পারস্য বা ইরান বর্তমান বিশ্বে আলোচিত নাম। চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ এবং এর সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় রাষ্ট্রটি এ মুহূর্তে পৃথিবীজুড়ে প্রতিটি মুহূ্র্তের জন্য প্রাসঙ্গিক। পারস্য জাতির উৎপত্তি ও ইতিহাস অত্যন্ত প্রাচীন এবং সমৃদ্ধ। একাধিক সভ্যতার জন্মস্থান ও নানা সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এ অঞ্চল।

পারস্যের নামকরণ সম্পর্কে ইতিহাসবিদ শচীনন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের ‘ইরানের ইতিকথা’ শীর্ষক গ্রন্থ থেকে জানা যায়, ওই অঞ্চলের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ‘ফারস’ নামে একটি প্রদেশ ছিল। এর প্রাচীন নাম ‘পারসা’। পরবর্তী সময়ে পারসা থেকেই দেশের নাম হয়েছে ‘পারস্য’।

পারস্যের ইতিহাস যেমন সমৃদ্ধ তেমন বিচিত্রও। প্রাচীনকাল থেকেই এ দেশে বহু বছর ধরে একাধিক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তন দেখা গেছে।

ইসলামের আগমনের আগ পর্যন্ত পারস্যে একাধিক ধর্মের প্রচার-প্রসার ও প্রভাব দেখা যায়। এর মধ্যে প্রাচীনকালের প্রকৃতি পূজা, ম্যাগি সম্প্রদায়ের দেবতা পূজা, ইতিহাস বিখ্যাত জরথুস্ত্রবাদ ও রহস্যবাদ অন্যতম।

ইসলাম পারস্যে আগমন ঘটে মূলত সপ্তম শতাব্দীতে। ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মৃত্যুর (৬৩২ খ্রি.) পর তার উত্তরাধিকারী খলিফা আবু বকর (রা.) ইসলামের খলিফা নিযুক্ত হন। ৬৩৪ খ্রি. হজরত আবু বকর (রা.) মৃত্যুর পর ওমর (রা.) (৬৩৪-৬৪৪ খ্রি.) দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পারস্যে মুসলামানদের অভিযান শুরু হয় খলিফা আবু বকর (রা.)-এর আমলে। দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর (রা.) আমলে এটি পূর্ণতা পায়।

তখন সাসানীয় বংশের শেষ সম্রাট তৃতীয় ইয়াজদেগার্দ পারস্যের শাসক ছিলেন। সে সময় এ সাম্রাজ্যের প্রতাপ ও নিয়তি ছিল নিম্নগামী। অন্যদিকে আরবের ইসলাম ধর্মের প্রচার-প্রসার ছিল দ্রুতগতির। অর্থ্যাৎ পারস্যে সাসানীয়দের সূর্য যখন ডুবতে শুরু করেছে, ইসলাম তখন আলো ছড়াচ্ছে, আরবের সীমানা পেরিয়ে পৌঁছে যাচ্ছিল পাশের শহর ও দেশে।

পারস্য সম্রাজ্ঞী বুরানের শাসনামলে মুসান্না বিন হারিনা ইরাক বিজয়ের দিকে নজর দেন। মুসান্না ছিলেন আরবের বনি বকর গোত্রের প্রধান। এ গোত্র আরব উপদ্বীপের উত্তর-পূর্বাংশে ইরাকের দক্ষিণ প্রান্ত বরাবর বাস করত। এ সময় পারস্য সাম্রাজ্যের শাসন ব্যবস্থা ছিল দুর্বল। এ সুযোগে মুসান্না তার গোত্রের লোকদের সংগঠিত করে ইরাকে ক্ষুদ্র আকারে ঝটিকা অভিযান শুরু করেন। প্রথমে ইরাকে সীমান্তের কাছাকাছি এবং ইরাকের অভ্যন্তরে টাইগ্রিস নদীর তীরবর্তী কসকর এলাকা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করেন। পারস্য বাহিনী তাদের দমনে অনেকটাই ব্যর্থ হয়। মুসান্না ঝটিকা অভিযান করে আবার তার নিজ এলাকায় চলে যেতেন।

