মোগল হারেম। সে এক অন্য দুনিয়া। সেখানে বেশুমার আড়ম্বর। স্বর্গপুরির মতো। ফলত এ নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা গল্পকথা। অবশ্যই সত্যি-মিথ্যে মিলিয়ে। রূপকথার মতো সেসব আখ্যান। বাইরের দুনিয়া এই শাহি-হারেমে অবাঞ্ছিত। বাদশাহ আর শাহজাদার দল ব্যতীত আর কোনো পুরুষের সেখানে প্রবেশের অধিকার নেই। 

তা কেমন ছিল সেই হারেম? ফ্রাঁসোয়া বার্নিয়ের, ফরাসি পর্যটক এবং ঔরঙ্গজেবের ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ নিয়ে লিখে গেছেন অনেক কথাই। শুরুতেই বার্নিয়েরের স্বীকারোক্তি, ‘জেনানা-মহলের গৃহবিন্যাস বা স্থাপত্যাদি সম্বন্ধে কিছু বলার ক্ষমতা আমার নেই, কোনো পর্যটকেরই নেই।’ (বাদশাহি আমল) মিথ্যে বলেননি সাহেব। অন্যান্য পর্যটকদের বর্ণনা তার এ বক্তব্যকে সমর্থন করে। ফ্রাঙ্কোস কাত্রুর বর্ণনা যেমন। ভদ্রলোক ছিলেন ফরাসি যাজক। এবং ইতিহাসবিদও। এই কাত্রু সাহেব তার ‘হিস্ট্রি অব দ্য মোগল ডাইনেস্টি’তে লিখেছেন, The interior of the Mahal is a mysterious abode, which the eunuchs only are permitted to enter. It may with truth be asserted, that a faithful description of this place has never yet been given by any traveler who has visited India.

জ্যঁ ব্যাপটিস্ট তাভেরনিয়ে, সাগরপারের অন্য এক সাহেবও সমর্থন করছেন তাদের। তাদের মতোই এ ভদ্রলোকও ফরাসি এবং রত্ন ব্যবসায়ী ও পর্যটক। সতেরো শতকে বেশ কয়েকবার ভারত ভ্রমণ করে গেছেন তিনি। শাহজাহান এবং ঔরঙ্গজেব, তাভেরনিয়ে দুজনকেই রাজপাট সামলাতে দেখেছেন। দিল্লির দরবারের অনেক প্রসঙ্গই এসেছে তার লেখায়। তবে হারেম প্রসঙ্গে নীরব তিনি। প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার অভাবেই। তবে বাদশাহরা যে পথে দরবার থেকে হারেমে যাতায়াত করতেন, এর বিস্তৃত বর্ণনা রয়েছে তার লেখায়। তাভেরনিয়ে লিখছেন, ‘হারেমে প্রবেশের প্রথম সিংহদ্বার, যেখানে গভর্নরের থাকার ব্যবস্থা, সেখানে রয়েছে একটি খিলান। এর পেছনদিকটা বন্ধ। এই দরজা দিয়ে পৌঁছে যাওয়া যায় এক বিশাল প্রাঙ্গণে। প্রাঙ্গণের চারদিকটা বারান্দা দিয়ে ঘেরা।...প্রাঙ্গণের সামনে যে দালানের বহর রয়েছে তা যেমন বড়, তেমনি উঁচু।...বড় বারান্দার দেয়ালে একটি কুলুঙ্গি মতো অংশ রয়েছে। সেখান থেকে একটি সিঁড়ি নেমে গেছে হারেমের দিকে। এই সিঁড়ি দিয়েই সম্রাট অন্দরমহলে যাতায়াত করেন। সম্রাট অন্তঃপুরে থাকলে মনে হয় তিনি সমাধিগর্ভে রয়েছেন। ওই সময় সম্রাটের আশপাশে কোনো রক্ষী থাকে না। কারণ সেখানে ভয়ের কোনো কারণ নেই। ওখানে অন্য কারোর প্রবেশের প্রশ্নই ওঠে না। দিনমানে গরমের সময় একটি খোজা থাকে সম্রাটের পাশে। অধিকাংশ সময় তার কোনো পুত্র থাকে সেবা করার জন্য।’ (তাভেরনিয়ের ভারতভ্রমণ) 

