চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলতে নেমেই বোলিংয়ে শক্তি দেখাল
ভারত। আজ বুধবার নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডকে
মাত্র ৯৬ রানে অলআউট করে দেয় রোহিত শর্মার দল। ২০ ওভারের ম্যাচে মাত্র ১৬ ওভার আয়ু
ছিল আয়ারল্যান্ড ইনিংসের। এরপর রোহিতের ফিফটি ও ঋষভ পন্তের দায়িত্বশীল ব্যাটিং ভারতকে
এনে দেয় ৮ উইকেটের বিশাল জয়। ৪৬ বল হাতে রেখে জয় পেয়েছে ভারত।
কর্তৃত্ব করে পাওয়া এই জয়ে পাকিস্তান ম্যাচের মহড়া সারল ভারত। আগামী ৯ জুন
একই মাঠে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের মুখোমুখি হবে রোহিত শর্মার দল।
৯৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে রোহিত ৩৭ বলে ৪টি বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৫২
রান করে দিলে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে যায় ভারত। ৫২ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে যান রোহিত।
উল্লেখ্য, এ পথে বিরাট কোহলি ও বাবর আজমের পর তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে
৪ হাজার রানের মাইলফলকে পৌঁছেন ভারতীয় দলনায়ক।
এছাড়া ঋষভ পন্ত ২৬ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৬ রান করেন। বেন হোয়াইট ও মার্ক অ্যাডায়ার
একটি করে উইকেট নেন।
গত ৩ জুন এই মাঠে শ্রীলংকাকে ৭৭ রানে অলআউট করে ৬ উইকেটের জয় পায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
সেদিনের মতো আজও দিনের আলোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে বোলিং বেছে নেন রোহিত। ভারতের
বোলাররা অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে যথার্থ প্রমাণ করেন শুরু থেকেই। দ্বিতীয় ওভারে অধিনায়ক
পল স্টার্লিং ও টেস্ট অধিনায়ক অ্যান্ড্রু বালবির্নিকে ফিরিয়ে আইরিশদের চাপে ফেলে দেন
অর্শদীপ সিং। সেই চাপ থেকে আর বেরই হতে পারল না টেস্ট খেলুড়ে দেশটি। হার্দিক পান্ডিয়া
(৩/২৭), জশপ্রীত বুমরাহ (২/৬), মোহাম্মদ সিরাজ (১/৭) ও অক্ষর প্যাটেল (১/৩) সাঁড়াশি
আক্রমণে আইরিশ ব্যাটিং লাইনআপকে লণ্ডভণ্ড করেন। পাঁচ পেসার মিলে নেন ৮ উইকেট, হাত ঘুরিয়ে
অক্ষর নেন একটি। আরেকজন হয়েছেন রানআউট।
আইরিশদের হয়ে গ্যারেথ ডিলারি ১৪ বলে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন। এছাড়া জস লিটল ১৪
ও কার্টিস ক্যাম্ফার ১২ রান করেন।
ভারত ২০০৭ সালে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি
বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করে। এরপর একবার ফাইনাল খেললেও কখনো শিরোপার নাগাল পাওয়া হয়নি।
ভারতীয় তারকাখচিত দলটি এবার শিরোপা জিততে মরিয়া।
‘এ’ গ্রুপে ভারত, পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করছে। পাকিস্তান মাঠে নামছে বৃহস্পতিবার।