প্রাথমিক ও পরীক্ষামূলক এ সাফল্যে মুসান্না খুবই উৎসাহিত হন। একই সঙ্গে পারসিয়ানদের সামরিক দুর্বলতাগুলো বিশ্লেষণ করেন। লে. জেনারেল এআই আকরামের লেখা মুসলমানদের পারস্য বিজয় গ্রন্থে উল্লেখ, ৬৩৩ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারিতে মুসান্না খলিফা হজরত আবু বকর (রা.)-এর দরবারে উপস্থিত হন। তার প্রত্যক্ষ করা ইরাকের নাজুক পরিস্থিতি, পারস্য সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা এবং যুদ্ধে জয়ী হতে পারলে বিভিন্ন সুবিধা অর্জনের কথা উপস্থাপন করেন। খলিফা আবু বকর (রা.)কে আরো জানানো হয় পারস্যের সেনারা দ্রুতগতিসম্পন্ন প্রতিপক্ষের সঙ্গে যুদ্ধে সুবিধা করতে পারে না। এটা তাদের বড় সামরিক দুর্বলতা। খলিফা কর্তৃক মুসান্নাকে তার সেনাদের কমান্ডার নিয়োগ, পারস্যে সাম্রাজ্যে অভিযান পরিচালনা করা এবং একই সঙ্গে শত্রু থেকে নিজেদের এলাকার রক্ষার অনুমিত চাওয়া হয়। খলিফা তার আবেদন অনুমোদন করেন এবং মুসান্নাকে বনু বকর গোত্রের সব মুসলিমের মাঝে কমান্ডার নিয়োগ করেন। উত্তর-পূর্ব আরবে ফিরে এসে মুসান্না দুই হাজার সদস্যের একটি বাহিনী গঠন করেন। পারস্য অভিমুখে আগের তুলনায় আরো শক্তিশালী ও দ্রুতগতিতে আক্রমণ করতে শুরু করেন। এর মধ্যে হযরত খলিফা আবু বকর আরবের খ্যাতিমান মুসলিম বীর খালিদ বিন ওয়ালিদের কাছে পত্র পাঠান যে ইরাকের দিকে অগ্রসর হও। পারস্য এবং ওই অঞ্চলের অন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাভিযান শুরু করো।

Shahnameh3-1

কাদিসিয়ার যুদ্ধ। শাহনামার পাণ্ডুলিপি থেকে

খালিদ বিন ওয়ালিদ তখন ইয়ামামায় ছিলেন। ৬৩৩ খ্রিস্টাব্দের মার্চে খালিদ বিন ওয়ালিদ উবাল্লা অঞ্চলের পারসিক গভর্নর হরমুজের কাছে চিঠি লেখেন যে ‘ইসলাম গ্রহণ করুন ও নিরাপদে থাকুন। অথবা জিজিয়া (কর, যা অমুসলিদের যুদ্ধে যোগদান থেকে অব্যাহতি ও মুসলিম শাসকদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা পাওয়ার বিনিময়ে নেয়া হতো) প্রদানের শর্তে আপনি ও আপনার লোকজন নিরাপত্তা লাভ করতে পারেন। নইলে পরবর্তী পরিণতির জন্য আপনাকে অনুশোচনা করতে হবে। কেননা আমি যে বাহিনী নিয়ে অগ্রসর হচ্ছি, তারা প্রবলভাবে মৃত্যুকে ভালোবাসে, যেমনিভাবে তোমরা জীবনকে ভালোবাসো।’ এ চিঠিতে হরমুজ খুবই ক্ষিপ্ত হন। পারস্য বাহিনী নিয়ে হরমুজ ইয়ামামা থেকে আগত পথে কাজিমায় যাত্রা করেন।

খালিদ বিন ওয়ালিদ ছিলেন পরীক্ষিত ও দক্ষ সেনানায়ক। তিনি পারস্য বাহিনীর সৈন্যসংখ্য, দক্ষতা ও সমরাস্ত্র সম্পর্কে বিস্তৃত তথ্য সংগ্রহ করেন। এরপর তিনি সম্মুখযুদ্ধের আগেই পারস্য বাহিনীকে যাত্রাপথে দুর্বল করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। হরমুজের ঘাঁটি উবাল্লাকে হুমকিতে ফেলতে উবাল্লার দিকে হুফেইরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। খবর পেয়ে হরমুজ হুফেইর অভিমুখে যাত্রা করেন। খালিদ তখন গতিপথ পরিবর্তন করে কাজিমার দিকে যাত্রা করেন। হরমুজও তার বিশাল বাহিনী নিয়ে আবার কাজিমার দিকে যান। খালিদ সেখানে পারস্য বাহিনীর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এর মধ্যে দুদিনের যাত্রায় পারস্য বাহিনী ক্লান্ত। ঠিক তখন খালিদ পারস্য বাহিনী মুখোমুখি হন এবং যুদ্ধের আমন্ত্রণ জানান। যুদ্ধটি হয় ৬৩৩ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে। যুদ্ধে পারস্যের হরমুজ বাহিনী মুসলিম যোদ্ধাদের সঙ্গে তেমন প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ হয়। হরমুজ খালিদ বিন ওয়ালিদের সঙ্গে দ্বৈত যুদ্ধে নিহত হন। হরমুজের বাহিনী সম্পূর্ণরূপে পরাজিত হয়।

