ক্যারিয়ারের সোনালী সময়টা হয়তো কাটিয়ে ফেলেছেন ৩৭ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তার দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডও এবার খেলছে ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্লাব প্রতিযোগিতা ইউরোপা লিগে। তবু জনপ্রিয়তা কমছে না পর্তুগিজ সুপারস্টারের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে অনুসারীর বিচারে এখনো লিওনেল মেসি, নেইমার ও কিলিয়ান এমবাপ্পের চেয়ে অনেক এগিয়ে রয়েছেন তিনি। তাই এখানে আয়ও তার সবার চেয়ে বেশি।

 

গত এক বছরে রোনালদোর অনুসারী ৪৮ শতাংশ বেড়েছে। এতে আয়ও বাড়ছে তার। বিশ্লেষক নিয়েলসেন গ্রেসনোটের মতে, প্রতিটি পোস্ট থেকে গড়ে ৩৫ লাখ ডলার আয় করেন রোনালদো।

 

ম্যানইউতে রোনালদোর সতীর্থ জ্যাডন সাঞ্চো সবচেয়ে প্রভাবশালী ইংলিশ খেলোয়াড় ও বার্সেলোনায় সদ্যই চুক্তি নবায়ন করা তরুণ খেলোয়াড় গাভি ‘ব্রেকথ্রু স্টার’ হয়েছেন, যার অনুসারী বেড়েছে ৫,১৬৫%।

 

মোট অনুসারীর সংখ্যা, অনুসারীর প্রবৃদ্ধি, পোস্টে সম্পৃক্ততার হার ও ইনস্টাগ্রামে প্রতি পোস্টের গড় ব্র্যান্ড ভ্যালু মিলিয়ে র্যাংকিং তৈরি করে থাকে গ্রেসনোট, যা কোনো খেলোয়াড়ের মোট ভ্যালু নির্দেশ করে।

 

ইনস্টাগ্রামে মোট ৪৮ কোটি অনুসারী রয়েছে রোনালদোর, সেখানে মেসির ৩৬ কোটি। গত ১২ মাসে মেসির অনুসারী বেড়েছে ৩৮ শতাংশ এবং প্রতি পোস্ট থেকে তিনি আয় করেন ২৬ লাখ ডলার।

 

প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) খেলা মেসি, নেইমার ও এমবাপ্পে ত্রয়ী তালিকায় যথাক্রমে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছেন এবং প্রতি পোস্ট থেকে তাদের গড় আয় ১০ লাখ ডলার।

 

শীর্ষ দশের খেলোয়াড় হিসেবে ১২ মাসে সবচেয়ে বেশি (৯০%) অনুসারী বেড়েছে রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় ভিনিসিউস জুনিয়রের, যিনি গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে লিভারপুলের বিপক্ষে রিয়ালের জয়সূচক গোল করেন।

 

শীর্ষ দশে নিজের পোস্টে সবচেয়ে বেশি সম্পৃক্ততা চেলসি তারকা এনগোলা কান্তের (১১%)। উদীয়মান তারকাদের মধ্যে গাভির সম্পৃক্ততা ৩০ শতাংশ। ৫ হাজার শতাংশ বেড়ে তার অনুসারী এখন ৬২ লাখ।

 

দল হিসেবে ২০২২ সালে সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী ফ্রান্স, যাদের অফিশিয়াল পেজের অনুসারী ১ কোটি ১৭ লাখ। তারা ব্রাজিল ও পর্তুগালকে সরিয়ে এক নম্বরে উঠেছে। ব্রাজিলের অনুসারী ১ কোটি ১৩ লাখ, আর পর্তুগালের ১ কোটি ৩ লাখ। উল্লেখ্য, পর্তুগাল দলের অনুসারীদের মধ্যে ৮৬ শতাংশই থাকেন ইউরোপের বাইরে।