নারীদের নবম এশিয়া কাপ ফাইনালে আজ শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও স্বাগতিক শ্রীলংকা। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টা ৩০ মিনিটে।
শুক্রবার সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে ১০ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ভারত। ওইদিন আরেক সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৩ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে লংকানরা।
এটা এশিয়া কাপের নবম আসর। প্রথম চারটি আসর ছিল ওয়ানডে ফরম্যাটে, পরের পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। ২০০৪ সালে প্রথম আসরে শুধু ভারত ও শ্রীলংকা লড়াই করে। সেবার পাঁচ ম্যাচের সিরিজটা ভারত ৫-০-তে জিতে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব পায়। পরের দুটি আসরে পাকিস্তান যুক্ত হয় এবং ২০০৮ সালে সর্বশেষ ওয়ানডে আসরে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
নারীদের এশিয়া কাপে সবচেয়ে দুর্ভাগা দল শ্রীলংকা। তারা এখন পর্যন্ত চারটি ফাইনালে হেরেছে ভারতের কাছে। এছাড়া প্রথম আসরে পাঁচ ম্যাচের সিরিজেও ভারতের কাছে পরাজিত হয় লংকানরা। সর্বশেষ ২০২২ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আসরের ফাইনালে তারা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। আগে ব্যাটিং করে ৯ উইকেটে মাত্র ৬৫ রান তুলতে সমর্থ হয় চামারি আতাপাত্তুর দল। জবাবে ১১.৩ ওভার ও ৮ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে ভারত। ৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন ভারতের পেসার রেনুকা সিং। চলতি আসরেও দুর্দান্ত ফর্মে রেনুকা। বাংলাদেশের বিপক্ষে ১০ রানে ৩ উইকেট নিয়ে তিনি ম্যাচসেরা। আজও কি জ্বলবেন এ তারকা?
এশিয়া কাপে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে পাঁচ আসরে খেলে পাঁচবারই ফাইনালে উঠেছে ভারত। ২০১২, ২০১৬ ও ২০২২ সালে তারা চ্যাম্পিয়ন হলেও ২০১৮ সালের ফাইনালে হেরে যায় বাংলাদেশের কাছে। নারী কিংবা পুরুষদের ক্রিকেট মিলে সেবারই প্রথম এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ।
সেমিফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫৫ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন ভারতের স্মৃতি মান্ধানা। তিনি নারীদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (৩৪৩৩) রান সংগ্রাহক। সর্বোচ্চ রান নিউজিল্যান্ডের সুজি বেটসের (৪৩৪৮)। এরপর অস্ট্রেলিয়ার মেগ ল্যানিং (৩৪০৫) ও ভারতের হারমানপ্রিত কাউর (৩৪১৫)।
নকআউট ম্যাচে এটা তার চতুর্থ ফিফটি প্লাস ইনিংস। নকআউট ম্যাচে তার চেয়ে বেশি ফিফটি প্লাস রান আছে শুধু অস্ট্রেলিয়ার বেথ মুনির (৫টি)।
এছাড়া, বাংলাদেশ ইনিংসে ২০তম ওভারে কোনো রান দেননি ভারতের রাধা যাদব। এ নিয়ে প্রথম নারী ক্রিকেটার হিসেবে দ্বিতীয়বার এমন কীর্তি গড়লেন তিনি। ২০১৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০তম ওভার মেডেন করেছিলেন রাধা যাদব।










