অবসর ভেঙে ফিরেছেন সাতবারের সাবেক চ্যাম্পিয়ন ৪৪ বছর বয়সী সেরেনা উইলিয়ামস। তাকে ওয়াইল্ড কার্ড দিয়েছে উইম্বলডন কর্তৃপক্ষ। সঙ্গে আছেন তার বড় বোন ৪৬ বছর বয়সী ভেনাস উইলিয়ামস, যিনি পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন। অবসর ভেঙে ফেরা ব্রিটিশ তারকা অ্যান্ডি মারেও আছেন অল ইংল্যান্ড ক্লাবের এ প্রতিযোগিতায়। এছাড়া ২৪ বারের গ্র্যান্ড স্লাম চ্যাম্পিয়ন নোভাক জোকোভিচ রেকর্ড ২৫তম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের চেষ্টা আরেকবার করবেন।

চার বছর টেনিস থেকে দূরে ছিলেন ২৩ বারের গ্র্যান্ড স্লাম চ্যাম্পিয়ন সেরেনা। অবসর ভেঙে ফিরে তিনি উইম্বলডনের এককে লড়বেন। আগামীকাল প্রথম রাউন্ডে তার প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়ার ২০ বছর বয়সী খেলোয়াড় মায়া জয়েন্ট। অল ইংল্যান্ড ক্লাব গতকাল দ্বিতীয় দিনের সূচি প্রকাশ করলে এটা জানা যায়। টুর্নামেন্টের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ইগা সিয়ানতেক আগামীকাল স্থানীয় সময় বেলা দেড়টায় সেন্টার কোর্টে খেলতে নামছেন যুক্তরাষ্ট্রের টেইলর টাউনসেন্ডের বিপক্ষে। এরপর ব্রিটেনের জ্যাক ড্রাপার খেলবেন যুক্তরাষ্ট্রের টেইলর ফ্রিটজের বিপক্ষে। এ ম্যাচটি শেষে কোর্টে নামবেন টেনিসের জীবন্ত কিংবদন্তি সেরেনা।

২০২২ সালে সর্বশেষ উইম্বলডনে খেলেন সেরেনা। সেবার তিনি ১১৫ র‍্যাংকধারী হারমোনি ট্যানের কাছে হেরে বসেন। সেই বছর ইউএস ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে আলিয়া টমলিয়ানোভিচের কাছে হারের পর টেনিস থেকে অবসর নেন।

এককে পাঁচবারের উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন ভেনাস উইলিয়ামস অল ইংল্যান্ড ক্লাবে দ্বৈতেও ছয়টি শিরোপা জিতেছেন। ৪৬ বছর বয়সে তিনি খেলে যাচ্ছেন। আসরটি সামনে রেখে ভেনাস বলেন, ‘এখানে আসা দারুণ ব্যাপার, কেননা এ কোর্টে আমাদের ইতিহাস রয়েছে।’

গ্রেটদের ভিড়েও আলাদা করে নিজেদের তুলে ধরতে তৈরি ইয়ান্নিক সিনার, আরিনা সাবালেঙ্কা, কোকো গাফ, এলিনা রিবাকিনা, এমা রাদুকানুর মতো তারকা। এসব তারকার উপস্থিতির কারণেই উইম্বলডন তার আকর্ষণ অনেকটাই ধরে রাখতে সমর্থ হবে।

আজ শুরুর দিনেই কোর্টে থাকছেন ছেলেদের এককে শীর্ষ বাছাই সিনার ও মেয়েদের এককে শীর্ষ বাছাই সাবালেঙ্কা। এছাড়া সপ্তম বাছাই জোকোভিচ, ব্রিটেনের রাদুকানু, রাশিয়ার দানিল মেদভেদেভ, রাশিয়ার মিরা আন্দ্রিভা, যুক্তরাষ্ট্রের জেসিকা পেগুলা ও কোকো গাফ খেলবেন প্রথম দিন।

এমন সময় উইম্বলডন মাঠে গড়াচ্ছে যখন উত্তর আমেরিকার তিন দেশে চলছে ফিফা বিশ্বকাপ, ইংল্যান্ডে চলছে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ব্রিটিশ গ্রাঁ প্রিঁসহ অসংখ্য ক্রীড়া আসর।

উইম্বলডন টুর্নামেন্ট ডিরেক্টর জেমি বেকার বলেন, ‘গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া হিসেবে আমরা সবসময়ই উইম্বলডন নিয়ে রোমাঞ্চিত থাকি। সবসময়ই গ্রীষ্মে বাড়তি কিছু ক্রীড়া ইভেন্ট থাকে, যা সব খেলার পর একটা প্রভাব ফেলে। আমরা এর অংশ হতে পেরে আনন্দিত।’