ফুটবলের বিস্ময়বালক কিলিয়ান এমবাপ্পে ২০১৭ সালে মোনাকো থেকে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) ক্লাবে নাম লেখান। পরের বছর রাশিয়ার মাঠে জাদু দেখিয়ে ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপ জয় করেন। কিশোর এ স্ট্রাইকারের চাহিদা তখন বেড়ে হয় আকাশচুম্বী। পরের মৌসুমেই তাকে পিএসজি থেকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টায় নামে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ। একবার ব্যর্থ হয় তো, পরের মৌসুমে আবার দরকষাকষি শুরু হয়, তৈরি হয় নাটকীয়তা। এমবাপ্পে শৈশবের স্বপ্নপূরণে রাজিও হয়ে যান, যদিও শেষ মুহূর্তে গিয়ে বিশাল আর্থিক সুবিধা দিয়ে, কখনোবা ফরাসি প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে তাকে বুঝিয়ে প্যারিসেই থেকে যাওয়ার ব্যাপারে রাজি করিয়ে ফেলে পিএসজি। এমবাপ্পের ‘ইউটার্ন’ নেয়ায় ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ হন রিয়াল প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। অবশেষে তিনি পিএসজি থেকে ‘মুক্তি’ পেলেন। পিএসজিতে চুক্তি নবায়ন না করায় ২০২৩-২৪ মৌসুম শেষে ‘ফ্রি এজেন্ট’ হয়ে পড়েন এমবাপ্পে। সম্প্রতি তিনি বিনা ট্রান্সফার ফিতে যোগ দেন রিয়ালে। মোনাকোর কাছ থেকে ১৮ কোটি ইউরোয় কিনলেও এমবাপ্পের বিদায়ে কানাকড়িও পায়নি পিএসজি।
খেলোয়াড়টিকে ১০ কোটি ইউরো সাইনিং ফি ও উচ্চ পারিশ্রমিক দেবে রিয়াল। পরবেন ‘৯’ নম্বর জার্সি। চুক্তি হয়েছে পাঁচ বছরের। সম্প্রতি বার্নাব্যুতে খেলোয়াড়টির প্রেজেন্টেশনও হয়ে গেল। সেখানে অংশ নেন তার বাবা-মা দুজনই। প্রেজেন্টেশনে রিয়াল প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতোই এমবাপ্পের কাছ থেকে গোলও চায় রিয়াল মাদ্রিদ। নিয়মিত গোল চান এ ফরাসি স্ট্রাইকারের কাছ থেকে। এমবাপ্পেরও চাওয়া আছে। তিনি চান রিয়ালের জার্সিতে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ট্রফি আর ব্যালন ডি’অর পুরস্কার জিততে। মার্কা ও এপি










