মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো হয়ে উঠেছে খেলাধুলার নতুন কেন্দ্র। এক্ষেত্রে অন্যদেশগুলোর চেয়ে এগিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এখন বহির্বিশ্বের অনেক টুর্নামেন্ট আয়োজন হয় দেশটিতে। এর ফলে সেখানকার ক্রীড়া, পর্যটন ও পরিবহন খাতসহ প্রতিনিয়ত দেশটি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে। ২০২১ সালে দুবাইয়ের অর্থনীতিতে ৯ বিলিয়ন দিরহাম বা ২৪৫ কোটি ডলারের বেশি অবদান রেখেছে ক্রীড়া খাত। যা আমিরাতের বার্ষিক মোট উৎপাদনের (জিডিপি) ২ দশমিক ৩ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব করে।

দুবাই স্পোর্টস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান (ডিএসসি) শেখ মনসুর বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ আল-মাকতুমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে এমিরেটস নিউজ এজেন্সি।

দুবাই স্পোর্টস কাউন্সিলের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় আল-মাকতুম বলেন, ক্রীড়া খাত ১ লাখ ৫ হাজার মানুষের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করেছে, যা দুবাইয়ের মোট কর্মসংস্থানের ৩ দশমিক ৮ শতাংশ।

তিনি বলেন, দুবাইয়ের বার্ষিক জিডিপিতে ক্রীড়া খাতের উল্লেখযোগ্য অবদানে আমরা গর্বিত। সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত আমিরাতি, প্রবাসী কর্মচারী ও ক্রীড়াবিদদের স্বাস্থ্য-সুখ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ক্রীড়া শিল্প অর্থনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য অবদানকারী।

আমিরাতে ক্রীড়া খাতের বিকাশ ও গঠনে সহায়তার জন্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করায় নিয়ন্ত্রক কাঠামো এবং শক্তিশালী অবকাঠামোর কৃতিত্ব দেন তিনি। 

ডিএসসি চেয়ারম্যান বলেন, দুবাইয়ের অর্থনীতিতে ক্রীড়া খাতের অবদান রাখতে আমরা আগ্রহী ছিলাম। জীবনযাপন, কাজ, শিক্ষা ও বিনিয়োগের পছন্দের বৈশ্বিক গন্তব্য এখন দুবাই। বৈশ্বিক গন্তব্য হওয়ায় ক্রীড়া খাতও উপকৃত হয়। মূলত স্পোর্টস কাউন্সিল স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাসমূহ আয়োজনে সমর্থন করায় এ খাত অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পেরেছে।

ভবিষ্যতে ক্রীড়া খাতের চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা ও কৌশল প্রস্তুত করছে দুবাই। ক্রীড়া খাতকে এগিয়ে নেয়ার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে অনুশীলন করে বৈশ্বিক পরামর্শদাতাদের সঙ্গে মিলে একটি পরিচালনা কাঠামো তৈরি করেছে আমিরাত। যার ফলে আইপিএল, পিএসএল ও এশিয়া কাপসহ বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্ট আয়োজন করতে সমর্থ হয় দেশটির ক্রীড়া পরিষদ।