চলতি বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসে পদক হারিয়েছেন, জরিমানাও গুণেছেন নিউজিল্যান্ডের সাইক্লিস্ট এলিস অ্যান্ড্রুস। তবে তিনি ভেঙে না পড়ে পুর্নোদ্যমে খেলে পরের ইভেন্টেই স্বর্ণ জয় করেছেন।

 

শনিবার রাতে লি ভ্যালি ভেলোড্রোমে নারীদের স্প্রিন্টে কানাডার কেলসি মিচেলকে উভয় রেসে পরাজিত করে স্বর্ণ জয় করেন অ্যান্ড্রুস। বার্মিংহামে এটা তার দ্বিতীয় স্বর্ণ পদক। শুক্রবার তিনি টিম স্প্রিন্টেও স্বর্ণ জয় করেন। তবে গলায় তার উঠতে পারতো আরেকটি পদক।

 

শুক্রবার ৪০০০ মিটার টিম পারস্যুট ইভেন্টে অ্যালি ওলাস্টনের কব্জি ভেঙে গেলে নিউজিল্যান্ডের একজন রাইডারের প্রয়োজন পড়ে। তখন এগিয়ে আসেন অ্যান্ড্রুস। কমনওয়েলথ গেমসের নিয়মানুসারে, চারজন রাইডার নিয়ে শুরু করতে হবে এবং কিউইরা অ্যান্ড্রুসকে দলভুক্ত করে। তিনি এই ইভেন্টে খেলেছেন। যদিও ফাইনালের একটি পর্যায়ে তিনি নিজেকে সরিয়ে নেন, কেননা টিম স্প্রিন্টের জন্য তিনি নিজেকে তৈরি করতে চেয়েছেন। তিনি যখন টিম স্প্রিন্টের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখনই ৪০০০ মিটার টিম পারস্যুটের পদক বিতরণ অনুষ্ঠান চলছিল, কিন্তু তার পদক মঞ্চে ওঠা হলো না। নিউজিল্যান্ড ইভেন্টটিতে রৌপ্য জিতেছে।

 

ফাইনালে তার অনুপস্থিতি গেমসের নিয়ম ভেঙেছে বলে তাকে ২১০ ডলার জরিমানা করে ইউসিএল, তাকে পদক দেয়া হয়নি, আর রেস পয়েন্টও কর্তন করা হয়।

 

ফলাফলে তার নাম থাকবে, যদিও শারীরিকভাবে তিনি পদক পাননি। যদিও তাতে দমে না গিয়ে তিনি পরের ইভেন্টে স্বর্ণের হাসি হেসেছেন। তার কথায়, এই ফল পেতে গত কয়েকটা দিন পরিশ্রম করতে হয়েছে। দাদা ও দামী এখানে এসেছেন আমার খেলা দেখতে এবং এই প্রথম আমার বড় কোনো সফলতা দেখলেন। টোকিওতে যেতে পারেননি বলে এটাই ছিল তাদের সামনে আমার বড় কোনো পারফরম্যান্স। জয় শেষে ছুটে গিয়ে তাদের সঙ্গে আলিঙ্গন করেছি আমি। এটা আমার জন্য কতটা স্পেশাল তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না।