লা
লিগার পর ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপার সুবাস পাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ। ১ জুন দিবাগত
রাতে লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেনের রিয়াল মাদ্রিদ ও জার্মানির
বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। ডর্টমুন্ড দ্বিতীয় ও রিয়াল ১৫তম ইউরোপিয়ান কাপের শিরোপার আশায় খেলতে
নামবে এদিন। ওয়েম্বলি ফাইনালের জন্য তৈরি হচ্ছে দুই দল।
এটি
৬৯তম ইউরোপিয়ান কাপ ফাইনাল। ১৯৫৬ সালে প্রথম ইউরোপিয়ান কাপে চ্যাম্পিয়ন হয় রিয়াল মাদ্রিদ।
ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতা ইউরোপিয়ান কাপ ১৯৯২-৯৩ মৌসুমে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স
লিগ নামে নতুনভাবে যাত্রা করে। রিয়াল মোট ছয়বার ইউরোপিয়ান কাপ ও আটবার চ্যাম্পিয়ন্স
লিগ শিরোপা জয় করে। সর্বশেষ ৬৯তম ইউরোপিয়ান কাপের শিরোপাও কি জিতে নেবে মাদ্রিদ জায়ান্টরা?
চলতি
মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১২ ম্যাচে অপরাজিত রিয়াল মাদ্রিদ। আটটি জয় ও চারটি ড্র করেছে
তারা। আগে ১৪ বার শিরোপা জিতলেও এই প্রথম কোনো ম্যাচ না হেরেই ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার
ফাইনালে উঠেছে তারা। সেমিফাইনালে রিয়াল হারিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটিকে।
১৫তম শিরোপা থেকে আর একটি জয় দূরে তারা। ১৪টি ইউরোপিয়ান শিরোপা নিয়ে এরই মধ্যে রেকর্ড
গড়েছে মাদ্রিদ জায়ান্টরা। এবার সেই রেকর্ডটাকে আরেকটু সংহত করার সুযোগ তাদের সামনে।
রিয়াল
কোচ কার্লো অ্যানচেলত্তি ফাইনাল সামনে রেখে বলেন, ‘দলের ওপর আমার পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে।
তারা ফাইনাল নিয়েই নিবিষ্ট এবং সবার মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নিয়ে উন্মাদনা কাজ করছে।’
এ
মৌসুমে চমক দেখিয়ে চলেছে ডর্টমুন্ড। কঠিন গ্রুপ পেরোনোর পর ফাইনালে আসার পথে তারা হারিয়েছে
পিএসভি, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও ফরাসি চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেইকে (পিএসজি)।
সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে পিএসজিকে তাদেরই মাঠে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে জার্মান
দলটি। এবার তারা কি রিয়াল মাদ্রিদ বাধা টপকাতে পারবে? কী ভাবছেন ডর্টমুন্ড কোচ এডিন
তারজিচ? ফাইনাল সামনে রেখে তিনি বলেন, ‘এটাকে পরাবাস্তব মনে হয়। ফাইনালে ওঠা আমাদের
জন্য বড় এক উপলক্ষ্যই বটে। জানি, আমরা ফেভারিট নই এবং অত্যন্ত কঠিন হবে। তবে এটা স্রেফ
একটি ম্যাচ এবং যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে। সেটি আমরা এরই মধ্যে প্রমাণও করেছি।’










