পোল্যান্ডকে ৩-১ গোলে গুঁড়িয়ে কাতার
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেল ফ্রান্স। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হয়ে
কিলিয়ান এমবাপ্পে করেন জোড়া গোল, অলিভিয়ার
জিরু করেন একটি। যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান কমান
পোলিশ স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানদোভস্কি।
আজ দোহার আল থুমামা স্টেডিয়ামে ৪৪ মিনিটে
ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন জিরু। কিলিয়ান এমবাপ্পের পাস ডি বক্সের মধ্যে পেয়ে প্রথমে
ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করেন জিরু, এরপর
নিজেকে সামলে নিয়ে বাম পায়ের শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বলকে জালে পাঠিয়েছেন এসি মিলান
স্ট্রাইকার।
থিয়েরি অঁরিকে টপকে জিরুই এখন ফ্রান্সের
জার্সিতে সর্বোচ্চ ৫২ গোলের মালিক। গত ২২ নভেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এক গোল করে
অঁরিকে ছুঁয়ে ফেলেন জিরু। কাল তিনি টপকে যান সাবেক আর্সেনাল গ্রেটকে।
এরপর এমবাপ্পে-শো। ৭৪
মিনিটে ফ্রান্সের দ্বিতীয় গোলটি করেন এই গোলমেশিন। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে এই গোলটি
পায় ফ্রান্স। পোলিশরা আক্রমণে গেলে আতোয়াঁ গ্রিজম্যান নিজেদের বক্স থেকে বলকে
ক্লিয়ার করে পাস দেন জিরুকে, যিনি খুঁজে
নেন ওসমান দেম্বেলেকে। বার্সা ফরোয়ার্ড বাম প্রান্ত বল বাড়ান এমবাপ্পের উদ্দেশে।
পিএসজি ফরোয়ার্ড বুলেট গতির শটে উপরের পোস্ট দিয়ে বলকে জালে জড়িয়েছেন। দুর্দান্ত
ফিনিশিং, অবিশ্বাস্য
গোল।
এখানেই শেষ নয়। এমবাপ্পের গতি, স্কিলের আরেক অপূর্ব প্রদর্শনী দেখল আল
থুমামা স্টেডিয়ামের দর্শক। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে মার্কাস থুরাসের পাস থেকে
আরেক গোল করেন এমবাপ্পে। বল রিসিভ করার পর দূরের পোস্টের উপরের দিক দিয়ে নিশানা
ভেদ করেন তিনি।
প্রথমে জিরুকে দিয়ে ফ্রান্সের প্রথম গোল
করেছেন এমবাপ্পে, এরপর নিজে
করেন দলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় গোল। এটা বিশ্বকাপে তার নবম গোল এবং সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়
হিসেবে বৈশ্বিক আসরে নয় গোল করলেন তিনি। গতকাল তার বয়স ছিল ২৩ বছর ৩৪৯ দিন।
পর্তুগিজ কিংবদন্তি ইউসেবিও বিশ্বকাপে আট গোল করেছিলেন ২৪ বছর ১৮২ দিন বয়সে।
চলতি আসরে সর্বোচ্চ পাঁচ গোল হয়ে গেল
এমবাপ্পের। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে শিরোপা এনে দেয়ার পথে তিনি করেছিলেন
চার গোল। তবে এবার প্রথম চার ম্যাচেই করলেন পাঁচ গোল।