লখিন্দরের বাসরগৃহের মতোই এই জেনানা-মহল। প্রায় নিশ্ছিদ্র। বার্নিয়ের ভাগ্যবান। পুরুষ হওয়া সত্ত্বেও হারেমে প্রবেশের সৌভাগ্য হয়েছিল তার। আর সে বেশ কয়েকবার। যদিও সেই যাত্রা ছিল দর্শনসুখবঞ্চিত। দরবারের চিকিৎসক তিনি। সেই সুবাদেই ডাক পড়েছিল তার। হারেম কন্যাদের চিকিৎসার জন্য। তবে সেই যাওয়া ছিল অন্ধের মতো। চোখে কাপড় বেঁধে অন্দরে নিয়ে গিয়েছিল তাকে খোজারা। এর ওপর আবার কাশ্মীরি শাল দিয়ে আপাদমস্তক মোড়া। খোজারা পথ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় অবশ্য সাহেবের আগ্রহ দেখে তাকে হারেমের বর্ণনা দিয়েছিল। আর বাদশাহ যখন তার বেগমদের নিয়ে রাজধানীর বাইরে, তখনো একে-তাকে ধরে বেশ কয়েকবার হারেমের অন্দরে উঁকি দিয়েছিলেন তিনি। তবে সেই দেখাও প্রায় না-দেখারই শামিল। 

স্বভাবতই কৌতূহলী হয়েছিলেন সাহেব। এতটাই যে সুযোগ পেলেই খোজাদের হাতে স্বর্ণমুদ্রা গুঁজে দিয়ে তিনি শুনতে বসতেন হারেমের রূপকথা। তার ভ্রমণবৃত্তান্তে রয়েছে সেই সব আখ্যান, ‘খোজারা বলল, হারেমের জেনানা-মহলে সুন্দর সুন্দর সব কোঠাঘর রয়েছে। বিশাল বিশাল সব ঘর। প্রত্যেকটি স্বতন্ত্র। একটি কোঠার সঙ্গে অন্য কোঠার যোগাযোগ নেই কোনো। এই ঘরগুলোর বাহার ও বাইরের পরিপাটি দেখলে চোখ ঝলসে যায়। যেমন জেনানা তেমনি তার কোঠা। খানদানি, বাদশাহ-সোহাগি বেগম হলে তার গৃহ সমৃদ্ধি ঘোষণা করে। আর যদি কোনো কন্যা বাদশাহর সোহাগে বঞ্চিত হয়? তার কক্ষের ম্লান আলো প্রচার করে সে কথা। এই জেনানা-মহলের চারদিকেই সাজানো বাগিচা। প্রত্যেক কোঠাঘরের সামনে একটি করে জলাধার। রয়েছে সুন্দর রাস্তা, ছায়াঘেরা কুঞ্জবন, ঝরনা, ভূগর্ভস্থ কক্ষ, উঁচু মঞ্চ ও তোরণ। এমনভাবে সব ব্যবস্থা করা হয়েছে যে গ্রীষ্মের উত্তাপ বেগম-মহলকে স্পর্শ করতে পারে না। সূর্যকে আড়াল করে আরাম দেয়ার মতো আরাম-কুঞ্জ রয়েছে সেখানে। আবার উঁচু মঞ্চের ওপর শুয়ে জোছনা ও ঠাণ্ডা হাওয়া উপভোগের ব্যবস্থাও রয়েছে। নদীর মুখোমুখি ছোট মিনারটির তো উচ্ছ্বসিত প্রশংসা শুনেছি খোজাদের মুখে! এই মিনারটি নাকি সোনার পাত দিয়ে মোড়া, আগ্রার দুটি মিনারের মতো। এর কোঠাগুলোও স্বর্ণমণ্ডিত এবং নানা রকম রঙিন চিত্রে শোভিত। বড় বড় আয়নাও রয়েছে দেয়ালের গায়ে লাগানো। (বাদশাহি আমল) 

বলাবাহুল্য এই আধো-দেখা না-দেখা পর্যটকদের কৌতূহল বাড়িয়ে তুলেছে। ফলত বেগমরা জেনানা-মহলের বাইরে পা রাখলেই তারা উঁকিঝুঁকি দেয়ার চেষ্টা করেছেন। হ্যাঁ, বেগমদের যাপন শুধু হারেমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। বাদশাহর রাজনৈতিক সফর থেকে যুদ্ধযাত্রা, প্রমোদভ্রমণ কিংবা শিকার যাত্রারও সঙ্গী হয়েছেন তারা। তখন দুচোখে পৃথিবীর সমস্ত সৌন্দর্য শুষে নিয়ে তারা আবার ফিরে এসেছেন অন্দর-জীবনে। অবসর মুহূর্তে সেই সৌন্দর্যের নির্যাস তাদের দিয়েছে সুখের-ঝাঁপির সন্ধান।

