তবে চোটের কারণে এখন পর্যন্ত মাঠে নামতে পারেননি ৩৪ বছর বয়সী এ ফরওয়ার্ড। আনচেলত্তি আশার বাণী শুনিয়ে বলেছেন, বৃহস্পতিবার ভোরে স্কটল্যান্ড ম্যাচে ফিরতে পারেন নেইমার। তবে নেইমার বলেই অনিশ্চয়তা। এ অবস্থায় তাকে নিয়ে রসিকতা করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দ্য সিলভা। বিশ্বকাপের দলে জায়গা পেলেও প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে না পারা এ তারকা ফরওয়ার্ডকে তিনি আখ্যা দিয়েছেন ‘বিশ্বের প্রথম ওয়ার্ক ফ্রম হোম ফুটবলার’ হিসেবে।
বেলো হরিজোন্তে শহরে এক অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে লুলা হাস্যরসের সুরে বলেন, ‘নেইমার তো খেলছেই না। সে বিশ্বের প্রথম ফুটবলার, যে ঘরে বসে কাজ করে। একেবারে ওয়ার্ক ফ্রম হোম ফুটবলার।’
শুধু নেইমার নয়, ব্রাজিলের দল নির্বাচন নিয়েও খোঁচা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘ইন্টারনেটে দেখছিলাম, যেকোনো দিন হয়তো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে দল তৈরি করতে হবে। তখন হয়তো ১১ জন পেলেকে নিয়েই দল বানানো হবে।’
প্রেসিডেন্টের এ রসিকতামিশ্রিত সমালোচনা এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ব্রাজিলের অনেক ফুটবল সমর্থকও তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত হয়েছেন। কারণ চোটের সঙ্গে লড়াই করে চলা নেইমার ২০২৩ সালের পর থেকে ব্রাজিলের জার্সিতে কোনো ম্যাচ খেলেননি।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে গত মাসে সান্তোসের বিপক্ষে খেলার সময় ডান পায়ের মাংসপেশিতে চোট পান নেইমার। তার চোট জর্জর ক্যারিয়ারের সর্বশেষ সংযোজন এটি। একের পর এক চোটের থাবায় প্রায় তিন বছর ধরে ব্রাজিলের হয়ে খেলতে পারছেন না তিনি।
ইনজুরি নিয়ে সর্বশেষ গত ১৭ মে মাঠ ছাড়েন নেইমার। তখন তার ক্লাব সান্তোসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, নেইমারের পেশি সামান্য ফুলে গেছে। ইনজুরির পরও তাকে বিশ্বকাপ দলে রাখা হয়। এর সপ্তাহখানেক পর জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেন তিনি। তখন ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নেইমারের পেশির চোট গ্রেড-২ পর্যায়ের।
তিন সপ্তাহের মধ্যে তিনি সেরে উঠবেন। সে সময়সীমা গত ১৭ জুন শেষ হয়েছে।
এখন সেরে উঠে মাঠে ফেরার খুব কাছেই আছেন নেইমার। গত বুধবার আলাদাভাবে অনুশীলন সেশনে বুট পরে বল নিয়ে ওয়ার্মআপ করার পর তাকে দলের সঙ্গে অনুশীলন করতে দেখা যায়। এর আগে ফিজিওথেরাপিস্ট ও ফিটনেস কোচদের তত্ত্বাবধানে দলের ট্রেনিং সেন্টারে ইনডোরে অনুশীলন করছিলেন তিনি।









