পিকেকে নিয়ে অস্বস্তি বার্সায়, ছাড়তেও জটিলতা লুইস সুয়ারেজ, আতোয়াঁ গ্রিজম্যান ও ফিলিপে কুতিনহোর মতো তারকাকে এক প্রকার ছেঁটে ফেলে বার্সেলোনা। কিন্তু ৩৫ বছর বয়সী জেরার্ড পিকের ক্ষেত্রে বিষয়টি ঘটছে উল্টো। নেই ফর্ম, তবু ২০২৪ সাল পর্যন্ত কাতালান ক্লাবটিতেই থাকতে চান তিনি। অন্য খেলোয়াড়দের বিক্রির ব্যাপারে উদ্যোগ নিলেও পিকের বিষয়ে নীরব ক্লাব ও কোচ।
ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়, শাকিরার সঙ্গে বিচ্ছেদের কদিন আগে জেরার্ড পিকে বলেছেন, বার্সেলোনায় তাকে আর প্রয়োজন নেই। পরে তার বক্তব্যের বিষয়ে কোচ জাভি হার্নান্দেজ বলেছেন, এটা অপেশাদার আচরণ, ব্যবসার প্রতি বেশি আগ্রহ ও শারীরিক সমস্যাগুলো নিয়ে পিকের চলে যাওয়া উচিত।
এর আগেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলা হয়, জাভির পরিকল্পনায় নেই পিকে। তাহলে এর পরও কীভাবে তিনি ক্লাবে থাকছেন? এখানে পিকের কাছে আটকা পড়ে আছে বার্সেলোনা! বকেয়া বেতন বাবদ ক্লাবের কাছে ৪০ মিলিয়ন ইউরো পান তিনি। অর্থনৈতিক সংকটে থাকা বার্সা এই মুহূর্তে কীভাবে পিকের বকেয়া শোধ করবে? তিনি ক্লাবও ছাড়তে চাচ্ছেন না, চুক্তি আছে আরো দুই মৌসুমের! বছরপ্রতি বেতনও পাচ্ছেন ১০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি, সঙ্গে অন্যান্য বোনাস তো আছেই। এ অবস্থায় তাকে ছাঁটাই করতে হলে বড় অংকের অর্থ জরিমানা গুনতে হবে বার্সাকে।
তার স্প্যানিশ আইনজীবী টনি রোকা বলেছেন, বার্সা পিকেকে এটা অবগত করতে পারে যে ক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় ও ব্যবসার কারণে তার বিশ্রামে এবং পারফরম্যান্সে প্রভাব পড়ে এমন কিছু যেন না করে। কিন্তু পিকের কোনো ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে সীমারেখা টেনে দিতে পারে না। যেমনটা লিওনেল মেসি ও নেইমার জুনিয়রদের বিষয়ে কোনো ধরাবাঁধা নেই।