বাবর-হুমায়ুনের আমলে মোগল কন্যারা সেই অর্থে ঠিক হারেম-কন্যা ছিলেন না। বরং ছিলেন যথেষ্টই স্বাধীন। আসলে রাজনৈতিক কারণে বাবর এবং হুমায়ুনকে যাযাবরের মতো এদিক-ওদিক ছুটে বেড়াতে হয়েছে। কখনো মোগলিস্তান, কখনো অন্যত্র। হারেম-কন্যারা তাদের অনুসরণ করেছেন। ঘোড়ায় চড়ে পরিবারের পুরুষদের সঙ্গে তারা ছুটে বেরিয়েছেন এদিক-ওদিক। সেই ছিন্নমূল যাপনে পর্দা নিয়ে তেমন বাড়াবাড়ির সুযোগ ছিল না। তবে একেবারেই ছিল না এমন নয়। বলা ভালো, তখনো পর্দা ছিল, তবে তেমন কড়াকড়ি ছিল না। এর আমদানি আকবরের আমলে। কেন এই কড়াকড়ি, সে ভিন্ন প্রসঙ্গ। 

তা যা বলছিলাম, মোগল বাদশাহদের পায়ের নিচে ছিল শর্ষে। ভ্রমণে তারা আনন্দ পেতেন। বিশেষ করে কাশ্মীরের প্রতি ছিল তাদের প্রবল আকর্ষণ। বছরে একবার তাদের কাশ্মীরে যাওয়া চাই-ই চাই। বাদশাহ জাহাঙ্গীর তো সারা বছরই ঘুরে বেড়াতেন। কখনো আগ্রা দিল্লি লাহোর কাবুল হয়ে আগ্রায় ফিরে আসা, আবার কখনো আগ্রা-আজমির-আহমেদাবাদ-উজ্জয়িনী হয়ে আবার আগ্রা। শেষ কয়েক বছর তো শুধুই কাশ্মীর আর লাহোর, লাহোর আর কাশ্মীর। বাদশাহ কোথাও গেলে তার কোষাগার থেকে রাজধানীর সব দপ্তর সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়াই ছিল রেওয়াজ। বার্নিয়েরের লেখায় রয়েছে সেই যজ্ঞের সুন্দর বর্ণনা, ‘রাজধানী প্রধানত রাজাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে এবং রাজা না থাকলে রাজধানী হতশ্রী হয়ে যায়। দিল্লি ও আগ্রা এমনই রাজসর্বস্ব রাজধানী। রাজা থাকেন বলে তার শ্রী থাকে, রাজা না থাকলে শ্রীহীন হয়ে যায়। রাজধানী ছেড়ে রাজা যখন কোনো জায়গায় যান, তখন মনে হয় যেন গোটা রাজধানীটাই তার সঙ্গে সঙ্গে চলেছে। এ দৃশ্য স্বচক্ষে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। আমির-উমরা, আমলা-অমাত্য, সাঙ্গোপাঙ্গ, দাসদাসি, কারিগর-কারখানার সঙ্গে উষ্ট্রশালা, হাতিশালা, অশ্বশালা, সব সম্রাটের সঙ্গে চলতে থাকে। মনে হয় যেন রাজার সঙ্গে রাজধানীও চলেছে। রাজধানী একেবারে শূন্য হয়ে যায়।... শিবির গুটিয়ে সেনাপতি যেমন স্থান থেকে স্থানান্তরে যাত্রা করেন, তেমনি হিন্দুস্তানের সম্রাটও তার রাজধানী গুটিয়ে নিয়ে অন্যস্থানে যান।... এই যাত্রায় বেগমরাও বাদশাহর সঙ্গী। এর সঙ্গে থাকে গঙ্গার জল ও হরেক রকমের জিনিসপত্র। এত জিনিস, এত সাজ-সরঞ্জাম, কোনো সম্রাটের দরকার পড়ে না কখনো।’ (বাদশাহি আমল) 

শুধু বাদশাহের সঙ্গী হিসেবেই নয়, কখনো কখনো শাহজাদি কিংবা বেগমরা হারেমের বাইরে পা রাখতেন নিজস্ব প্রয়োজনেও। মসজিদ থেকে দরগা, আমিরদের হারেম কিংবা জ্যোতিষীর কাছে গেলে এক বিশাল শোভাযাত্রা অনুসরণ করত তাদের। সেই শোভাযাত্রার বর্ণনা দিতে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা নিজেদের উচ্ছ্বাস চেপে রাখতে পারেননি। এ উচ্ছ্বাস প্রকাশের এক বিশেষ কারণও রয়েছে। আসলে এ অভিজ্ঞতা প্রত্যেককে সঞ্চয় করতে হয়েছে জান বাজি রেখে, 

‌It is with difficulty that this ladies can be approached, and they are almost inaccessible to the sight of men.

