‘ডি’ গ্রুপে ফেভারিট হিসেবে শুরু করছে তুরস্ক। বিশেষ করে তরুণ তারকা আরদা গুলের ও কেনান ইলদিজরা দেশকে বড় স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। যদিও অস্ট্রেলিয়ার কোচ টনি পোপোভিচ বলেছেন, তার দল মানুষকে ভুল প্রমাণ করতে চায়।
বিশ্বকাপে নিয়মিত মুখ অস্ট্রেলিয়া, সর্বশেষ ছয়টি আসরেই কোয়ালিফাই করেছে তারা। কাতারে তারা দ্বিতীয়বারের মতো শেষ ষোলোয় উত্তীর্ণ হয়। শেষ ষোলোতে তারা লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার কাছে পরাজিত হয়।
বাস্তবতা মেনে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার কোচ বলেন, ‘আমরা জানি, নিজেদের সমর্থক, দল, কোচিং স্টাফ ও মিডিয়া ছাড়া খুব বেশি মানুষ আমাদের কাছ থেকে বেশি কিছু আশা করছে না। এতে আমরা অভ্যস্ত। তবে আমরা আগামীকাল (আজ) দারুণ কিছু ফুটবল দেখাতে আত্মবিশ্বাসী এবং তাদের দেখাব যে অস্ট্রেলিয়া কী করতে পারে।’
তিনি আরো বলেন, ‘জানি, প্রথম ম্যাচে আমাদের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ, বিপজ্জনক একটি দল। কিন্তু এটা তো বিশ্বকাপ। আমরা তৈরি। ছেলেরা সবাই রোমাঞ্চিত। অবশ্যই আমরা জয়ের জন্য খেলতে নামব। এটাই আমাদের লক্ষ্য। তারাও (তুরস্ক) জিততে চাইবে। সেটা তো সব মানুষই চাইবে। আমরা যেটা চেষ্টা করব, ভালো ফুটবল খেলে তাদের উৎসব মাটি করতে চাইব।’
সহস্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র, ২০১০ আসরের কোয়ার্টার ফাইনালিস্ট প্যারাগুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও তুরস্ককে নিয়ে ‘ডি’ গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া ও তুরস্ক।
বিশ্বকাপে তুরস্ক অবশ্য নিয়মিত নয়। এটা তাদের মাত্র তৃতীয় বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ। ১৯৫৪ সালের আসরে অংশ নেয়ার পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে তারা ২০০২ আসরে ফিরে চমক দেখায়। সেবার হাকান সুকুররা তুরস্ককে সেমিফাইনালে নিয়ে যান। সেমিফাইনালে রোনালদোর একমাত্র গোলে ব্রাজিলের কাছে পরাজিত হয় তারা। পরে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে তারা ৩-২ গোলে হারায় দক্ষিণ কোরিয়াকে।
পাঁচ আসরে অনুপস্থিত থাকার পর আবার বিশ্বকাপে ফিরেছে তুরস্ক, যারা ইউরোপের কঠিন বাছাইপর্বের বৈতরণী পেরিয়ে মূল পর্বে জায়গা পেয়েছে। এবার তাদের ঘিরে সমর্থকদের প্রত্যাশাও তাই বেড়ে গেছে।










