ফ্রেঞ্চ ওপেনে এবার দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছেন সাবেক চ্যাম্পিয়ন সিমোনা হালেপ। চীনের ঝেং কিনওয়েনের কাছে তিনি হেরেছেন ৬-২, ২-৬, ১-৬ গেমে। ম্যাচ শেষে হালেপ দাবি করেছেন, ম্যাচের মধ্যে তিনি প্যানিক অ্যাটাকের শিকার হন।

প্যানিক অ্যাটাক একটি মানসিক রোগ, যার কারণে একজন মানুষ হঠাৎ অতিরিক্ত উত্তেজিত হয় কিংবা প্রচণ্ড ভয় অনুভব করে। এ সময় একজনের হূিপণ্ড থমকে যায় বলে মনে হয় এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। ৩০ বছর বয়সী হালেপ স্বীকার করেন, ম্যাচের সময় তার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল বলেই তিনি দ্রুতই ট্রেনারকে ডেকে আনেন।

প্যানিক অ্যাটাকের কারণে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবেই এবার রোলাঁ গারোঁ থেকে বিদায় ঘটল রোমানিয়ার লাস্যময়ী হালেপের এবং তিনি অন্যতম বড় নাম।

১৯ বছর বয়সী খেলোয়াড়ের বিপক্ষে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেই শারীরিকভাবে ধুঁকছিলেন হালেপ। দ্বিতীয় সেটে তার ভুলের সুযোগ নেন ঝেং এবং ১২ গেমের মধ্যে জিতে নেন ১১টি। দুবারের গ্র্যান্ড স্লাম বিজয়ী এক সেট এগিয়ে ছিলেন, যদিও প্যানিক অ্যাটাক হলে তিনি পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেবেন তা বুঝে উঠতে পারছিলেন না। তার কথায়, এটি আমার প্রায়ই হয় এমন না। আমি জানি না কেন এটি হলো, কারণ আমি তো ম্যাচে এগিয়েই ছিলাম। আমি ভালোও খেলছিলাম। কিন্তু এরপর এটি ঘটল এবং আমি হেরে গেলাম। আমি স্রেফ মনোযোগ দিতে পারছিলাম না। ম্যাচ শেষে পরিস্থিতি খুব কঠিন ছিল, যদিও এখন আমি ভালো বোধ করছি। আমি সেরে উঠেছি এবং আশা করি, এ ঘটনা থেকে আমি শিক্ষা নেব।

তিনি আরো বলেন, এটা বিপদের কিছু নয়, আমার মতে। কিন্তু ঘটেছে সত্যি। এটা ভালো যে আমি এখন হাসতে পারছি।

হালেপের বিদায়ে বিশ্বের এক নম্বর র্যাংকধারী পোল্যান্ডের ইগা সিয়ানতেকের শিরোপার পথ আরো পরিষ্কার হয়ে গেল। তিনি উঠেছেন শেষ ষোলোয়। শীর্ষ দশের মধ্যে ইগা ছাড়া টিকে আছেন কেবল স্পেনের পলা বাদোসা ও বেলারুশের আরিনা সাবালেঙ্কা। প্রথম দুই রাউন্ডের মধ্যে বিদায় নিয়েছেন বারবোরা ক্রেজিকোভা, বাদোসা, মারিয়া সাক্কারি, ওনস জাবের, ক্যারোলিনা প্লিসকোভা, ড্যানিয়েল কলিন্স ও গারবিনে মুগুরুজা। বিবিসি