কাতার বিশ্বকাপে সবার আগে কোয়ার্টার ফাইনালে
নাম লেখাল নেদারল্যান্ডস। আজ আল রাইয়ানের আল থুমামা স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর প্রথম
ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে ৩-১ গোলে হারায় ইউরোপের দেশটি।
ম্যাচে কর্তৃত্ব করেই জিতেছে কমলা রঙা
জার্সিধারীরা। দশম মিনিটে ডাচদের এগিয়ে দেন বার্সেলোনা স্ট্রাইকার মেম্ফিস ডিপাই।
ডাচ রক্ষণ থেকে আক্রমণের শুরু। সম্মিলিত আক্রমণের পর ডান প্রান্ত থেকে ডেনজেল
ডামফ্রাইস পুল ব্যাক করলে ডিপাই জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন। সব মিলে, দলগত প্রচেষ্টায় দারুণ এক গোল। ছবির মতো এক
গোল।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গোল
ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ড্যালি ব্লিন্ড। এটা যেন প্রথম গোলেরই কার্বন কপি। ডান
প্রান্ত দিয়ে ডামফ্রাইসের করা করা পুল ব্যাকে বল পেয়ে কাটি কামড়ানো শটে লক্ষ্যভেদ
করেন ম্যানইউর সাবেক ডিফেন্ডার ব্লিন্ড। গোলের পর তার আনন্দই বলছিলম, ডাচরা এখন নিরাপদ। হলোও তাই।
৭৬ মিনিটে এক গোল পরিশোধ করে যুক্তরাষ্ট্র।
ক্রিস্টিয়ান পুলিসিকের পাস থেকে গোল করে ব্যবধান কমান স্ট্রাইকার হাজি আমির রাইট।
চলতি আসরে অঘটনের পর অঘটন হয়েছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা উঁকি
দিচ্ছিল। যদিও ৮৩ মিনিটে সেই ডামফ্রাইস যুক্তরাষ্ট্রের সব আশা শেষ করে দেন। ড্যালি
ব্লিন্ডের ক্রসে ভলি করে দুর্দান্ত এক গোল করেন তিনি।
ডামফ্রাইস-ব্লিন্ড
যুগলবন্দিতে এটা ডাচদের দ্বিতীয় গোল। প্রথমে ব্লিন্ডকে দিয়ে গোল করান ডামফ্রাইস, এরপর ডামফ্রাইসকে দিয়ে করান ব্লিন্ড। ডাচদের
প্রথম গোলটিতেও অ্যাসিস্ট করেন ডামফ্রাইস। সব মিলে, ২৬ বছর
বয়সী এই রাইট ব্যাকই ডাচদের জয়ের নায়ক।
আগামী ৯ ডিসেম্বর লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে
কোয়ার্টার ফাইনাল খেলবে ডাচরা। তাদের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের
বিজয়ী।
১৯৭৪, ১৯৭৮ ও
২০১০ বিশ্বকাপ ফাইনালে পরাজিত ডাচরা রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়নি। লুই ফন
গালের অধীনে এবার আলো ছড়াচ্ছে অরেঞ্জ আর্মিরা। গ্রুপ পর্বে সেনেগালকে ২-০ গোলে ও
কাতারকে ২-০ গোলে হারায় তারা, পাশাপাশি
১-১ গোলে ড্র করে একুয়েডরের সঙ্গে।