সে বছরে এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহে কাজিমাও নদী এলাকার যুদ্ধেও খালিদের কাছে পারস্য বাহিনী হেরে যায়। ঐতিহাসিক আল তাবারির মতে, এ যুদ্ধে পারস্য বাহিনীর ৩০ হাজার সেনা নিহত হয়।

পরে পারস্যের সাসানীয় সম্রাট তৃতীয় ইয়াজদেগার্দ জেনারেল বাহমনকে কমান্ডার নিয়োগ করেন। মে মাসের শুরুতে আন্দারঝাঘরে খালিদের বাহিনীর সঙ্গে বাহমনের বাহিনীর আরেকটি বড় যুদ্ধ হয়। এখানে খালিদের রণকৌশলের কাছে বিপর্যস্ত হয় পারসিকরা। খালিদ তার বাহিনীর একটি অংশ দিয়ে পারসিকদের সম্মুক যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে, অন্য অশ্বরোহী বাহিনীকে পাহাড়ের আড়াল হয়ে ঘুরে পারসিক বাহিনীর ওপর আক্রমণ করান। এভাবে দুদিকের আক্রমণ পারস্য বাহিনী পরাজিত ও বাকিরা পলায়ন করে। পরে খাসিফ নদীর তীরে মুসলমানদের সঙ্গে পারস্য বাহিনীর আরেকটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়। সেখানেও খালিদের বাহিনী জয়ী হন। খালিদের নেতৃত্বে চারটি যুদ্ধের পরও মুসলিম বাহিনীর সঙ্গে আরো কয়েকটি যুদ্ধ হয় পারস্য বাহিনীর। সে যুদ্ধগুলোয়ও মুসলমানরাই জয়ী হন।

পরে মুসলিম বাহিনী প্রখ্যাত শহর হীরা অবরোধ করেন। সেখানকার শাসনকর্তা আত্মসমর্থন করেন। খলিফাকে নির্দিষ্ট কর দিতে রাজি হয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হন। হীরা বিজয়ের পর খালিদের নেতৃত্বে আনবার ও আইনুততামুর মুসলমানদের দখলে আসে।

মুসলমানরা পারস্যের হুলওয়ার অধিকারের পর পারস্যের বাহিনীর সঙ্গে আবারো চুক্তি হয়। এরপর খলিফা হজরত ওমর (রা.) মুসলিম বাহিনীকে আরব নিয়ন্ত্রিত ইরাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে নির্দেশ দেন। কিন্তু এর মধ্যে বাহরাইনের শাসনকর্তা আল-আলা পারস্য সাগরের পশ্চিম উপকূল অধিকার করেন। কিন্তু বিপরীত দিক থেকে শত্রুর আক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হয়। তার বাহিনী (৬৩৮ খ্রি.) ফারিস উপকূলে অবস্থান নেন। কিন্তু শত্রুবাহিনীর দ্বারা ঘেরাওয়ের কবলে পড়েন। এ সংকটকালে খলিফা ওমরের নিকট সাহায্যের আবেদন পাঠান। খলিফা আল-আলার এমন অভিযানে অসন্তুষ্ট হলেও সাহাবি উতবার নেতৃত্বে সেনা পাঠান খলিফা ওমর। উতবা ১২ হাজার সেনা নিয়ে অগ্রসর হয়ে মুসলিম বাহিনীকে উদ্ধার করে বসরায় ফেরত আনেন।

৬৪২ খ্রিস্টাব্দে মুসলিম সেনাবাহিনী দ্রততার সঙ্গে দক্ষিণ পারস্য ও ইস্পাহানের দিকে অগ্রসর হয়। এর বিপরীতে দেড় লাখ পারস্য সেনা মোতায়েন করা হয়। আর মুসলিম বাহিনী ছিল ৩০ হাজার; নেতৃত্বে নোমান বিন মুকরান। হামাদানের নিহাওয়ান্দে পারস্য সেনাদের সঙ্গে মুসলিম সেনাদের যুদ্ধ হয়। এটি নিহাওয়ান্দের যুদ্ধ নামে পরিচিত। যুদ্ধে পারস্য সেনারা পরাজিত হয়। ফলে পারস্য সাম্রাজ্যের শক্তি খুবই দুর্বল ও ধ্বংস হয়ে যায়। তবে যুদ্ধে মুসলিম সেনাপতি নোমান মৃত্যুবরণ করেন।