বেগমরা পর্দানশিন। কড়া পাহারায় হারেমের বাইরে তাদের পা রাখা। এ নিয়ে এতটাই কড়াকড়ি ছিল যে শাহজাদিদের কাফেলা দেখতে পেলেই আম-আদমিরা বাড়ি-ঘর এমনকি গ্রাম-শহর ছেড়েও পালাত। বেগমদের পালকি ঘিরে সবসময় দশাসই সব খোজা প্রহরীদের কড়া পাহারা। সেই খোজাদের সামনে পড়ে গেলে আর রক্ষা নেই, 

in that country life itself is forfeited if a man be within sight even of the eunuchs, although he should be half a league distant from the women; and all the male inhabitants of the towns and villages through which the seraglio used to pass must abandon their homes and fly to the considerable distance.’ (Francois Bernier : Travels in the Mughal Empire, AD 1656-1668)

এই বর্ণনা বার্নিয়ের সাহেবের। নিকোলা মানুচ্চি, ইতালির এক পর্যটক এবং চিকিৎসকের মুখেও শুনি একই কথা, 

…push on one side everyone they find in front of them, shouting out, pushing and assaulting everyone without the least respect of persons.’ (Nikolao Manucci, Storia Do Mogor, Vol 1) 

না, শুধু আম-আদমিরাই নন, বেগমদের কাফেলার সামনে পড়লে আমিররাও নাকাল হতেন খুব, 

woe to any unlucky cavalier, however exalted in rank, who meeting the procession is found too near. Nothing can exceed the insolence of the tribes of eunuchs and footmen which he has to encounter, and the eagerly avail themselves of any such opportunity, to beat a man in the most unmerciful manner.’ (Francois Bernier: Travels in the Mughal Empire, AD 1656-1668)

এই যখন পরিস্থিতি, তখন শাহজাদিদের কাফেলা নিয়ে আতঙ্ক থাকাটাই স্বাভাবিক। বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা, আর খোজা প্রহরীদের পাল্লায় পড়লে! তখন যে কী হয়, সে আমির-উমরা থেকে আম-জনতা সবাই ভালো করে জানে। অতএব, ‘য পলায়তে স জীবতি’। 

তা চাইলেই কি আর সবসময় পালানো যায়! যায় না বলেই মন না চাইলেও অনেক সময় মুখোমুখি হওয়াটা এড়ানো যেত না। তা কী আর করা! তখন শাহি রীতি-রেওয়াজ মেনে আনুগত্য প্রকাশ করতে হতো। কী ছিল সেই রীতি? মানুচি দিচ্ছেন সেই বর্ণনা, 

If perchance any noble with his retinue is met on the road, he, being anxious to acquire such protectors at court, persons through whose hands pass the most important affairs, withdraws from the road by way of respect and reverence. He dismounts and stands with his hands crossed at a distance of two hundred paces, less or more. There he waits until the lady has come close, when he makes a low bow, showing his expectation of some honour.’ (Nikolao Manucci, Storia Do Mogor, Vol 1) 

বার্নিয়ের সাহেবের কপাল ছিল মন্দ। আনুগত্য প্রকাশ করেও রেহাই পাননি তিনি। সে এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা সাহেবের। সেবার বরাত জোরেই প্রাণটা বেঁচেছিল তার। বার্নিয়ের সাহেবের মুখেই শুনুন তার সেই অভিজ্ঞতার কথা: 

I shall not easily forget being once surprised in a similar situation, and how narrowly I escaped the cruel treatment that many cavaliers have experienced: but determined not to suffer myself to be beaten and perhaps maimed without a struggle, I drew my sword, and having fortunately a strong and spirited horse, I was enabled to open a passage, sword in hand, through a host of assailants, and to dash across the rapid stream which was before me.

বিপদ কাটল। তা এমন বিপদ সেকালে আকছার ঘটত। বার্নিয়ের নিজেও এমন অনেক ঘটনার সাক্ষী। এমন অভিজ্ঞ লোকই তো অন্যদের সাবধান করে এ কথা বলতে পারেন,

It is indeed a proverbial observation in these armies that three thigs are to be carefully avoided: the first, getting among the choice and led horses, where kicking abounds; the second, intruding on the hunting ground; and the third a too near approach to the ladies of the Seraglio. 

এই শেষোক্ত ব্যাপারটাই ছিল সবচেয়ে মারাত্মক, 

It is much worse…

বলতে গেলে জান বাজি রেখেই এ অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছিলেন বার্নিয়ের। শাহজাদিদের কাফেলা তাই এত গুরুত্ব পেয়েছে তার লেখায়। হারেমের জৌলুশ নিয়ে সাহেবের এত উচ্ছ্বাস এ কারণেই, 

I cannot avoid dwelling on this pompous procession of the Seraglio. It strongly arrested my attention during the late march, and I feel delight in recalling it to my memory. 

সময় প্রবীণ হয়। প্রবীণ হয় পর্দার এ রূপকথাগুলোও। তবু এর আকর্ষণ কমে না। বরং আজও এ কথকতাগুলো পুলক ছড়ায়। 

জয়িতা দাস: আসামের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও ‘পর্দা পুরাণ’ গ্রন্থের লেখিকা