ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। একই সঙ্গে অটোগ্যাসের দাম লিটার প্রতি ১৬ টাকা ৫৩ পয়সা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা।

আজ বৃহস্পতিবার রমনায় কমিশনের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ নতুন এ দাম ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি বলেন, আরামকোর জুলাই মাসের সৌদি সিপির ভিত্তিতে এলপিজির দাম কমানো হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে আজ সন্ধ্যা ৬টায়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুসারে, এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা। সে হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। যা আগে ছিল ১৫৭ টাকা ৬ পয়সা। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৭০ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে দাম ছিল ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা। আর সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

জালাল আহমেদ জানান, এলপিজি ৫.৫ কেজি, ১২.৫ কেজি, ১৫ কেজি, ১৬ কেজি, ১৮ কেজি, ২০ কেজি, ২২ কেজি, ২৫ কেজি, ৩০ কেজি, ৩৩ কেজি, ৩৫ কেজি ও ৪৫ কেজি ধারণক্ষমতার সিলিন্ডারে বাজারজাত করা হয়। এখন থেকে বিইআরসি’র গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডারের দাম হবে যথাক্রমে ৭০০ টাকা, এক হাজার ৫৯১ টাকা, এক হাজার ৯১০ টাকা, দুই হাজার ৩৭ টাকা, দুই হাজার ২৯১ টাকা, দুই হাজার ৫৪৬ টাকা, দুই হাজার ৮০১ টাকা, তিন হাজার ১৮৩ টাকা, তিন হাজার ৮১৯ টাকা, চার হাজার ২০১ টাকা, চার হাজার ৪৫৬ টাকা এবং পাঁচ হাজার ৭২৯ টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২ জুন থেকে কার্যকর হওয়া এলপিজি’র দাম ছিল যথাক্রমে ৮৬৪ টাকা, এক হাজার ৯৬৩ টাকা, দুই হাজার ৩৫৬ টাকা, দুই হাজার ৫১৩ টাকা, দুই হাজার ৮২৭ টাকা, তিন হাজার ১৪১ টাকা, তিন হাজার ৪৫৫ টাকা, তিন হাজার ৯২৭ টাকা, চার হাজার ৭১২ টাকা, পাঁচ হাজার ১৮৩ টাকা, পাঁচ হাজার ৪৯৭ টাকা এবং সাত হাজার ৬৮ টাকা।

এদিকে প্রতি টন প্রোপেন ৫৮০ মার্কিন ডলার এবং বিউটেন ৬০০ মার্কিন ডলারে বিক্রির নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের সদস্য মো. মিজানুর রহমান, মো. আব্দুর রাজ্জাক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহিদ সারওয়ার উপস্থিত ছিলেন।