পুরো দুনিয়া এখন মজে আছে ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায়। ৩২ দলের শ্রেষ্ঠত্বের এ লড়াইয়ে ফুটবলের পরাশক্তিদের সঙ্গে আছে নবাগতরাও। সব মিলিয়ে আরবের দেশ কাতার এখন উৎসবের কেন্দ্রবিন্দু। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে জড়ো হচ্ছেন ভক্তরাও। নেচে গেয়ে উদযাপনে এ মহাজজ্ঞে প্রাণের সঞ্চার করছেন।
নিজ দেশের ফুটবলারদের সমর্থন জানাতে কাতারে এসেছেন অনেক জাপানিও। এর মধ্যে কয়েকজন আবার ঝাঁড়ু আর প্লাস্টিকের বড় থলে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন দোহার সড়কে কিংবা স্টেডিয়ামে। কোথাও কোনো ময়লা-আবর্জনা দেখলেই তুলে নিচ্ছেন হাতে থাকা থলেতে। তাদের দেখে অনেকেই এমন ভাব করছেন, এদের কী খেয়ে দেয়ে কোনো কাজ নেই, খামোকা বেগার খাটা। এসব কাজের জন্য তো কাতার সরকার অনেক লোককেই মাসে মাসে বেত দিচ্ছে!
এক জাপানিকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন এক সংবাদকর্মী। ভাঙা ভাঙা ইংরাজিতে তিনি বলেন, ‘আমরা এমন করতে ভালোবাসি। ময়লা থাকা ভালো না।’
আজ জাপান-জার্মান ফুটবল যুদ্ধের আগে নীরবেই নিজেদের ভালোবাসার এ কাজটি সেরেছেন জাপানিরা। স্টেডিয়ামে জাপানি দর্শকরা যেমন খেলা দেখছেন; তেমনই অন্যান্য দেশের দর্শকদের ফেলে যাওয়া ব্যাগ, খাবারে প্যাকেট, পানির বোতল তুলে নিচ্ছেন ভালোবেসে।
বিশ্বে অন্যতম পরিচ্ছন্ন দেশ জাপান। ময়লা সরানো দেশটির নাগরিকদের কাছে ভালোলাগা ও ভালোবাসা। পরিচ্ছন্নতাকে তারা প্রাথমিক কর্তব্য বলে মনে করে। কাতারও পরিচ্ছন্ন একটি দেশ। তবে বিশ্বকাপ উপলক্ষে আসা বিভিন্ন দেশের বিপুল দর্শকের চাপে নাজেহাল পরিস্থিতি।










