ওয়েলসের রাজধানী কার্ডিফে আজ ফুটবল মহারণ। ১৯৫৮ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর ওয়েলস ফুটবলাররা। অন্যদিকে, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইউক্রেনবাসীর জন্য এ মুহূর্তে বিশ্বকাপের টিকিট অত্যন্ত মূল্যবান আর আকাঙ্ক্ষিত। এমন বাস্তবতায় কার্ডিফে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফ ফাইনালে মুখোমুখি হবে ওয়েলস ও ইউক্রেন।

 

ইউরোপ মহাদেশ থেকে ১৩টি দল বিশ্বকাপে খেলবে। গ্রুপ পর্ব থেকে সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট পেয়েছে সার্বিয়া, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস, ক্রোয়েশিয়া, ইংল্যান্ড, জার্মানি। এছাড়া প্লে-অফ খেলে বিশ্বকাপে যাচ্ছে আরো তিনটি দেশ। প্লে-অফ ফাইনালে সুইডেনকে হারিয়ে পোল্যান্ড ও নর্থ মেসিডোনিয়াকে হারিয়ে পর্তুগাল পেয়েছে কাতারের টিকিট। আজ ইউরোপের ১৩তম ও শেষ দল হিসেবে ওয়েলস ও ইউক্রেনের মধ্যে একটি দল যাবে বিশ্বকাপে।

 

১৯৫৮ প্রথম ও শেষবার বিশ্বকাপ খেলেছে ওয়েলস। সেবার তারা কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে তারা খেলেছে দুবার। সর্বশেষ ২০১৬ সালে সেমিফাইনাল খেলে গ্যারেথ বেলদের দেশ। অন্যদিকে, ইউক্রেনও একবার বিশ্বকাপে খেলেছে। ২০০৬ সালের সেই আসরে তারা শেষ আটে খেলার কৃতিত্ব দেখায়। দেশটি ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে খেলেছে মোট তিনবার। সর্বশেষ ২০২০ সালে তারা কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছে।

 

ওয়েলস ও ইউক্রেন দুই দেশই তাদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্নে বিভোর।

 

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন শুরু হওয়ার কারণে স্কটল্যান্ড ও ইউক্রেনের মধ্যকার ২৪ মার্চের অনুষ্ঠেয় প্লে-অফ সেমিফাইনাল স্থগিত করা হয়েছিল। ম্যাচটি গত ১ জুন অনুষ্ঠিত হলে ৩-১ গোলের জয় তুলে নেয় ইউক্রেন। দেশের রুশ আগ্রাসন চলমান থাকায় এ মুহূর্তে ফুটবলের প্রতিটি জয়ই ইউক্রেনিয়ানদের জন্য খুব বড় আবেগের। আজ আরেকটি জয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করাটা হতে পারে ওলেকসান্দ্র পেত্রাকভের দলের জন্য আরাধ্য একটা ব্যাপার। এই জয়টি মানসিকভাবে চাঙ্গা করতে পারে ইউক্রেনের যোদ্ধা, আর দেশটির বিপর্যস্ত মানুষদেরও।