অ্যান্টিগা টেস্টে সাকিব আল হাসান ও নুরুল হাসান সোহানের অনবদ্য লড়াইয়ে বিপর্যয় কাটিয়ে উঠলেও শেষ রক্ষা কি হবে বাংলাদেশের? নুরুলের সঙ্গে ২২১ বলে ১২৩ রানের জুটি গড়ে বিদায় নিয়েছেন সাকিব। এ প্রতিবেদন লেখার সময় (বাংলাদেশ সময় রাত ১টা ৪৫ মিনিট) অতিথি দলের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ২৩৩ রান, লিড মাত্র ৭১ রানের। নুরুল ৬০ ও এবাদত হোসেন শূন্য রানে ব্যাট করছিলেন।

 

১০৯ রানে ৬ উইকেট পতনের পর সাকিব ও নুরুল যে খেলা উপহার দিলেন তা ক্রিকেট অনুরাগীদের মন জয় করে নিতে যথেষ্ট। যদিও তা দলের হার এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। জুটিতে সাকিবের অবদান ৬২, আর নুরুলের ৬০। সাকিব করেন ৬৩ রান। এই দুজনের লড়াইয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কা তাড়িয়ে লিড নিতে সমর্থ হয় বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১০৩ রানে গুটিয়ে যাওয়া সফরকারী দলটি দ্বিতীয় ইনিংসে দুজনের দৃঢ়তায় দুশ পেরিয়ে যায়।

 

এর আগে ২ উইকেটে ৫০ রান নিয়ে তৃতীয় দিন ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ মধ্যাহ্ন ভোজের আগেই হারায় চারটি উইকেট। ৬ উইকেটে ১১৫ রান নিয়ে মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিতে যায় অতিথিরা। এ সময় সাকিব ৫ ও নুরুল ২ রানে অপরাজিত ছিলেন। দ্বিতীয় সেশনে দলের বিপর্যয়ে দুজন দৃঢ়তা দেখান। তাদের হাফ সেঞ্চুরি পার্টনারশিপ দলকে ইনিংস হারের লজ্জা এড়াতে সাহায্য করে।

ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় (৪২) লড়াই করলেও যোগ্য সাপোর্ট পাননি। নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস উভয়ই করেন ১৭ রান।

 

এর আগে ক্রেগ ব্র্যাথওয়েটের ৯৪ ও জার্মেইন ব্ল্যাকউডের ৬৩ রানে ভর করে প্রথম ইনিংসে ২৬৫ রান তুলে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মেহেদী হাসান মিরাজ ৫৯ রানে চারটি উইকেট নেন। এছাড়া খালেদ আহমেদ ও এবাদত হোসেন নেন দুটি করে উইকেট।