শুধু জয় নয়, এ যেন মরুর বুকে মাঠের সবুজ ঘাসে আলপনা এঁকে দিলেন নেইমার, ভিনিসিয়ুসরা। গতকাল গ্যালারিতে বসে থাকা কিংবদন্তি কাফু, রবার্তো কার্লোসদের সামনে একটি আদর্শ ব্রাজিলীয় পারফরম্যান্স উপহার দিয়েই হেক্সা মিশনে আরো একধাপ এগিয়ে গেল দলটি। চিরায়ত সাম্বার ছন্দ, ক্ষিপ্র গতি ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে দক্ষিণ কোরিয়াকে নাজেহাল করেছে ব্রাজিল। 

ম্যাচের সপ্তম মিনিটে রাইট উইংয়ে ওয়ান-টু-ওয়ান পাস খেলার পর বাইলাইন থেকে পুল ব্যাক করেন রাফিনহা। নেইমার বলে টাচ করতে না পারায় চলে যায় ভিনিসিয়ুসের কাছে। বলকে টাচ করার পর দারুণ এক শটে দক্ষিণ কোরিয়ার পাঁচ ডিফেন্ডারের ওপর দিয়ে জালে পাঠিয়েছেন ভিনিসিয়ুস।

ব্রাজিলের গোল উৎসবের সেই শুরু। রিচার্লিসনকে বক্সের মধ্যে ফাউল করা হলে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। ১৩ মিনিটে স্পট-কিক থেকে গোল করেন নেইমার। ২৯ মিনিটে থিয়াগো সিলভার পাসে বল পেয়ে রিচার্লিসন দারুণ এক গোল করেন (৩-০)। এরপর লুকাস প্যাকেতা। ৩৬ মিনিটের সময় ব্রাজিলকে চতুর্থ গোল এনে দেন এই মিডফিল্ডার। এই গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেন ভিনিসিয়ুস।

৪-০ গোলে লিড নিয়ে প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় ব্রাজিল। তবে এ সময় ৮-০ গোলেও এগিয়ে থাকতে পারত সেলেসাওরা। তাদের আক্রমণাত্মক ফুটবলের কাছে কোরীয়রা যেন অসহায় হয়ে পড়ে। দ্বিতীয়ার্ধে অনেক চেষ্টার পর ৭৬ মিনিটে পাইক সিউং-হো শক্তিশালী শটে একটি গোল পরিশোধ করেন। তাতে অবশ্য পরাজয় এড়ানো যায়নি।