এ ঘটনায় পারস্য সম্রাট ইয়াজদেগার্দ প্রথমে ইসফাহানে, পরে কিরমান এবং সেখান থেকে আফগানিস্তানের বলখ শহরে পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন। এ যুদ্ধের সাফল্য মুসলমানদের অন্যান্য যুদ্ধে জয়ের অনুপ্রেরণা দেয়। এজন্য আরব ঐতিহাসিকরা এটিকে ‘The victory of victorious’ বলে অ্যাখ্যায়িত করেন। নিহাওয়ান্দের যুদ্ধের ব্যাপক সাফল্যের পর খলিফা ওমর মুসলিম সেনাপতিদের পারস্যের বাকি প্রদেশগুলোয় অগ্রসর হতে নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় পারস্যের কিরমান, মাকরান, সিজিস্তান, খোরাসান ও আজারবাইজান মুসলমানদের অধিকারে আসে।

পারস্যে ইসলামের প্রসার ও প্রভাব: ইসলাম আসার পর পারস্য অঞ্চলের মানুষ ধীরে ধীরে ইসলামের উদারতা ও মানবিক রীতনীতির প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে। তবে ইসলাম গ্রহণের প্রক্রিয়া ছিল ধীর এবং প্রচলিত ধর্মীয় চিন্তাভাবনার পরিবর্তন হতে সময় নেয়। পারস্যের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে উর্মিয়া, তেহরান ও খোরাসান এলাকায় মুসলিম সংস্কৃতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

পারস্যে মুসলিম শাসনকালে বিজ্ঞান, গণিত, চিকিৎসা ও অন্যান্য শাখায় অনেক উন্নতি হয়। মুসলিম শাসকেরা শিক্ষাকে গুরুত্ব দেন এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়। যেমন বাগদাদে বিখ্যাত"বাইতুল হিকমাহর প্রভাব পারস্য অঞ্চলে স্পষ্ট ছিল এবং অনেক পারস্য নাগরিক বিজ্ঞান, গাণিতিক সূত্র ও চিকিৎসাশাস্ত্রে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন।

পারস্যের স্থাপত্যেও এক বিপ্লব ঘটে। ইসলামী স্থাপত্যশৈলী, যেমন মসজিদ, মিনার এবং সুন্নাত-প্রথিত স্থাপত্যকাঠামো গড়ে ওঠে। এ সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ ছিল ইস্পাহানের মসজিদ এবং অন্যান্য ইসলামী ধর্মীয় স্থাপত্য।

ইসলাম আগমনের পর যদিও পারস্যের জনগণ তাদের পুরনো সংস্কৃতি এবং ভাষা বজায় রেখেছিল, তবে জাতিগত ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পরিবর্তন ঘটে। ইসলাম, বিশেষ করে শিয়া মতবাদ, পারস্যের জাতিগত পরিচয়ের একটি অংশ হয়ে ওঠে। একে বলা যেতে পারে একটি নতুন ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক ধারা, যা পারস্য জাতির স্বতন্ত্র ধর্মীয় বৈশিষ্ট্য।

মুসলমানদের বিজয়ের ফলে পারস্যে যে পরিবর্তন ঘটে, তা কেবল এক জাতিগত বা ধর্মীয় পরিবর্তনই ছিল না, বরং এটি পারস্যের ইতিহাস, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, বিজ্ঞান এবং রাজনীতির ভিতকে এক নতুনরূপে গঠন করে। আজও পারস্য বা ইরানের মুসলিম সমাজ বিশ্বসভ্যতায় তার প্রভাব বজায় রেখেছে।

সহায়ক তথ্যসূত্র:

১. লে. জেনারেল এআই আকরাম, মুসলমানদের পারস্য বিজয়- পারস্য সাম্রাজ্য বিজয় অভিযানসমূহের বর্ণনা (কর্নেল মো. আব্দুল বাতেন অব. অনূদিত), জিনিয়াস পাবলিকেশন্স, ২০২৩।

২. ড. মো. আবু দেলোয়ার হোসেন ও মো. আব্দুল কুদ্দুস সিকদার, সভ্যতার ইতিহাস- প্রাচীন ও মধ্যযুগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনী, ২০০৪।

বাশার খান: সহসম্পাদক, বণিক বার্তা