ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএলে) সর্বোচ্চ পাঁচটি দলীয় সংগ্রহের মধ্যে চারটিই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। নিত্যনতুন রেকর্ড গড়াই যেন তাদের খেলা। গতকাল নিজেদের মাঠে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ইশান কিশানের ঝড়ো সেঞ্চুরিতে আইপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তুলেছে প্যাট কামিন্সের দল (৬ উইকেটে ২৮৬ রান)। মাত্র এক রানের জন্য তারা নিজেদের আগের রেকর্ডটা (২৮৭ রান, প্রতিপক্ষ বেঙ্গালুরু, ২০২৪ সাল) ছুঁতে পারেনি।
এটা আইপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ, ঘরোয়া টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ও সব ধরনের টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে যুগ্মভাবে ষষ্ঠ সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ! ২০২৪ সালে সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফিতে সিকিমের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ৩৪৯ রান তুলে ইতিহাস গড়ে বরোদা। এছাড়া আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ সংগ্রহের রেকর্ডটা জিম্বাবুয়ের। গত বছর অক্টোবরে গাম্বিয়ার বিপক্ষে ৪ উইকেটে ৩৪৪ রান তুলেছিল সিকান্দার রাজার দল।
গতকাল সানরাইজার্সের ছুড়ে দেয়া ২৮৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৬ উইকেটে ২৪২ রান তোলার কৃতিত্ব দেখায় রাজস্থান। ৫২৮ রানের থ্রিলার ৪৪ রানে জিতে চলতি আসরে শুভসূচনা করল অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী সানরাইজার্স।
সানরাইজার্সকে দারুণ সূচনা এনে দেন ট্রাভিস হেড। মাত্র ২১ বলে ফিফটি করেন এ অস্ট্রেলিয়ান হার্ডহিটার। ৬টি চার ও ৩টি ছক্কায় ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। তিনি সাজঘরে ফিরে যান ৩১ বলে ৬৭ রান করে। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে প্রথম ১০ ওভারে ২ উইকেটে ১৩৫ রান তুলে নেয় সানরাইজার্স। এরপর রানবন্যা বইয়ে দেন ইশান কিশান। ১১ চার ও ৬ ছক্কায় ৪৭ বলে ১০৬ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে তিনি। অপরাজিত থাকেন। এটা চলতি আইপিএলের প্রথম সেঞ্চুরি।
সানরাইজার্সের রানবন্যার এ ম্যাচে মোহিত শর্মার রেকর্ড টপকে রান খরচ করার নতুন রেকর্ড গড়লেন রাজস্থানের জোফরা আর্চার। ইংলিশ ফাস্ট বোলার ৪ ওভারে দিয়েছেন ৭৬ রান। মোহিত শর্মা দিয়েছিলেন ৭৩ রান। লংকান স্পিনার মহিশ থিকসানা ২ উইকেট নিলেও খরচ করেছেন ৫২ রান। এছাড়া সন্দিপ শর্মা ৫১ রান, ফজলহক ফারুকি ৪৯ রান ও তুষার দেশপান্ডে ৪৪ রান খরচ করেছেন।










