রেড বুল সালজবুর্গকে বিধ্বস্ত করে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে বায়ার্ন মিউনিখ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রবার্ট লেভানদোভস্কির হ্যাটট্রিকে সালজবুর্গকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দেয় ব্যাভারিয়ানরা। জোড়া গোল করেন টমাস মুলার এবং একটি করে গোল করেন সের্জে জিনাব্রি ও লেরয় সানে।
দুই লেগ মিলিয়ে ৮-২
ব্যবধানে এগিয়ে থেকে কোয়ার্টারের টিকিট কাটে ইউলিয়ান নাগলসম্যানের শিষ্যরা। প্রথম
লেগে প্রতিপক্ষের মাঠে ১-১ গোলের ড্র নিয়ে ফিরেছিল বায়ার্ন।
অন্যদিকে অ্যানফিল্ডে দ্বিতীয় লেগে লিভারপুল ১-০ গোলে ইন্টার মিলানের কাছে হেরেও পৌঁছে গেছে শেষ আটে। প্রথম লেগে তারা ইন্টারের মাঠ থেকে ২-০ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছিল, ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ অগ্রগামিতায় কোয়ার্টারে অলরেডস। ইন্টারের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার লাউতারো মার্টিনেজ।
আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে প্রতিপক্ষের মাঠে শুরুতেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে সুযোগ পেয়ে যায় সালজবুর্ক। আট গজ দূর থেকে নিকোলাস কাপালদোর শট কিংসলে কোম্যানের পায়ে লেগে বাইরে যায়।
এরপর লেভানদোস্কির ঝলক। শুরুটা দ্বাদশ মিনিটে, পেনাল্টি গোলে। ২১ মিনিটে আরেকটি স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পোলিশ ফরোয়ার্ড। দুবারই তিনি নিজে প্রতিপক্ষের বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি দিয়েছিলেন রেফারি। ২৩ মিনিটে পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক। মাঝমাঠ থেকে মুলারের লম্বা পাস ক্লিয়ার করতে বক্সের বাইরে বেরিয়ে আসেন সফরকারী গোলরক্ষক। তার শটে বল লেভার পায়ে লেগে পোষ্টে লাগে। ছুটে গিয়ে ফাঁকা জালে বল পাঠান গত ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার।
চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যাচের শুরু থেকে সবচেয়ে কম সময়ে হ্যাটট্রিক এটি, ২৩ মিনিটে। ১৯৯৬ সালে ইন্টার মিলানের হয়ে রসেনবর্গের বিপক্ষে মার্কো সিমোনের ২৪ মিনিটে হ্যাটট্রিক ছিল আগের রেকর্ড।
৩১ মিনিটে ব্যবধান আরো বাড়ান জিনাব্রি। কোম্যানের পাস ধরে ডি-বক্সে ডান দিক থেকে শটে গোলটি করেন জার্মান ফরোয়ার্ড।
বিরতি থেকে ফিরে এসে ৫৪ মিনিটে দারুণ গোলে স্কোরলাইন ৫-০ করেন মুলার। লেরয় সানের পাস বক্সে পেয়ে ডান পায়ে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে শরীরটা ঘুরিয়ে বাঁ পায়ের শটে ঠিকানা খুঁজে নেন জার্মান ফরোয়ার্ড। ৭০ মিনিটে দারুণ গোলে সালজবুর্কের হয়ে ব্যবধান কমান কাইগার্ড। ৮৩ মিনিটে মুলার করেন নিজের দ্বিতীয় গোল এবং ৮৫ মিনিটে গোলের দেখা পান সানে।










