমিশনকে গালমন্দ
করল। বলল,
কমিশন জমিদারির
মানেই বোঝেনি।
তারা দাবি
করল, চিরস্থায়ী
পত্তনের মাধ্যমে
জমিদারকে ভূমির
মালিকানা দেয়া
হয়নি।
মালিকানাটা তাদের
আদি অধিকার,
সেই সঙ্গে
তাদের ছিল
বিচার ও
পুলিশ প্রয়োগের
ক্ষমতা। এ
দুটি ক্ষমতা
ওয়ারেন হেস্টিংস
ছিনিয়ে নিয়েছেন।
কর্নওয়ালিশ ১৭৯৩
সালে চিরস্থায়ী
বন্দোবস্ত আইন
করে জমিদারদের
স্বার্থ খানিকটা
রক্ষা করেছেন,
কিন্তু বিচার,
পুলিশি ক্ষমতাসহ
পূর্বাবস্থায় এনে
দেননি। একজন
কোম্পানি কর্মকর্তার
উদ্ধৃতি দিয়ে
সমিতি দাবি
করেছে, বাংলার
উন্নতি চিরস্থায়ী
বন্দোবস্তেরই অবদান।
এর মন্দ
দিকও তুলে
ধরেছে; ১৭৯৩
সালের আগে
জমিদারের সঙ্গে
রায়তের একটা
মধুর সম্পর্ক
ছিল। কর্নওয়ালিশের
কারণে সম্পর্কটা
নষ্ট হয়ে
গেছে। জমিদারদের
প্রজামঙ্গল প্রচেষ্টায়
ভাটা পড়েছে।
আরো বলছে,
জমিদাররা তো
আর চিরস্থায়ী
বন্দোবস্তের জন্য
কান্নাকাটি করেনি
বরং তা
চাপিয়ে দেয়া
হয়েছে; নগদ
কিছু টাকাকড়ি
পেয়ে সরকারও
দেউলিয়া হওয়ার
হাত থেকে
বেঁচেছে। তাদের
কথা, জমিদাররা
তাদের উপার্জনের
প্রায় সবই
তো কৃষক
ও কৃষির
উন্নয়নের জন্য
খরচ করেছে।
তার পরও
জমিদারি বাতিলের
প্রশ্ন নিতান্তই
অযৌক্তিক ও
রাষ্ট্রের জন্য
ক্ষতিকর। বর্গাদার
কোনো অধিকার
পাবে কিনা,
এ প্রশ্নে
ভূস্বামী সমিতির
ভাষ্য হচ্ছে,
তাহলে তো
কলকারখানার মজুররাও
মিলের মালিকানা
চেয়ে বসবে।
তখন কে
ঠেকাবে?
বাকেরগঞ্জ ভূস্বামী
সমিতি জানায়,
তারা জমিদারির
অর্থে জঙ্গল
কেটেছে, খাল
খনন করেছে,
বাঁধ দিয়েছে।
পুঁজি খাটিয়েছে,
লাভ নেবে।
যারা শিল্প-কারখানা
করেছে কিংবা
অন্য কাজে
টাকা লগ্নি
করেছে, তাদের
দিকে সরকারের
নজর নেই
কেন? যত
ঝক্কি নিরীহ
জমিদারের ওপর।
কৃষিতে প্রবৃদ্ধি
বাড়াতে ও
প্রজার কল্যাণে
জমিদার প্রায়
সর্বস্ব ঢেলে
দিয়েছে। মধ্যস্বত্ব
সৃষ্টি হওয়ার
কারণে বহু
লোক তাদের
অর্থনৈতিক অবস্থার
পরিবর্তন ঘটাতে
পেরেছে। এটি
কৃষকের শ্রমের
বিনিময়ে নয়,
অর্থ ব্যবস্থার
কারণে। তাদের
বক্তব্যের সমর্থনে
জন শোরের
উক্তি উদ্ধৃত
করে বলেছে,
মধ্যস্বত্ব প্রকৃত
চাষীর কোনো
ক্ষতি করেনি।
বর্গাদারের ব্যাপারে
সমিতি মনে
করে, সাধারণ
মজুরের সঙ্গে
ভাগচাষীর কোনো
তফাত নেই।
কাজেই বর্গা
অধিকার সৃষ্টির
কোনো যুক্তি
নেই। এটা
শেষ পর্যন্ত
ক্ষতির কারণ
হবে। কমিশনের
কার্যকালে কৃষকদের
যে দারিদ্র্য
চোখে পড়েছে,
তা ভূস্বামী
সমিতির মতে
মূলত প্রথম
মহাযুদ্ধোত্তর অর্থনৈতিক
মন্দা ভাবের
ফল। দারিদ্র্যের
কারণ কৃষক
পরিবারে জনসংখ্যার
লাগামহীন বৃদ্ধি,
চাষাবাদের আদিম
পদ্ধতি, দক্ষতার
অভাব, জমির
খণ্ডীকরণ ও
মূলধনের উচ্চ
সুদহার। এখানে
জমিদারের করার
