ওয়ানডে ও টি২০ সংস্করণে ইংল্যান্ড জাতীয়
ক্রিকেট দলের কোচ হিসেবে নিয়োগ পেলেন ম্যাথু মট। যিনি দীর্ঘ সাত বছর ধরে
অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করছিলেন। এর আগে কখনো
কোনো পুরুষ জাতীয় ক্রিকেট দলের দায়িত্ব নেননি তিনি। স্টোকস-রুটদের দিয়েই নতুন চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন
অস্ট্রেলিয়ান কোচ। সাদা বলের ফরম্যাটে কোচ হিসেবে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) সঙ্গে চার
বছরের চুক্তি করেছেন তিনি।
ম্যাথু মটের খেলোয়াড়ী জীবন খুব বর্ণাঢ্য নয়।
জাতীয় দলের হয়ে কখনো খেলা হয়নি। ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি ভিক্টোরিয়ান বুশরেঞ্জার্স ও
কুইন্সল্যান্ড বুলসের হয়ে খেলেছেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ব্যাট হাতে ৬৬ ম্যাচে ৩
হাজার ৭২৭ রানের সঙ্গে মিডিয়াম পেস বোলিংয়ে নিয়েছেন ৭ উইকেট। ২৪টি লিস্ট-এ ম্যাচে ৪৫২ রানের পাশাপাশি নিয়েছেন ৬
উইকেট। ১৯৯৪ সালে ঘরোয়া লিগের ক্রিকেটে যাত্রা শুরু হয় তার। ২০০৪ সালে ইতি টানেন
খেলোয়াড়ী জীবনের।
মটের কোচিং ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০৭ সালে
অস্ট্রেলিয়া ঘরোয়া ক্রিকেট লিগের দল নিউ সাউথ ওয়েলস ব্লুজের দায়িত্ব নিয়ে। ২০১১-১৩
পর্যন্ত ইংল্যান্ডের গ্ল্যামারগন কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের কোচের দায়িত্ব পালন করেন
তিনি। এরপর ইয়র্কশায়ার ব্যাংক-৪০ এর কোচ
হন। ২০১৫ সালে ক্যাথরিন ফিত্জপ্যাট্রিকের স্থালাভিষিক্ত হয়ে অস্ট্রেলিয়া নারী
ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হন মট। অজি নারীরা তার অধীনে জিতেছে ওয়ানডে ও টি২০
বিশ্বকাপ।
ওয়ানডে ও টি২০তে মোটামুটি ভালো করলেও টেস্ট
ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের অবস্থা নাজুক। যার কারণে নড়েচড়ে বসেছে ইসিবি। এই অবস্থায়
দলকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করে তারা। যার অংশ হিসেবে গত ফেব্রুয়ারিতে সরানো হয়
কোচ ক্রিস সিলভারউডকে।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী সীমিত ওভার ও টেস্ট
ক্রিকেটে আলাদা কোচ নিয়োগ দিয়েছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। কয়েকদিন আগে টেস্ট
ক্রিকেটের কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় নিউজিল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার ব্রেন্ডন
ম্যাককালামকে। দ্য গার্ডিয়ান, ক্রিকইনফো










