মাহমুদুল হাসান জয়ের ইনজুরির কারণে ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে অভিষেক হয় ওপেনার নাঈম শেখের। কিন্তু জয় এবং নাঈম যেন একবিন্দুতে মিলিত হয়েছেন। অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসে দু’জনই শূন্য রানে আউট হন। অভিষেক রাঙানোর বদলে দুঃখজনক স্মৃতি হয়ে রইল নাঈমের জন্য। পেসার টিম সাউদির শরীরের ওপর তাক করা বাউন্স। লাফিয়ে উঠে খেলতে চাইলেন! বল টেনে আনলেন উইকেটে। বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরলেন নাঈম। তালগোল পাকানো শটে শেষ তার অভিষেক ইনিংস। পাঁচ বল মোকাবেলায় ‘শূন্য’তে ফিরতে হয়েছে তাকে।

নাঈম একা নন, টেস্ট অভিষেক ইনিংসে এর আগে বাংলাদেশের আরো ১২ ক্রিকেটার রানের খাতা না খুলে সাজঘরে ফেরেন। তাদের মধ্যে আলমগীর কবির ও কামরুল ইসলাম রাব্বীকে একটু আলাদা করে রাখতে হবে। আলমগীর অভিষেক টেস্টের দুই ইনিংসে রানের খাতা খুলতে পারেননি। রাব্বীরও একই ঘটনা। 

টেস্টে অভিষেক ইনিংসে শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফেরা বাংলাদেশের ১৩ ক্রিকেটার হলেন- শুভাশিস রায়, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসাইন, মোহাম্মদ শরীফ, শরিফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদুল হাসান জয়, কামরুল ইসলাম রাব্বী, জহুরুল ইসলাম, ফাহিম মুনতাসির, ইলিয়াস সানি, আলমগীর কবির ও নাঈম শেখ।

সাইফ অভিষেকে শূন্য করলেও নিউজিল্যান্ডে প্রথম টেস্টে ৭৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেছিলেন। ক্রাইস্টচার্চেও তার খেলার কথা ছিল। কিন্তু ইনজুরির কারণে ছিটকে গেছেন।

তার পরিবর্তে এই টেস্টে অভিষেক হলো নাঈম শেখের। বাংলাদেশের ১০০তম টেস্ট ক্রিকেটার নাঈমের শুরুটা হলো বাজেভাবেই।

টেস্ট অভিষেকের আগে সবশেষ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ম্যাচ খেলেছিলেন ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে। দুটি ইনিংসেই ছিল পেয়ার, মানে দুই ইনিংসেই শূন্য। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ক্যারিয়ার বিবর্ণ। ৬ ম্যাচে ব্যাটিং গড় মাত্র ১৬.৬৩। এর পরও কন্ডিশন বুঝে নির্বাচকরা আস্থা রেখেছেন তার ওপর। সামনে সে আস্থার প্রতিদান দেয়াই এখন তার জন্য চ্যালেঞ্জ।