কিছু নেই।
ঢাকা জেলার
ভূস্বামী সমিতির
জমিদারদের বদান্যের
সমর্থনে জানাল,
বাংলার কৃষক
ভারতের অন্য
যেকোনো প্রদেশের
কৃষকের চেয়ে
ভালো আছে।
বড় প্রমাণ
ঊনবিংশ ও
বিংশ শতাব্দীতে
বাংলায় কোনো
দুর্ভিক্ষ হয়নি।
জমিদার দুঃখ-দুর্দশায়
প্রজার পাশে
দাঁড়িয়েছে। মধ্যস্বত্ব
কৃষি ব্যবস্থাপনার
জন্য অনিবার্য
সৃষ্টি। কৃষির
মাধ্যমে জমিদারদের
উপার্জিত আয়ের
ওপর কোনো
ধরনের আয়কর
ধার্য করা
যুক্তিযুক্ত হবে
না। ফরিদপুরের
ভূস্বামী সমিতি
মনে করে,
চিরস্থায়ী পত্তন
আইনের ওপর
বড় আঘাত
হানে ১৮৮৫
সালের বেঙ্গল
টেনেন্সি অ্যাক্ট
বা প্রজাস্বত্ব
আইন। এ
আইন প্রজাকে
সেবা করার
ক্ষেত্রে জমিদারের
ক্ষমতা ও
সামর্থ্য অনেক
কমিয়ে দিয়েছে।
ঝড়ঝঞ্ঝায়, দুর্যোগে-দুর্বিপাকে
রায়তের খাজনার
রেয়াত মেলে
কিন্তু জমিদারের
জন্য কোনো
ছাড় নেই।
সমিতি মনে
করে, চিরস্থায়ী
বন্দোবস্ত এবং
সেই সঙ্গে
মধ্যস্বত্ব বাতিল
করলে জনগণের
দুর্গতির সীমা
থাকবে না।
কাজটা হবে
বিপ্লবী ধাঁচের,
কিন্তু অমঙ্গলের
বিপ্লব।
নদিয়া জেলার
কালেক্টর স্টুয়ার্ট
সাহেব কমিশনকে
বললেন, জমিদার
কোথাও উন্নয়নের
কাজে হাত
দিয়েছে, এমন
তিনি শোনেননি।
বরং কিছু
বাঁধ নির্মাণ
করেছে নীলকর
সাহেবরা। তাও
তাদের ব্যবসার
স্বার্থে, জমিদারের
ভূমিকা উন্নয়নের
উদ্যোক্তা হিসেবে
নয়, বরং
খাজনা আদায়কারী
হিসেবেই সবার
জানা। সরকারের
হাতে জমিদারের
জমি গেলে
কৃষকদের মঙ্গল
হবে কিনা
সে ব্যাপারে
স্টুয়ার্ট সাহেবের
সংশয় রয়েছে,
বরং সরকার
তা রাজনৈতিক
উদ্দেশ্যে ব্যবহার
করবে। কৃষক
একইভাবে শোষিত
হবে। একজন
সিভিল সার্ভেন্ট
বললেন, চিরস্থায়ী
বন্দোবস্ত কৃষকের
কল্যাণের প্রশ্নে
জমিদারকে যে
দায়িত্ব দেয়া
হয়েছিল, সে
দায়িত্ব তারা
পালন করেনি,
বিশ্বাসঘাতকতা করেছে
এ আইনের
মূল দর্শনের
সঙ্গে। বাংলায়
কৃষির যে
বিস্তার ঘটেছে,
তা কোনো
জমিদারের বদান্যে
নয়, বরং
বর্ধিত জনসংখ্যা
ও আর্থিক
প্রয়োজনে।
ঢাকা হাইকোর্ট
আইনজীবী সমিতি
বলল, সরকারের
অধীনে জমিদারের
জমি এলে
প্রজার দুর্দশা
আরো বাড়বে।
সরকারের রাজস্ব
বিভাগের লোকজন
তাদের জীবন
দুর্বিষহ করে
তুলবে।
বরিশাল আইনজীবী
সমিতি মনে
করল, কমিশন
চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের
ভেতরের ব্যাপারটা
বুঝতেই পারেনি।
এ আইনটি
শক্ত জমিদার
বানানোর পরিবর্তে
বরং জমিদারদের
পঙ্গু করে
দিয়েছে। অধিকাংশ
জমিদার বাপ-দাদার
জমিদারি নিলাম
বিক্রির হাত
থেকে রক্ষা
করতে পারেনি।
দিনাজপুর আইনজীবী
সমিতি চিরস্থায়ী
বন্দোবস্তের কট্টর
সমালোচনা করলেও
এটি বাতিল
করার প্রশ্নে
দ্বিমত পোষণ
করল। বাতিল
হলে মধ্যস্বত্বভোগী
মধ্যশ্রেণী বিলুপ্ত
