কিলিয়ান এমবাপ্পে ম্যাজিকে কাতার বিশ্বকাপে
৩২ দলের মধ্যে সবার আগে নকআউট পর্বে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। শনিবার
রাতে দোহার ‘স্টেডিয়াম
৯৭৪’-এ ‘ডি’ গ্রুপ
ম্যাচে লড়াকু ডেনমার্ককে ২-১ গোলে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই শেষ ষোলোয় জায়গা করে
নেয় দিদিয়ের দেশমের দল। এমনকি তাদের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় প্রায় নিশ্চিত।
ফ্রান্সের হয়ে দুটি গোলই করেন পিএসজি
ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। ম্যাচে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন তিনি। ২৩ বছর বয়সী এই
গতিদানব ম্যাচের ৬১ মিনিটে ফরাসিদের এগিয়ে দেন। ৬৮ মিনিটে ডেনমার্কের হয়ে সমতা
আনেন আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টেনসেন। যদিও ৮৬ মিনিটে এমবাপ্পের গোল ফ্রান্সের জয় নিশ্চিত
করে দেয়।
কাতারে দুই ম্যাচেই তিন গোল করেছেন
এমবাপ্পে। একুয়েডরের এন্নার ভ্যালেন্সিয়ার সঙ্গে যুগ্মভাবে তিনি গোলচার্টের
শীর্ষে। গত বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে শিরোপা জেতানোর পথে চার গোল করেছিলেন তিনি। শনিবার
ফ্রান্সের হয়ে গোলের তালিকায় নয় নম্বরে উঠে যান এমবাপ্পে। এক গ্রেটকে টপকে আরেক
গ্রেটকে ছুঁয়েছেন তিনি। ১৯৫৮ বিশ্বকাপের নায়ক জাস্টিন ফন্টেইনের ৩০ গোলের রেকর্ড
টপকে জিনেদিন জিদানের ৩১ গোল ছুঁয়েছেন পিএসজি ফরোয়ার্ড। সর্বোচ্চ ৫১ গোল থিয়েরি
অঁরি ও অভিলিয়ার জিরুর। এই বিশ্বকাপেই হয়তো অঁরিকে টপকে যাবেন জিরু। আর এমবাপ্পে
যে গতিতে ছুটছেন তাতে অচিরেই রেকর্ডটি তিনি নিজের করে নিতে পারেন।
এমবাপ্পের জোড়া গোলে ফ্রান্স জিতলেও
চ্যাম্পিয়নদের জয়ের অন্যতম নায়ক অ্যাতলেটিকো স্ট্রাইকার আতোয়াঁ গ্রিজম্যান। তিনি
গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচে নয়টি সুযোগ তৈরি করেছেন, যা
বিশ্বকাপে দুই ম্যাচ শেষে ফ্রান্সের হয়ে যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ। ১৯৯৮ সালে জিদান দুই
ম্যাচে নয়টি সুযোগ তৈরি করেছিলেন।
‘ডি’ গ্রুপে দুই ম্যাচ থেকে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে
শেষ ষোলোয় উঠল ফ্রান্স। ৩ পয়েন্ট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় দুইয়ে, যারা গতকাল ১-০ গোলে হারিয়েছে তিউনিসিয়াকে।
ডেনমার্ককে নকআউটে যেতে হলে বুধবার হারাতে হবে অস্ট্রেলিয়াকে। আবার সকারুরা জিতলেই
উঠে যাবে শেষ ষোলোয়, তবে
তিউনিসিয়া জিততে না পারলে তাদের শুধু এক পয়েন্টই যথেষ্ট। ডেনমার্ক ও তিউনিসিয়া
দুটি দলই জিতে গেলে সেক্ষেত্রে সুযোগ থাকবে তাদের উভয়েরই, সেক্ষেত্রে গোল ব্যবধান মীমাংসা করবে
গ্রুপের।










