আজ বৃহস্পতিবার সকালের দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে যে, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টেস্ট ও ওয়ানডে কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো পদত্যাগ করছেন। পরে দুপুরের দিকে পদত্যাগের বিষয়টি গুজব বলে নিশ্চিত করেন ডোমিঙ্গো। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) এ বিষয়ে কিছু জানে না। ডোমিঙ্গো ও বিসিবি উভয়পক্ষই বলছে, পদত্যাগের বিষয়টি সঠিক নয়। আগামী বছরের নভেম্বর পর্যন্ত চুক্তি বহাল রয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ বলেছেন, আমার চুক্তি ২০২৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত। আমি আগামী ১৫ মাসের জন্য বিসিবির সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ডোমিঙ্গো বর্তমানে নিজের দেশে আছেন। তিনি বলেছেন, আগামী অক্টোবরে বাংলাদেশে ফিরবেন। ওই মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তান ‘এ’ দলের বিপক্ষে সিরিজ রয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের। ফিরে ‘এ’ দলের সঙ্গে কাজ করবেন তিনি। ডিসেম্বরে ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজ আছে বাংলাদেশের। এরপর সেই সিরিজের প্রস্তুতি শুরু হবে।
পদত্যাগের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে ডোমিঙ্গো বলেন, আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড থেকে পদত্যাগ করেছি এ খবর গুজব এবং জল্পনা, সত্য নয়। আমি আমাদের ক্রিকেটকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি, টেস্ট ও ওয়ানডে সংস্করণে যেখানে থাকা দরকার সেখানে নেয়ার। আমি অক্টোবরে আবুধাবিতে ‘এ’ দলের সঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছি। তারপর ডিসেম্বরে আমি জাতীয় দলে যোগ দেব। আমি খুবই উদ্বিগ্ন, এটিই স্বাভাবিকভাবে হওয়ার কথা। আমি যে যাত্রা শুরু করেছি তা চালিয়ে যাব। আমার চুক্তি ২০২৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত। আমি আগামী ১৫ মাসের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাথে সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
কয়েকদিন আগে বিসিবি ডোমিঙ্গোর পরিবর্তে ভারতের শ্রীধরন শ্রীরামকে টি২০ দলের দায়িত্বে নিযুক্ত করে। যদিও তারা টেকনিক্যাল কানসালটেন্ট বলছেন শ্রীরামকে। আপাতত তিনিই বাংলাদেশের টি২০ কোচের ভূমিকা পালন করবেন। এ নিয়ে ডোমিঙ্গোর সঙ্গে আলোচনাও করে বিসিবি। টি২০ নিয়ে নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকট বোর্ড। এ পরিকল্পনায় নতুন কাউকে টি২০’র দায়িত্ব দিতে চেয়েছেন বোর্ড কর্মকর্তারা। ডোমিঙ্গো সেই সময়ে বলেছিলেন, তিনি এই ব্যবস্থা নিয়ে খুশি। কারণ এর ফলে ওয়ানডে ও টেস্ট দলকে প্রস্তুত করার জন্য বেশি সময় পাবেন। পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে পরিবারকেও ভালো সময় দিতে পারবেন।










