বাজিকর, ফুটবল বিশেষজ্ঞ আর জরিপ বলছে, কাতার বিশ্বকাপের ট্রফিটা লিওনেল মেসির হাতেই উঠছে। আর্জেন্টিনাকে তৃতীয় বিশ্বকাপ মুকুট এনে দেয়ার শেষ মিশনে নামছেন তিনি। দলীয় অর্জনের হাতছানি তো রয়েছেই, সঙ্গে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার কিছু রেকর্ড ভাঙারও হাতছানি মেসির সামনে। দেখা যাক, নিজের শেষ বিশ্বকাপে এটি করতে পারেন কিনা ৩৫ বছর বয়সী মেসি।
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন ম্যারাডোনা। চারটি বিশ্বকাপ মিলিয়ে মোট ২১টি ম্যাচ খেলেছেন গত বছর না ফেরার দেশে চলে যাওয়া এই কিংবদন্তি খেলোয়াড়। মেসি চারটি বিশ্বকাপে খেলেছেন ১৯টি ম্যাচ। অর্থাৎ এই বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচে খেললেই মারাডোনার সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার নজির ভেঙে ফেলবেন মেসি।
এরপর ম্যারাডোনার বিশ্বকাপ গোলও মেসির কাছে হুমকির মুখে। বিশ্বকাপে ২১টি ম্যাচ খেলে ৮টি গোল করেছেন ম্যারাডোনা। স্পেনে অনুষ্ঠিত ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপে ৫ ম্যাচে ২টি গোল করেছিলেন ম্যারাডোনা। ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে ট্রফি জয়ের পথে ম্যারাডোনা করেন ৭ ম্যাচে ৫ গোল। ১৯৯০ সালে ইতালিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচ খেলে একটিও গোল দিতে পারেননি দিয়েগো। ১৯৯৪ সালের আসরে ২ ম্যাচ খেলে ১টি গোল করেন ম্যারাডোনা।
মেসি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৬টি গোল করেছেন। তার মধ্যে ২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপে ৩ ম্যাচ খেলে ১টি গোল করেন তিনি। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ৫ ম্যাচ খেলে একটিও গোল পাননি মেসি। ২০১৪ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত আসরে ৭ ম্যাচে ৪ গোল করেন তিনি। রাশিয়ায় পরের আসরে ৪ ম্যাচে ১ গোল করেন মেসি। কাতার বিশ্বকাপে ৩টি গোল করলেই মারাডোনাকে টপকে যাবেন তিনি।
বিশ্বকাপে আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের মধ্যে গোলের ক্ষেত্রে অ্যাসিস্টের দিক দিয়ে শীর্ষে মারাডোনা। ৮টি গোলের পাশাপাশি সমান ৮টি অ্যাসিস্টও করেছেন তিনি। তার মধ্যে ৫টি অ্যাসিস্ট করেন ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে। মেসি এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ৫টি অ্যাসিস্ট করেছেন।