হয়ে যাবে,
দেশের সব
ধরনের সামাজিক,
অর্থনৈতিক ও
রাজনৈতিক আন্দোলনে
এরাই নেতৃত্ব
দিয়ে থাকে।
পাবনা, রাজশাহীসহ
অন্যান্য বার
অ্যাসোসিয়েশন চিরস্থায়ী
পত্তনের পক্ষেই
রায় দিল।
কেউ কেউ
অবশ্য বললেন,
রায়ত ও
বর্গাদারদের জন্য
একটা কিছু
করা দরকার।
কিষান সভা
লিখিত স্মারকপত্র
দাখিল করল
কমিশনের কাছে।
এতে উল্লেখ
করা হলো
জমিদার কখনো
জমির মালিক
ছিলেন না,
জমিদার ছিল
সরকার নিয়োজিত
জমির রক্ষক
মাত্র। কৃষিকর
অনগ্রসরতা, অর্থনৈতিক
অবক্ষয়, গ্রামাঞ্চলে
দুর্ভিক্ষাবস্থা, মহাজনি
প্রথার ব্যাপক
বিকাশ ও
কৃষি শ্রমিকের
লাঞ্ছনার মূল
কারণ জমিদারদের
অবহেলা, অত্যাচার
ও শোষণ।
কমিশন যাদের
মুখোমুখি হয়েছে,
এদের অধিকাংশেরই
ভাষ্য জমিদারি
প্রথাই উত্তম।
এমনকি কমিশনের
কয়েকজন সদস্যও
ঘোর বিরোধিতা
করলেন জমিদারি
প্রথা বাতিলের
প্রশ্নে। বললেন,
জমিদারি দেশের
একটি প্রাচীনতম
প্রতিষ্ঠান, বরাবরই
জমির স্বত্ব
ছিল জমিদারের।
তার ভূমিকা
সুযোগ নেয়ার
নয়, সেবা
দেয়ার। রায়তের
ছিল চাষবাসের
সীমিত অধিকার।
একজন সদস্য
বললেন, যত
মৌলিক কিংবা
বিপ্লবী পরিবর্তনই
আনার চেষ্টা
করা হোক
না কেন,
চাষাভুষাদের কোনো
উপকারের আশা
নেই। জমাজমির
স্বত্ব নিয়ে
নাড়াচাড়া না
করে বরং
কৃষি সংস্কারের
কথা ভাবুন।
কমিশনের কয়েকজন
সদস্য প্রতিবেদনে
স্বাক্ষরে অসম্মতি
জানালেন। তার
পরও স্যার
ফ্রান্সিস ফ্লাউড
ও কৃষকদরদি
কয়েকজন সদস্য
স্পষ্টই অনুধাবন
করলেন অসাম্য
ও অনাচারের
আইনগত কাঠামোই
হচ্ছে চিরস্থায়ী
বন্দোবস্ত। একে
বাতিল করতেই
হবে। কমিশন
আপত্তি থাকার
পরও চিরস্থায়ী
পত্তন বাতিল
ও সব
ধরনের মধ্যস্বত্ব
বাতিলের সুপারিশ
করল। রায়ত
চলে আসবে
সরাসরি সরকারের
অধীনে। ঔপনিবেশিক
ভূমি ব্যবস্থা
বাতিলের সুপারিশ
নিয়ে বেঙ্গল
ল্যান্ড রেভিনিউ
কমিশনের সুপারিশ
বেঙ্গল লেজিসলেটিভ
কাউন্সিলে দাখিল
হলো ১৯৪০-এর
মার্চে। এক
বছর আট
মাস পর
তা আইনপ্রণেতার
সামনে এল।
ভূমিমন্ত্রী থেকে
শুরু করে
কাউন্সিলের সদস্য—এদের
কয়েকজন জমিদার,
অন্যরা মধ্যস্বত্বভোগী।
কার ঠেকা
পড়েছে নিজের
পায়ে কুড়াল
মারার। বছর
আটেকের জন্য
অত্যন্ত প্রগতিশীল
এ সুপারিশমালা
চলে গেল
কার্পেটের তলায়।
বাংলাদেশের সাধারণ
মানুষের জন্য
সবচেয়ে কল্যাণকর
রিপোর্টটি দাখিল
হয়েছিল ১৯৪০
সালে। তারপর
টানা আট
বছর কার্পেটের
তলায়। কৃষি
ও জমিজমা
নিয়ে অসন্তোষ
তখন চরমে।
এ সুপারিশমালার
অধিকাংশই আইনে
পরিণত হয়
১৯৫০ সালে।
সেই আইনের
নাম পূর্ববঙ্গ
জমিদারির অধিগ্রহণ
ও প্রজাস্বত্ব
আইন। আবুল
কাশেম ফজলুল
হক ও
তার সরকার
এ প্রগতিশীল
উদ্যোগের জন্য
স্মরণীয় হয়ে
থাকবেন।
ইবনে মোতালিব: লেখক





