কাতার বিশ্বকাপের মূলপর্বে এরই মধ্যে পৌঁছে গেছে ৩০টি দল। স্বপ্নের মঞ্চে এখনো দুটি জায়গা পূরণের বাকি আছে। আন্তঃমহাদশীেয় প্লে-অফ খেলে দুই দল সেই জায়াগা পূরণ করবে। আগামী দুদিনের মধ্যেই ৩২ দল পেয়ে যাবে ‘ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২’।

আগামীকাল আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ ফাইনালে মুখোমুখি হবে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের প্রতিনিধি অস্ট্রেলিয়া ও লাতিন আমেরিকা তথা কনমেবল থেকে আসা পেরু। বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় ম্যাচটি শুরু হবে। এ ম্যাচ থেকে যে দল জিতবে তারা উঠে যাবে কাতার বিশ্বকাপে। ‘ডি’ গ্রুপে ফ্রান্স, ডেনমার্ক ও তিউনিসিয়ার সঙ্গে যুক্ত হবে তারা।

মঙ্গলবার রাত ১২টায় আরেকটি আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ ফাইনালে মুখোমুখি হবে ওশেনিয়া ফুটবল ফেডারেশন থেকে আসা নিউজিল্যান্ড ও কনকাকাফ থেকে আসা কোস্টারিকা। এখান থেকে যে দল জিতবে মরুর দেশের বিশ্বকাপ আসরে ৩২তম জায়গাটি দখল করবে তারা। দলটি বিশ্বকাপের ‘ই’ গ্রুপে যোগ দেবে। কাতার বিশ্বকাপের মৃত্যুকূপও এটি। কারণ গ্রুপটিতে আছে ইউরোপের ফুটবল পরাশক্তি স্পেন, জার্মানি ও এশিয়ার পরাশিক্ত জাপান।

অস্ট্রেলিয়া এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের পাঁচটি আসরে খেলেছে। ২০০৬ থেকে শেষ চার বিশ্বকাপ আসরেই খেলেছে ‘সকারু’রা। অবশ্য শেষ তিন আসরে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় ঘটে তাদের।

১৯৭৪ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলে অস্ট্রেলিয়া। এবার এএফসি থেকে সরাসরি বাছাই পর্ব উতরাতে পারেনি শক্তিশালী এ দলটি। প্লে-অফ সেমিতে আরব আমিরাতকে ২-১ গোলে হারায় তারা। এবার তাদের প্রতিপক্ষ পেরু, যারা লাতিন বাছাইপর্বে পঞ্চম হয়ে প্লে-অফের টিকিট পেয়েছে। পেরু ১৯৩০ বিশ্বকাপের প্রথম আসরে খেলে। এরপর ১৯৭০, ১৯৭৮, ১৯৮২ ও ২০১৮ বিশ্বকাপের মূলপর্বেও খেলেছে।

কোস্টারিকা ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলার কৃতিত্ব দেখায়। ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপসহ চারটি আসরে খেলেছে দলটি। এবার কনকাকাফ (উত্তর ও মধ্য আমেরিকা) থেকে সরাসরি বাছাই পর্ব উতরাতে পারেনি তারা। আন্তঃমহাদেশীয় ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড এ পর্যন্ত দুটি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছে; প্রথম ১৯৮২ সালে ও সর্বশেষ ২০১০ সালে। দুবারই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে কিউইরা। ওশেনিয়া থেকে একমাত্র দল হিসেবে এক যুগ পর তাদের সামনে আবারো সুযোগ এসেছে বিশ্বকাপ খেলার। বিবিসি, ফিফা ডটকম